ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ব্রেকআপের ঠিক পরেই যে ৫টি কাজ কখনোই করা উচিত নয় ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন পেতে খেতে পারেন যেসব খাবার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফার জন্মদিন, শুভেচ্ছায় যা বললেন তৌসিফ মাভাবিপ্রবিতে ১৫ দিনব্যাপী তিন হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগে আগ্রহী মারস্ক টপ এন্ড সিরিজে বাংলাদেশ এইচপির সেমিফাইনাল প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত শোকে স্তব্ধ নরওয়ে, অষ্টম হাকনের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিএসইসি থেকে আইপিও আবেদন প্রত্যাহার করেছে কৃষিবিদ ফিড

 
‌জ্যেষ্ঠ প্র‌তি‌বেদক: পুঁ‌জিবাজারে তা‌লিকাভু‌ক্তির ল‌ক্ষ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য করা আ‌বেদন প্রত্যাহার ক‌রে নি‌য়ে‌ছে কৃষিবিদ ফিড। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির কারণে ব্যবসা ভা‌লো না হওয়ায় আই‌পিও আবেদন প্রত্যাহার ক‌রে নি‌য়ে‌ছে কোম্পা‌নি কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আই‌পিও প্রত্যাহা‌র সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছে কৃষিবিদ ফিড।

তথ্য ম‌তে, বিশ্বব্যাপী কোভিড -১৯ মহামারির কারণে কৃষিবিদ ফিডের ব্যবসা অন্য অনেকের মতো কম হয়েছে। বিশেষ করে এর উৎপাদন ও সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কম হয়েছিল। ফ‌লে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ চিন্তিত যে, এই মহামারি তাদের ব্যবসায় আরও ক্ষতি করবে। এ প‌রি‌প্রে‌ক্ষি‌তে তারা আইপিওর জন্য আবেদন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কৃষিবিদ ফিডের মূল কার্যক্রম এবং ব্যবসার ধরণ হচ্ছে পোল্ট্রি ফিড, ফিশ ফিড এবং গবাদি পশুর খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা। এছাড়া কোম্পানিটি সব ধরনের অ্যাগ্রো জাতীয় খাদ্য বাংলাদেশ ও বিদেশের যেকোনো জায়গায় রফতানি এবং আমদানি করতে পারে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গে‌ছে, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য শেয়ারবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। কোম্পানিটি আইপিওর জন্য ২৮ অক্টোবর, ২০১৮ সালে কমিশনে আবেদন জমা দিয়েছে। কোম্পানিটি ভবন এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজের জন্য ৭ কোটি টাকা, প্লান্ট ও যন্ত্রপাতির জন্য ৪.০৯ কোটি টাকা, ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য ১০ কোটি টাকা, ডিজেল জেনারেটর কেনার জন্য ২.৮৫ কোটি টাকা এবং ডেলিভারি ভ্যানের জন্য ৪.০৭ কোটি টাকা ব্যবহার করতে চেয়েছিল।

৩০ শে জুন, ২০১৯ পর্যন্ত কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে এর নিট মুনাফা হয়েছে ৫.৪১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪.৫৮ কোটি টাকা।

এর বিক্রয় আয় ছিল ৮৯.৯২ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭৭.৮৬ কোটি টাকা।

একই সময়ে, এর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১.৯৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট সম্পদ মূল্য ছিল ১৫.০৬ টাকা।

প্রসঙ্গত, কৃষিবিদ ফিড লিমিটেড ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১ জানুয়ারি ২০১২ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি

বিএসইসি থেকে আইপিও আবেদন প্রত্যাহার করেছে কৃষিবিদ ফিড

আপডেট টাইম : ০৪:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০

 
‌জ্যেষ্ঠ প্র‌তি‌বেদক: পুঁ‌জিবাজারে তা‌লিকাভু‌ক্তির ল‌ক্ষ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য করা আ‌বেদন প্রত্যাহার ক‌রে নি‌য়ে‌ছে কৃষিবিদ ফিড। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির কারণে ব্যবসা ভা‌লো না হওয়ায় আই‌পিও আবেদন প্রত্যাহার ক‌রে নি‌য়ে‌ছে কোম্পা‌নি কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আই‌পিও প্রত্যাহা‌র সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছে কৃষিবিদ ফিড।

তথ্য ম‌তে, বিশ্বব্যাপী কোভিড -১৯ মহামারির কারণে কৃষিবিদ ফিডের ব্যবসা অন্য অনেকের মতো কম হয়েছে। বিশেষ করে এর উৎপাদন ও সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কম হয়েছিল। ফ‌লে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ চিন্তিত যে, এই মহামারি তাদের ব্যবসায় আরও ক্ষতি করবে। এ প‌রি‌প্রে‌ক্ষি‌তে তারা আইপিওর জন্য আবেদন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কৃষিবিদ ফিডের মূল কার্যক্রম এবং ব্যবসার ধরণ হচ্ছে পোল্ট্রি ফিড, ফিশ ফিড এবং গবাদি পশুর খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা। এছাড়া কোম্পানিটি সব ধরনের অ্যাগ্রো জাতীয় খাদ্য বাংলাদেশ ও বিদেশের যেকোনো জায়গায় রফতানি এবং আমদানি করতে পারে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গে‌ছে, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য শেয়ারবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। কোম্পানিটি আইপিওর জন্য ২৮ অক্টোবর, ২০১৮ সালে কমিশনে আবেদন জমা দিয়েছে। কোম্পানিটি ভবন এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজের জন্য ৭ কোটি টাকা, প্লান্ট ও যন্ত্রপাতির জন্য ৪.০৯ কোটি টাকা, ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য ১০ কোটি টাকা, ডিজেল জেনারেটর কেনার জন্য ২.৮৫ কোটি টাকা এবং ডেলিভারি ভ্যানের জন্য ৪.০৭ কোটি টাকা ব্যবহার করতে চেয়েছিল।

৩০ শে জুন, ২০১৯ পর্যন্ত কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে এর নিট মুনাফা হয়েছে ৫.৪১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪.৫৮ কোটি টাকা।

এর বিক্রয় আয় ছিল ৮৯.৯২ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭৭.৮৬ কোটি টাকা।

একই সময়ে, এর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১.৯৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট সম্পদ মূল্য ছিল ১৫.০৬ টাকা।

প্রসঙ্গত, কৃষিবিদ ফিড লিমিটেড ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১ জানুয়ারি ২০১২ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।


প্রিন্ট