ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অবকাঠামো-নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডি মন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তির উৎস নজরুল: রিজভী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

বাস থেকে নামিয়ে ধর্ষণ, হেলপার-কন্ডাক্টরসহ গ্রেফতার ৩

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরের ভাঙ্গাগামী একটি বাসের যাত্রী মাদরাসা পড়ুয়া ১৩ বছরের এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় ঐ বাসের কন্ডাক্টর ও হেলপারসহ এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ঐ ছাত্রীর বাবা কালাম শেখ বাদী হয়ে সোমবার বিকেলে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা করেন। মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- প্রচেষ্টা পরিবহনের কন্ডাক্টর আসিফ সরদার, হেলপার রাকিব মাতুব্বর ও তার মা লিলি বেগম।

মেয়েটির দুলাভাই সুমন আহমেদ বলেন, আমার শালিকা ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার একটি মাদরাসায় পোড়াশোনা করে। হাজারীবাগে একটি ভাড়া বাসায় আমাদের সঙ্গেই থাকে সে। গত রোববার (৩০ জুলাই) বিকেলে তাকে আমার শ্বশুরবাড়ি নগরকান্দার পীরের গ্রামে যাওয়ার জন্য বাবুবাজার থেকে ভাঙ্গাগামী প্রচেষ্টা পরিবহনের একটি বাসে তুলে দেই। তার জন্য ভাঙ্গায় অপেক্ষা করছিলেন আমার শ্বশুর।

মেয়েটির বাবা বলেন, মেয়েকে না পেয়ে তার ফোন কল করলে বন্ধ পাই। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাতে পুলিশকে জানানো হয়।

ভাঙ্গা থানার এসআই জুয়েল বলেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ ব্যাপারে একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পরিবারের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ অভিযানে নামে। এরপর সোমবার সকালে ঐ বাসের সুপারভাইজার আসিফকে আটক করার পর তার দেওয়া তথ্যমতে, হেলপার রাকিবের বাসা থেকে ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, ভাঙ্গায় পৌঁছার পর মেয়েটিকে বাস থেকে না নেমে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কিছুদূর সামনে নিয়ে নামিয়ে হেলপার রাকিবুলের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার এসআই মনির বলেন, অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঐ ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ওসি জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত রয়েছে কি না তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

বাস থেকে নামিয়ে ধর্ষণ, হেলপার-কন্ডাক্টরসহ গ্রেফতার ৩

আপডেট টাইম : ১০:০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০২৩

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরের ভাঙ্গাগামী একটি বাসের যাত্রী মাদরাসা পড়ুয়া ১৩ বছরের এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় ঐ বাসের কন্ডাক্টর ও হেলপারসহ এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ঐ ছাত্রীর বাবা কালাম শেখ বাদী হয়ে সোমবার বিকেলে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা করেন। মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- প্রচেষ্টা পরিবহনের কন্ডাক্টর আসিফ সরদার, হেলপার রাকিব মাতুব্বর ও তার মা লিলি বেগম।

মেয়েটির দুলাভাই সুমন আহমেদ বলেন, আমার শালিকা ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার একটি মাদরাসায় পোড়াশোনা করে। হাজারীবাগে একটি ভাড়া বাসায় আমাদের সঙ্গেই থাকে সে। গত রোববার (৩০ জুলাই) বিকেলে তাকে আমার শ্বশুরবাড়ি নগরকান্দার পীরের গ্রামে যাওয়ার জন্য বাবুবাজার থেকে ভাঙ্গাগামী প্রচেষ্টা পরিবহনের একটি বাসে তুলে দেই। তার জন্য ভাঙ্গায় অপেক্ষা করছিলেন আমার শ্বশুর।

মেয়েটির বাবা বলেন, মেয়েকে না পেয়ে তার ফোন কল করলে বন্ধ পাই। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাতে পুলিশকে জানানো হয়।

ভাঙ্গা থানার এসআই জুয়েল বলেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ ব্যাপারে একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পরিবারের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ অভিযানে নামে। এরপর সোমবার সকালে ঐ বাসের সুপারভাইজার আসিফকে আটক করার পর তার দেওয়া তথ্যমতে, হেলপার রাকিবের বাসা থেকে ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, ভাঙ্গায় পৌঁছার পর মেয়েটিকে বাস থেকে না নেমে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কিছুদূর সামনে নিয়ে নামিয়ে হেলপার রাকিবুলের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার এসআই মনির বলেন, অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঐ ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ওসি জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত রয়েছে কি না তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


প্রিন্ট