ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন ১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন গোদাগাড়ীর কৃতী সন্তান সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এম এনামুল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন গোদাগাড়ীতে র‌্যাব-৫ এর অভিযান পরিত্যক্ত অবস্থায় প্রায় ৯০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার হিলি স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ,বিপাকে ব্যবসায়ী ও শ্রমীকরা কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস মহান ঈদে আজম উদযাপন উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাবা হত্যা করলো ছেলে গোবিন্দগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আঁধারে সাইনবোর্ড যেখানেই যাচ্ছেন মানুষের সাড়া ও ভালোবাসা পাচ্ছেন: হাফেজ মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্সি

১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন

 

সীমান্ত, জবি প্রতিনিধি :

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) টিনশেড ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রথম ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হলেও নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। পরে বাকি কাজ শেষ করতে প্রকৌশলী দপ্তরের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে ফুডকোর্টের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকৌশলী দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফুডকোর্ট নির্মাণে তিন ধাপে ব্যয় হয়েছে যথাক্রমে ৫ লাখ ৯৭ হাজার, ৫ লাখ ৯৮ হাজার ও ৯৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ তিন ধাপে মোট ব্যয় হয় ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে ফুডকোর্ট ও ড্রেনেজের কাজ এবং তৃতীয় ধাপে বৈদ্যুতিক কাজ করা হয়।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার বরাদ্দে চারটি বেঞ্চ, দুটি ছাতা, একটি সিঁড়ি, রফিক ভবনের দেয়ালে প্লাস্টার, ড্রেনের ওপর ঢাকনা, পেছনে একটি বারান্দা, একটি এসএসের টেবিল, একটি রেক, একটি ক্যানোপি শেড, সলিং, গাইড ওয়াল, গার্ডেন, একটি এক্সহস্ট ফ্যান ও একটি দরজার কাজ করা হয়েছে।

প্রথম তিন ধাপের ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সঙ্গে নতুন বরাদ্দের ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা যোগ হলে ফুডকোর্ট নির্মাণে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

প্রশ্ন উঠছে, প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের পরও কেন নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়নি এবং পরবর্তীতে একই ফুডকোর্টে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার প্রয়োজন হলো? নতুন বরাদ্দের কাজগুলো প্রথম প্রাক্কলনে ছিল কি না,এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মনেও নানান প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে। কেউ কেউ স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

অতিরিক্ত  ব্যয়ের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমিন  বলেন, “ফুডকোর্টের বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। এ বিষয়ে প্রকৌশল দপ্তর জানে।”

অতিরিক্ত এই ব্যয় নিয়ে জবির প্রধান প্রকৌশলী বলেন, “এখানে অনেক কাজ করা হয়েছে তাই এই ব্যয়।”


প্রিন্ট
Tag :

১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন

১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন

আপডেট টাইম : ০১:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

সীমান্ত, জবি প্রতিনিধি :

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) টিনশেড ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রথম ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হলেও নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। পরে বাকি কাজ শেষ করতে প্রকৌশলী দপ্তরের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে ফুডকোর্টের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকৌশলী দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফুডকোর্ট নির্মাণে তিন ধাপে ব্যয় হয়েছে যথাক্রমে ৫ লাখ ৯৭ হাজার, ৫ লাখ ৯৮ হাজার ও ৯৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ তিন ধাপে মোট ব্যয় হয় ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে ফুডকোর্ট ও ড্রেনেজের কাজ এবং তৃতীয় ধাপে বৈদ্যুতিক কাজ করা হয়।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার বরাদ্দে চারটি বেঞ্চ, দুটি ছাতা, একটি সিঁড়ি, রফিক ভবনের দেয়ালে প্লাস্টার, ড্রেনের ওপর ঢাকনা, পেছনে একটি বারান্দা, একটি এসএসের টেবিল, একটি রেক, একটি ক্যানোপি শেড, সলিং, গাইড ওয়াল, গার্ডেন, একটি এক্সহস্ট ফ্যান ও একটি দরজার কাজ করা হয়েছে।

প্রথম তিন ধাপের ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সঙ্গে নতুন বরাদ্দের ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা যোগ হলে ফুডকোর্ট নির্মাণে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

প্রশ্ন উঠছে, প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের পরও কেন নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়নি এবং পরবর্তীতে একই ফুডকোর্টে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার প্রয়োজন হলো? নতুন বরাদ্দের কাজগুলো প্রথম প্রাক্কলনে ছিল কি না,এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মনেও নানান প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে। কেউ কেউ স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

অতিরিক্ত  ব্যয়ের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমিন  বলেন, “ফুডকোর্টের বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। এ বিষয়ে প্রকৌশল দপ্তর জানে।”

অতিরিক্ত এই ব্যয় নিয়ে জবির প্রধান প্রকৌশলী বলেন, “এখানে অনেক কাজ করা হয়েছে তাই এই ব্যয়।”


প্রিন্ট