ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিপস খাওয়ানোর কথা বলে নির্জনে নিয়ে করলেন শিশুর সর্বনাশ

চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহতে চিপস খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মো. আলমগীর নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আলমগীর। এর আগে, বুধবার সন্ধ্যায় আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাতেই আলমগীরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আলমগীর পিরোজপুর সদর উপজেলার ভুলু খাঁর ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক।

আকবরশাহ থানার ওসি মো. ওয়ালী উদ্দিন আকবর বলেন, উত্তর কাট্টলী এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকে শিশুটির পরিবার। বাবা দিনমজুর ও মা গার্মেন্টসে কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে একা পেয়ে চিপস খাওয়ানোর কথা বলে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান আলমগীর। সেখানে তার ওপর যৌন নির্যাতন চালান। পরে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ পেয়ে রাতেই আলমগীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ওসি আরো বলেন, গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার আলমগীরকে আদালতে পাঠানো হলে নিজের দোষ স্বীকার করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। এছাড়া পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চিপস খাওয়ানোর কথা বলে নির্জনে নিয়ে করলেন শিশুর সর্বনাশ

আপডেট টাইম : ০৮:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০২২

চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহতে চিপস খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মো. আলমগীর নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আলমগীর। এর আগে, বুধবার সন্ধ্যায় আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাতেই আলমগীরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আলমগীর পিরোজপুর সদর উপজেলার ভুলু খাঁর ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক।

আকবরশাহ থানার ওসি মো. ওয়ালী উদ্দিন আকবর বলেন, উত্তর কাট্টলী এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকে শিশুটির পরিবার। বাবা দিনমজুর ও মা গার্মেন্টসে কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে একা পেয়ে চিপস খাওয়ানোর কথা বলে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান আলমগীর। সেখানে তার ওপর যৌন নির্যাতন চালান। পরে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ পেয়ে রাতেই আলমগীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ওসি আরো বলেন, গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার আলমগীরকে আদালতে পাঠানো হলে নিজের দোষ স্বীকার করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। এছাড়া পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।


প্রিন্ট