ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

প্রধানমন্ত্রী আকাশে ‘গাঙচিল’ ওড়াবেন আজ

অনলাইন ডেস্ক সিটিজেন নিউজ: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যোগ হচ্ছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আরো একটি উড়োজাহাজ ড্রিমলাইনার বোয়িং ৭৮৭-৮ ‘গাঙচিল’। বৃহস্পতিবার থেকে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করবে এটি। এদিন সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে বিমানটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিকাল সাড়ে পাঁচটায় উদ্বোধনী ফ্লাইটে আবুধাবির উদ্দেশে রওনা হবে গাঙচিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল থেকে গত ২৫ জুলাই দেশে আসে ‘গাঙচিল’। এর ফলে বিমানের বহরে অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনারের সংখ্যা হলো তিনটি। আগের দুটি হলো আকাশবীণা, হংসবলাকা। এ নিয়ে বিমানবহরে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫টি।

২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান। এগুলোর মধ্যে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, দুটি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও দুটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানবহরে যুক্ত হয়েছে। সর্বশেষ ড্রিমলাইনারটি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে দেশে আসতে পারে। বিমানের চারটি ড্রিমলাইনারের নাম বাছাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে আকাশবীণা, হংসবলাকা ২০১৮ সালে বাংলাদেশে এসেছে। চতুর্থ ড্রিমলাইনারের নাম রাজহংস।

বিমানের কর্মকর্তারা জানান, ড্রিমলাইনার একটানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে পারে। এটি অন্যান্য উড়োজাহাজের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি খরচ হয়। গাঙচিলের আসনসংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাসে আসন রয়েছে। বিজনেস ক্লাসের ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত রিক্লাইন্ড সুবিধা এবং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারবেন। এ ছাড়া প্রতিটি আসনের সামনে প্যানাসনিক এলইডি এস-মনিটর রয়েছে। একই সঙ্গে ড্রিমলাইনারের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমে (আইএফই) থাকবে ১০০টির বেশি ক্ল্যাসিক থেকে ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র। অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৩ হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময়ও ওয়াইফাই সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। বিমানে ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক যাত্রী ১৫ মিনিটের জন্য বিনা মূল্যে ১০ মেগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

প্রধানমন্ত্রী আকাশে ‘গাঙচিল’ ওড়াবেন আজ

আপডেট টাইম : ১১:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক সিটিজেন নিউজ: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যোগ হচ্ছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আরো একটি উড়োজাহাজ ড্রিমলাইনার বোয়িং ৭৮৭-৮ ‘গাঙচিল’। বৃহস্পতিবার থেকে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করবে এটি। এদিন সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে বিমানটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিকাল সাড়ে পাঁচটায় উদ্বোধনী ফ্লাইটে আবুধাবির উদ্দেশে রওনা হবে গাঙচিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল থেকে গত ২৫ জুলাই দেশে আসে ‘গাঙচিল’। এর ফলে বিমানের বহরে অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনারের সংখ্যা হলো তিনটি। আগের দুটি হলো আকাশবীণা, হংসবলাকা। এ নিয়ে বিমানবহরে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫টি।

২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান। এগুলোর মধ্যে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, দুটি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও দুটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানবহরে যুক্ত হয়েছে। সর্বশেষ ড্রিমলাইনারটি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে দেশে আসতে পারে। বিমানের চারটি ড্রিমলাইনারের নাম বাছাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে আকাশবীণা, হংসবলাকা ২০১৮ সালে বাংলাদেশে এসেছে। চতুর্থ ড্রিমলাইনারের নাম রাজহংস।

বিমানের কর্মকর্তারা জানান, ড্রিমলাইনার একটানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে পারে। এটি অন্যান্য উড়োজাহাজের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি খরচ হয়। গাঙচিলের আসনসংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাসে আসন রয়েছে। বিজনেস ক্লাসের ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত রিক্লাইন্ড সুবিধা এবং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারবেন। এ ছাড়া প্রতিটি আসনের সামনে প্যানাসনিক এলইডি এস-মনিটর রয়েছে। একই সঙ্গে ড্রিমলাইনারের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমে (আইএফই) থাকবে ১০০টির বেশি ক্ল্যাসিক থেকে ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র। অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৩ হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময়ও ওয়াইফাই সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। বিমানে ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক যাত্রী ১৫ মিনিটের জন্য বিনা মূল্যে ১০ মেগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।


প্রিন্ট