ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

অক্টোবরে ব্যাংকে ডিপোজিট বেড়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা

দেশের ব্যাংক খাতে জমা অর্থের পরিমাণ প্রতিমাসে বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের সেপ্টম্বের মাসে ব্যাংকগুলোতে ডিপোজিট বা অর্থ জমার পরিমাণ চিল ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৬ কোটি টাকা। সেখানে পরের মাস অক্টোবরে ১৪ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৫১ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা। একই সময়ে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে জমানো অর্থের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৬ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিআরআর ও এসএলআর বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ব্যাংকগুলোর আছে প্রায় তিন লাখ ৭১ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। কিন্তু এ সময় পর্যন্ত রাখার প্রয়োজন ছিল দুই লাখ দুই হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা। এর মানে অতিরিক্ত তারল্য আছে প্রায় এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে একেবারে অলস অর্থের পরিমাণ রয়েছে ২৩ হাজার ৮৪৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংকিং খাতে অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ ছিল এক লাখ তিন হাজার ৯৩৪ কোটি টাকা। ফলে করোনাকালের গত সাত মাসে ব্যাংকিং খাতে অতিরিক্ত তারল্য বেড়েছে ৬৫ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা। ওই সময়ে ব্যাংকে অলস টাকার পরিমাণ ছিল মাত্র ছয় হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত সাত মাসে অলস টাকা তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে।

এদিকে করোনাকালে বেসরকারি খাতে ঋণ যেটুকু বাড়ছে, তা মূলত প্রণোদনা নির্ভর। এর বাইরে নতুন ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে এখন অনেক বেশি সতর্ক ব্যাংকগুলোও। একদিকে নতুন ঋণের চাহিদা কম, অন্যদিকে আমানতসহ তহবিল আসার উৎসগুলো স্বাভাবিক থাকায় ব্যাংকগুলোতে জমেছে অতিরিক্ত তারল্যের পাহাড়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটরি পলিসি বিভাগের তথ্য মতে, ২০১৯ সালে সব খাত মিলিয়ে মোট ঋণ প্রদানের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৬৩ কোটি ১০ লাখ টাকা।

তারই ধারাবাহিকতায় সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবর মাসে শুধু সরকারি খাতে ঋণ ছাড়ের পরিমাণ ২ লাখ ২১ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারের কাছে নীট ঋণ ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়েছে ৩০ হাজার ৫৫ কোটি টাকা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

অক্টোবরে ব্যাংকে ডিপোজিট বেড়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা

আপডেট টাইম : ০৯:৩২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

দেশের ব্যাংক খাতে জমা অর্থের পরিমাণ প্রতিমাসে বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের সেপ্টম্বের মাসে ব্যাংকগুলোতে ডিপোজিট বা অর্থ জমার পরিমাণ চিল ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৬ কোটি টাকা। সেখানে পরের মাস অক্টোবরে ১৪ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৫১ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা। একই সময়ে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে জমানো অর্থের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৬ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিআরআর ও এসএলআর বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ব্যাংকগুলোর আছে প্রায় তিন লাখ ৭১ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। কিন্তু এ সময় পর্যন্ত রাখার প্রয়োজন ছিল দুই লাখ দুই হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা। এর মানে অতিরিক্ত তারল্য আছে প্রায় এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে একেবারে অলস অর্থের পরিমাণ রয়েছে ২৩ হাজার ৮৪৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংকিং খাতে অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ ছিল এক লাখ তিন হাজার ৯৩৪ কোটি টাকা। ফলে করোনাকালের গত সাত মাসে ব্যাংকিং খাতে অতিরিক্ত তারল্য বেড়েছে ৬৫ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা। ওই সময়ে ব্যাংকে অলস টাকার পরিমাণ ছিল মাত্র ছয় হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত সাত মাসে অলস টাকা তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে।

এদিকে করোনাকালে বেসরকারি খাতে ঋণ যেটুকু বাড়ছে, তা মূলত প্রণোদনা নির্ভর। এর বাইরে নতুন ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে এখন অনেক বেশি সতর্ক ব্যাংকগুলোও। একদিকে নতুন ঋণের চাহিদা কম, অন্যদিকে আমানতসহ তহবিল আসার উৎসগুলো স্বাভাবিক থাকায় ব্যাংকগুলোতে জমেছে অতিরিক্ত তারল্যের পাহাড়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটরি পলিসি বিভাগের তথ্য মতে, ২০১৯ সালে সব খাত মিলিয়ে মোট ঋণ প্রদানের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৬৩ কোটি ১০ লাখ টাকা।

তারই ধারাবাহিকতায় সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবর মাসে শুধু সরকারি খাতে ঋণ ছাড়ের পরিমাণ ২ লাখ ২১ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারের কাছে নীট ঋণ ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়েছে ৩০ হাজার ৫৫ কোটি টাকা।


প্রিন্ট