ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার প্রচলন যেভাবে এলো

 নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাদেশ ব্যাপি শুরু পহেলা বৈশাখ উদযাপন। বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিনে নববর্ষের উদযাপন বাঙালিয়ানার রীতি। এটি আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ উৎসব ইতিহাস-ঐহিত্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিবিড়ভাবে।

বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার বাঙালিরা নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সঙ্গে এই দিনটি উদযাপন করে। নতুন বছরের সমৃদ্ধি কামনা করে। ব্যবসায়ীরা পুরনো বছরের হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন বছরে যাত্রা করে। যাকে বলে হালখাতা। ক্রেতাদের মিষ্টি মুখ ও উপহার দিয়ে অতীতের হিসেবের খাতার ইতি টানা হয়।

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদযাপনের কথাটি মাথায় এলেই মুখ দিয়ে অকপটে বেরিয়ে আসে পান্তা-ইলিশের আহারবিলাস। প্রভাতে ইলিশ ভাজা, মরিচ পোড়া, বেগুন ভাজা, আলুভর্তা আর পান্তা ইলিশের ভোজ না হলে যেন বৈশাখের উদযাপনই ফিঁকে হয়ে আসে। যদিও বৈশাখের সঙ্গে পান্তা-ইলিশের প্রচলনের ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, পান্তা-ইলিশের সূচনা হয় ১৯৮৩ সালে রমনার বটমূলে। রমনার বর্ষবরণ উৎসব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রার সুবাদে প্রতিবারই ব্যাপক লোক সমাগম হয়।

আবহমানকাল থেকেই পহেলা বৈশাখ বাঙালি উদযাপন করে আসছে মেলা, হালখাতাসহ নানাভাবে। দিনটিতে ঘরে ঘরে ভালো খাবারের আয়োজনও নিয়মিত অনুষঙ্গ। তবে পান্তা কিংবা ইলিশ কখনোই পহেলা বৈশাখের অনুষঙ্গ ছিল না। এর প্রচলন নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে। দ্রুতই পান্তা-ইলিশ পহেলা বৈশাখের সমার্থক হয়ে ওঠে।

কিন্তু বৈশাখ অর্থাৎ এপ্রিল মাস জাটকা ইলিশের নদী থেকে সাগরে ফিরে যাওয়ার সময়। তাই জাটকা নিধন রোধে এসময় সরকারিভাবে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ। তাই পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়ার ব্যাপারে মানুষকে নিরুৎসাহিত করার পক্ষে মৎসবিদসহ সংশ্লিষ্টরা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার প্রচলন যেভাবে এলো

আপডেট টাইম : ১২:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২২

 নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাদেশ ব্যাপি শুরু পহেলা বৈশাখ উদযাপন। বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিনে নববর্ষের উদযাপন বাঙালিয়ানার রীতি। এটি আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ উৎসব ইতিহাস-ঐহিত্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিবিড়ভাবে।

বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার বাঙালিরা নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সঙ্গে এই দিনটি উদযাপন করে। নতুন বছরের সমৃদ্ধি কামনা করে। ব্যবসায়ীরা পুরনো বছরের হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন বছরে যাত্রা করে। যাকে বলে হালখাতা। ক্রেতাদের মিষ্টি মুখ ও উপহার দিয়ে অতীতের হিসেবের খাতার ইতি টানা হয়।

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উদযাপনের কথাটি মাথায় এলেই মুখ দিয়ে অকপটে বেরিয়ে আসে পান্তা-ইলিশের আহারবিলাস। প্রভাতে ইলিশ ভাজা, মরিচ পোড়া, বেগুন ভাজা, আলুভর্তা আর পান্তা ইলিশের ভোজ না হলে যেন বৈশাখের উদযাপনই ফিঁকে হয়ে আসে। যদিও বৈশাখের সঙ্গে পান্তা-ইলিশের প্রচলনের ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, পান্তা-ইলিশের সূচনা হয় ১৯৮৩ সালে রমনার বটমূলে। রমনার বর্ষবরণ উৎসব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রার সুবাদে প্রতিবারই ব্যাপক লোক সমাগম হয়।

আবহমানকাল থেকেই পহেলা বৈশাখ বাঙালি উদযাপন করে আসছে মেলা, হালখাতাসহ নানাভাবে। দিনটিতে ঘরে ঘরে ভালো খাবারের আয়োজনও নিয়মিত অনুষঙ্গ। তবে পান্তা কিংবা ইলিশ কখনোই পহেলা বৈশাখের অনুষঙ্গ ছিল না। এর প্রচলন নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে। দ্রুতই পান্তা-ইলিশ পহেলা বৈশাখের সমার্থক হয়ে ওঠে।

কিন্তু বৈশাখ অর্থাৎ এপ্রিল মাস জাটকা ইলিশের নদী থেকে সাগরে ফিরে যাওয়ার সময়। তাই জাটকা নিধন রোধে এসময় সরকারিভাবে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ। তাই পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়ার ব্যাপারে মানুষকে নিরুৎসাহিত করার পক্ষে মৎসবিদসহ সংশ্লিষ্টরা।


প্রিন্ট