শুক্রবার (১ মে ২০২৬) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পিরোজপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও পিরোজপুর সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মদ জহিরুল হক।সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান খন্দকার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ-সভাপতি জিএম মুসা, পিরোজপুর পৌরসভার শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপদেষ্টা মাওলানা ইসহাক আলী খান, সদর উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন ও রিকশা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আল আমিন ফকির ও সেক্রেটারি মিজানুর রহমান এবং শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন ও ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, পিরোজপুরে আগের তুলনায় চাঁদাবাজি বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। যা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, “পিরোজপুরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না—এমন ঘোষণা দিয়েছেন আমাদের এমপি মাসুদ সাঈদী মহোদয়।
কোথাও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলে আমাদের অবহিত করলে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সবসময় সক্রিয় থাকবে।সমাবেশে বক্তারা ‘জুলাই সনদ’ ও গণভোট বাস্তবায়ন এবং পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। তারা অভিযোগ করেন, গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার জাতির সাথে প্রতারণা করছে।
এছাড়া বক্তারা দাবি করেন, অতীতে যেখানে ৫০ টাকা চাঁদাবাজি হতো সেখানে এখন ১০০ টাকা চাঁদাবাজি হয়।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আগের পতিত স্বৈ’রা’চা’র হাসিনা দুপুরের খাবার না খেয়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে। আপনারা ও এমন গা’দ্দা’রী করলে গায়ে কাপড় নিয়ে পালাতে পারবেন না।