ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫১২ কমলার চেয়েও বেশি ভিটামিন সি মেলে যে ৫ সহজলভ্য খাবারে অস্ত্রোপচারের আগে না খেয়ে থাকতে বলা হয় কেন? অন্যরকম চরিত্রে, ইয়াশ ও একটি বিড়াল পুরো জুয়েলারি খাতকে দায়ী না করার আহ্বান বাজুসের রাজশাহী নিউ ডিগ্রি কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা বিএনপি সবসময় স্বচ্ছতার মধ্যে কথা বলে ও কাজ করে : রুহুল কবির রিজভী কুমিল্লায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও র‌্যালি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পূনরায় প্রার্থী হতে চান মোঃ নাজির হোসেন রাজশাহী নিউ ডিগ্রি কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগ, গহীন পাহাড়ে আবারও বাজবে—‘স্কুলঘণ্টা’

পার্বত্য বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—‘সাকহ্লানপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।’ এখানে দুর্গম এলাকার অর্ধশতাধিক শিশু শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। গত জুলাই মাসের প্রথম দিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের ভবনটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এতে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যালয়টি শ্রেণী কার্যক্রম।

স্থানীয় একজন ছাত্রনেতা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আনেন। সঙ্গে সঙ্গে নেওয়া হয় উদ্যোগ—১০ লাখ টাকায় নির্মিত হচ্ছে নতুন ভবন। চলতি মাসেই বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হবে, এতে দুর্গম পাহাড়ে আবারও বেজে উঠবে—‘স্কুলঘণ্টা।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এমন উদ্যোগে স্থানীয় অভিভাবকরা বেজায় খুশি। নয়াপাড়ার বাসিন্দা চাই হ্লা মং মারমা বাসসকে বলেন, ‘দুর্গম এলাকার স্কুল বৃষ্টিতে ভেঙে গেছে, ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে পড়েছিল। ভেবেছিলাম স্কুল তো আর হবে না। কিন্তু সরকার খবর পেয়ে তাড়াতাড়ি স্কুলঘর নির্মাণ করছে দেখে ভালো লাগছে।’

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দ্রুত উদ্যোগের কারণে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার অন্যতম আশ্রয়স্থলটি আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। ভবনের কাজ শেষ হলে পাহাড়ের ঢালে আবারও মুখর হবে শিক্ষার্থীদের কোলাহল, ফিরে আসবে পাহাড়ে গহিনে ‘শিক্ষার আলো।’

জানা গেছে, ‎নয়াপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত সাকহ্লানপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে। এখানে স্কুলে পাঠদানের পাশাপাশি ছিল আবাসিক ব্যবস্থাও। কিন্তু ভারী বৃষ্টিতে ভবনটি তছনছ হয়ে যায়। ‎বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী ও দুইজন শিক্ষক রয়েছেন।

বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন জানান, স্কুল ভবন বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিষয়টি আলীকদম উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. নূরুল ছাফার নজরে আসে। তিনি মুঠোফোনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহকে (সাইয়েদ আবদুল্লাহ) অবহিত করেন। তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি অবিলম্বে সমাধানের উদ্যোগ নেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫১২

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগ, গহীন পাহাড়ে আবারও বাজবে—‘স্কুলঘণ্টা’

আপডেট টাইম : ০২:১২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

পার্বত্য বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—‘সাকহ্লানপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।’ এখানে দুর্গম এলাকার অর্ধশতাধিক শিশু শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। গত জুলাই মাসের প্রথম দিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের ভবনটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এতে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যালয়টি শ্রেণী কার্যক্রম।

স্থানীয় একজন ছাত্রনেতা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আনেন। সঙ্গে সঙ্গে নেওয়া হয় উদ্যোগ—১০ লাখ টাকায় নির্মিত হচ্ছে নতুন ভবন। চলতি মাসেই বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হবে, এতে দুর্গম পাহাড়ে আবারও বেজে উঠবে—‘স্কুলঘণ্টা।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এমন উদ্যোগে স্থানীয় অভিভাবকরা বেজায় খুশি। নয়াপাড়ার বাসিন্দা চাই হ্লা মং মারমা বাসসকে বলেন, ‘দুর্গম এলাকার স্কুল বৃষ্টিতে ভেঙে গেছে, ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে পড়েছিল। ভেবেছিলাম স্কুল তো আর হবে না। কিন্তু সরকার খবর পেয়ে তাড়াতাড়ি স্কুলঘর নির্মাণ করছে দেখে ভালো লাগছে।’

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দ্রুত উদ্যোগের কারণে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিশুদের শিক্ষার অন্যতম আশ্রয়স্থলটি আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। ভবনের কাজ শেষ হলে পাহাড়ের ঢালে আবারও মুখর হবে শিক্ষার্থীদের কোলাহল, ফিরে আসবে পাহাড়ে গহিনে ‘শিক্ষার আলো।’

জানা গেছে, ‎নয়াপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত সাকহ্লানপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে। এখানে স্কুলে পাঠদানের পাশাপাশি ছিল আবাসিক ব্যবস্থাও। কিন্তু ভারী বৃষ্টিতে ভবনটি তছনছ হয়ে যায়। ‎বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী ও দুইজন শিক্ষক রয়েছেন।

বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন জানান, স্কুল ভবন বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিষয়টি আলীকদম উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. নূরুল ছাফার নজরে আসে। তিনি মুঠোফোনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহকে (সাইয়েদ আবদুল্লাহ) অবহিত করেন। তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি অবিলম্বে সমাধানের উদ্যোগ নেন।


প্রিন্ট