ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না: নাহিদ ইসলাম লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন চট্টগ্রামের নতুন মাস্টারপ্লানের খসড়ায় ৬০ দিনের জনমত আহ্বান সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা ব্যবসার স্থান যেন এডিস মশার জন্মস্থান না হয় পিরোজপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ রাজশাহীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে নির্মিত হবে স্মৃতিস্তম্ভ : ভূমিমন্ত্রী টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্পকে বাঁচাতে তাঁতিদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে: পাট প্রতিমন্ত্রী ক্যাশলেস অর্থনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে ‘বাংলা কিউআর’

সেপ্টেম্বরেই চালু হতে পারে রংপুরের ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল

রংপুরের বহুল প্রতীক্ষিত ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, আসবাবপত্র কেনা এবং জনবল নিয়োগের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এ লক্ষ্যে শনিবার সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ হাসপাতালটির আউটডোর ও ইনডোর ভবন, অক্সিজেন প্ল্যান্ট এবং প্রবেশপথ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি রংপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দ্রুতই এসব হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এ লক্ষ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ মাসের মধ্যেই হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরিফ আহমদ আরও বলেন, আসবাবপত্র সংগ্রহের কাজও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জনবল নিয়োগের বিষয়টি অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রমও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এরপর তিনি রংপুর মা ও শিশু হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর রংপুরের সাবেক সদর হাসপাতালের ১ দশমিক ৭৮ একর জমিতে হাসপাতালটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রায় ৩১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা হাসপাতাল ভবনটি ২০২০ সালের ৮ মার্চ জেলা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় ভবনটি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

হাসপাতালটিতে জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, চিকিৎসকদের চেম্বার, পরীক্ষাগার, অপারেশন থিয়েটার, বার্ন ইউনিট, ওয়ার্ড ও কেবিনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের আবাসন, নার্স কোয়ার্টার, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অক্সিজেন প্ল্যান্টও নির্মাণ করা হয়েছে।

হাসপাতালটি চালু হলে রংপুর বিভাগের শিশুদের জটিল অস্ত্রোপচারসহ বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা স্বল্প খরচে পাওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না: নাহিদ ইসলাম

সেপ্টেম্বরেই চালু হতে পারে রংপুরের ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল

আপডেট টাইম : ০৫:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের বহুল প্রতীক্ষিত ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, আসবাবপত্র কেনা এবং জনবল নিয়োগের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এ লক্ষ্যে শনিবার সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ হাসপাতালটির আউটডোর ও ইনডোর ভবন, অক্সিজেন প্ল্যান্ট এবং প্রবেশপথ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি রংপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দ্রুতই এসব হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এ লক্ষ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ মাসের মধ্যেই হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরিফ আহমদ আরও বলেন, আসবাবপত্র সংগ্রহের কাজও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জনবল নিয়োগের বিষয়টি অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রমও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এরপর তিনি রংপুর মা ও শিশু হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর রংপুরের সাবেক সদর হাসপাতালের ১ দশমিক ৭৮ একর জমিতে হাসপাতালটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রায় ৩১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা হাসপাতাল ভবনটি ২০২০ সালের ৮ মার্চ জেলা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় ভবনটি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

হাসপাতালটিতে জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, চিকিৎসকদের চেম্বার, পরীক্ষাগার, অপারেশন থিয়েটার, বার্ন ইউনিট, ওয়ার্ড ও কেবিনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের আবাসন, নার্স কোয়ার্টার, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অক্সিজেন প্ল্যান্টও নির্মাণ করা হয়েছে।

হাসপাতালটি চালু হলে রংপুর বিভাগের শিশুদের জটিল অস্ত্রোপচারসহ বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা স্বল্প খরচে পাওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 


প্রিন্ট