ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষক-শ্রমিক-দিনমজুরের সম্মান ও সেবামুখী ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার; মানুষের আস্থা অর্জনেই গুরুত্ব নিকুঞ্জে হ/ত্যাচেষ্টা মা//মলার আ/সা/মি ও মা/দক কারবারি ‘গা/ঞ্জা রিফাত’ আ/টক অজস্র কলমের ছোঁয়া -এর দশম সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত। পটুয়াখালীতে টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, পানির নিচে আমনের বীজতলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব : মোনায়েম মুন্না হিলিতে ‘কেনা প্রশ্নপত্রে’ অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ, অভিভাবকদের ক্ষোভ পেলে-ম্যারাডোনার ক্লাবে বেলিংহাম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক চিলমারীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় শতাধিক পরিবার ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা শাখার বন্যায় কবলিত মানুষদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ।

উ. কোরিয়ার সহযোগিতা চাইল দ. কোরিয়া

কার্যত আন্তঃকোরীয় সামুদ্রিক সীমারেখা অতিক্রম করে উত্তর কোরিয়ার দিকে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছেÑ এমন এক নিখোঁজ নৌসেনাকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে আনতে উত্তর কোরিয়ার সহযোগিতা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

রোববার সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে নর্দার্ন লিমিট লাইন (এনএলএল) সংলগ্ন এলাকায় টহলরত একটি নৌযান থেকে ওই নৌসেনা নিখোঁজ হওয়ার খবরের পর এই অনুরোধ জানানো হয়।

সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনাকারী দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রণালয় (মিনিস্ট্রি অব ইউনিফিকেশন) এএফপিকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে জানায়, ‘পূর্ব সাগরে নিরাপত্তা মিশনে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর একটি জাহাজের এক নাবিক ১২ জুলাই সকালে নিখোঁজ হন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি এনএলএলের উত্তর দিকে ভেসে গেছেন।’

পূর্ব সাগরটি জাপান সাগর নামেও পরিচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী বর্তমানে নিখোঁজ নাবিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে। মানবিক বিবেচনায় অনুসন্ধান কার্যক্রম এবং ওই ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনতে আমরা উত্তর কোরিয়ার সহযোগিতা কামনা করছি।’

বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানায়, নিখোঁজ নৌসেনার পদমর্যাদা ‘সিমান অ্যাপ্রেন্টিস।’

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গ্যু-ব্যাকও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, ‘নিখোঁজ সেনাসদস্যকে যত দ্রুত এবং নিরাপদে সম্ভব উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের পর সংলাপ ও আস্থা তৈরির পদক্ষেপের মাধ্যমে পরমাণু অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছেন।

এই প্রেক্ষাপটেই সর্বশেষ এ আহ্বান জানানো হলো।

২০২৫ সালের জুনে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে তুলনামূলক নমনীয় নীতি অনুসরণ করে আসছেন লি, যা তার পূর্বসূরির কঠোর অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষক-শ্রমিক-দিনমজুরের সম্মান ও সেবামুখী ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার; মানুষের আস্থা অর্জনেই গুরুত্ব

উ. কোরিয়ার সহযোগিতা চাইল দ. কোরিয়া

আপডেট টাইম : ০৫:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

কার্যত আন্তঃকোরীয় সামুদ্রিক সীমারেখা অতিক্রম করে উত্তর কোরিয়ার দিকে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছেÑ এমন এক নিখোঁজ নৌসেনাকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে আনতে উত্তর কোরিয়ার সহযোগিতা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

রোববার সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে নর্দার্ন লিমিট লাইন (এনএলএল) সংলগ্ন এলাকায় টহলরত একটি নৌযান থেকে ওই নৌসেনা নিখোঁজ হওয়ার খবরের পর এই অনুরোধ জানানো হয়।

সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনাকারী দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রণালয় (মিনিস্ট্রি অব ইউনিফিকেশন) এএফপিকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে জানায়, ‘পূর্ব সাগরে নিরাপত্তা মিশনে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর একটি জাহাজের এক নাবিক ১২ জুলাই সকালে নিখোঁজ হন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি এনএলএলের উত্তর দিকে ভেসে গেছেন।’

পূর্ব সাগরটি জাপান সাগর নামেও পরিচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী বর্তমানে নিখোঁজ নাবিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে। মানবিক বিবেচনায় অনুসন্ধান কার্যক্রম এবং ওই ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনতে আমরা উত্তর কোরিয়ার সহযোগিতা কামনা করছি।’

বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানায়, নিখোঁজ নৌসেনার পদমর্যাদা ‘সিমান অ্যাপ্রেন্টিস।’

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গ্যু-ব্যাকও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, ‘নিখোঁজ সেনাসদস্যকে যত দ্রুত এবং নিরাপদে সম্ভব উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের পর সংলাপ ও আস্থা তৈরির পদক্ষেপের মাধ্যমে পরমাণু অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছেন।

এই প্রেক্ষাপটেই সর্বশেষ এ আহ্বান জানানো হলো।

২০২৫ সালের জুনে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে তুলনামূলক নমনীয় নীতি অনুসরণ করে আসছেন লি, যা তার পূর্বসূরির কঠোর অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত।

 


প্রিন্ট