খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সাথে নিয়ে আমরা খুলনাকে সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে যা প্রয়োজন সেখানে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে খুলনাকে একটি সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এই কাজে তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরীর গল্লামারিস্থ শ্রী শ্রী হরি মন্দির ও গুরুচাঁদ ছাত্রাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত মতুয়া মহাসম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।
খুলনা বিভাগীয় শ্রী শ্রী হরিমন্দির পরিচালনা কমিটি ও গুরুচাঁদ ছাত্রাবাস আয়োজিত এই মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনাস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার চন্দ্রজীৎ মুখার্জি।
কেসিসি প্রশাসক আরো বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে যাত্রা শুরু করেছেন তা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তারই নেতৃত্বে দীর্ঘ বঞ্চনার অবসান ঘুচিয়ে আমরা একটি নিরাপদ, মানবিক, উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। সকলের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করতে চাই। আস্থা এবং বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করে আগামীর বাংলাদেশে সবাই আমরা একসাথে বসবাস করবো বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
মহাসম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যবসায়ী প্রফুল্ল কুমার রায়। প্রধান আলোচক ছিলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি সত্যানন্দ দত্ত এবং ঢাকাস্থ কিশোরলাল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক গৌতম কুমার ঢালী।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. দুলাল কৃষ্ণ রায়-এর সভাপতিত্বে মতুয়া মহাসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ওড়াকান্দির ইন্টান্যাশনাল হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনের সভাপতি সুপতি ঠাকুর শিবু ও ওড়াকান্দির আন্তর্জাতিক মতুয়া প্রচার মিশনের সভাপতি সম্পদ ঠাকুর।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৌমি রায় এবং সঞ্চালনা করেন মন্দিরের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. অপূর্ব বৈদ্য।
এরআগে সকালে কেসিসি প্রশাসক নগরীর বিআইডিসি রোডে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে নিজ তহবিল হতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। সমাজসেবক এ্যাড. জি এম ফজলে হালিম লিটন ও বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই সময় উপস্থিত ছিলেন।