ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টেকসই নগর গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী উত্তরায় জামায়াতের বিক্ষোভ: গণরায় বাস্তবায়ন ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবি দীর্ঘ ৮ মাস পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু জুলাই আন্দোলন সম্মিলিত প্রয়াসের ফল, কারোও একক কৃতিত্ব নয় : রিজভী সুনামগঞ্জে উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবণের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য এড. নুরুল ইসলাম আগামী ৫ আগস্টকে ঘিরে দেশব্যাপী নিরাপত্তা বলয় জোরদার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে নৌযান শুমারি, তৈরি হবে ডাটাবেইজ শতবর্ষী আসরের আগে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে কমনওয়েলথ গেমস ময়মনসিংহে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার উদ্বোধন ‎পিরোজপুর কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

জুলাই আন্দোলন সম্মিলিত প্রয়াসের ফল, কারোও একক কৃতিত্ব নয় : রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব একক কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নয়; এটি ছিল ছাত্র-জনতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রয়াসের ফল।

আজ (সোমবার) রাজধানীতে নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব), বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) শাখার আয়োজনে ‘রক্তঝরা জুলাইয়ে নার্সদের অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির একটি সামাজিক ভিত্তি আছে। আন্দোলনে সেই ভিত্তিটা কাজে লেগেছে। যদি শেখ হাসিনার পতন না হতো এবং এই আন্দোলন যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে আমাদের অনেকের ফাঁসি হয়ে যেত। প্রত্যেকটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতাদের আন্দোলনের কর্মসূচিতে বিএনপি সমর্থন দিয়েছে। ৫ জুন থেকে তাদের প্রতিটি কর্মসূচিকে বিএনপির পক্ষ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে এক দফার আন্দোলনে রূপ নেয়। কিন্তু এর পেছনে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন এবং সেই রক্তঝরা আন্দোলনের ইতিহাস আছে। চব্বিশের জুলাইতে তার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

নার্সদের উদ্দেশে বলেন, নার্সরা মানবতার প্রথম সারির সৈনিক। তাদের দাবি-দাওয়া, সুখ-দুঃখ এবং আনন্দ-বেদনার সঙ্গে এই সরকার থাকবে।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা মানুষের কথা বলার অধিকার এবং রাজনীতি করার অধিকার বন্ধ করেছিল। মানুষের নাগরিক অধিকার বন্ধ করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে। শেখ হাসিনা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে নোংরা ভাষায় গালাগালি করতেন। আমরা এত জুলুম, নির্যাতন, রিমান্ডের পরও কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তার বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছি, কিন্তু কোনোদিন বাজে কথা বলিনি।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) মো. রাশেদ খাঁন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এবং বিএনপি সহ-সম্পাদক (নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী) ও ন্যাবের সভাপতি জাহানারা খাতুন।

আলোচনা সভাটির সভাপতিত্ব করেন ন্যাবের বিএমইউ শাখার সভাপতি শারমিন আক্তার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ন্যাবের মহাসচিব সুজন মিয়া।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকসই নগর গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

জুলাই আন্দোলন সম্মিলিত প্রয়াসের ফল, কারোও একক কৃতিত্ব নয় : রিজভী

আপডেট টাইম : ০৬:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব একক কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নয়; এটি ছিল ছাত্র-জনতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রয়াসের ফল।

আজ (সোমবার) রাজধানীতে নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব), বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) শাখার আয়োজনে ‘রক্তঝরা জুলাইয়ে নার্সদের অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির একটি সামাজিক ভিত্তি আছে। আন্দোলনে সেই ভিত্তিটা কাজে লেগেছে। যদি শেখ হাসিনার পতন না হতো এবং এই আন্দোলন যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে আমাদের অনেকের ফাঁসি হয়ে যেত। প্রত্যেকটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতাদের আন্দোলনের কর্মসূচিতে বিএনপি সমর্থন দিয়েছে। ৫ জুন থেকে তাদের প্রতিটি কর্মসূচিকে বিএনপির পক্ষ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে এক দফার আন্দোলনে রূপ নেয়। কিন্তু এর পেছনে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন এবং সেই রক্তঝরা আন্দোলনের ইতিহাস আছে। চব্বিশের জুলাইতে তার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

নার্সদের উদ্দেশে বলেন, নার্সরা মানবতার প্রথম সারির সৈনিক। তাদের দাবি-দাওয়া, সুখ-দুঃখ এবং আনন্দ-বেদনার সঙ্গে এই সরকার থাকবে।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা মানুষের কথা বলার অধিকার এবং রাজনীতি করার অধিকার বন্ধ করেছিল। মানুষের নাগরিক অধিকার বন্ধ করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে। শেখ হাসিনা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে নোংরা ভাষায় গালাগালি করতেন। আমরা এত জুলুম, নির্যাতন, রিমান্ডের পরও কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তার বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছি, কিন্তু কোনোদিন বাজে কথা বলিনি।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) মো. রাশেদ খাঁন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এবং বিএনপি সহ-সম্পাদক (নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী) ও ন্যাবের সভাপতি জাহানারা খাতুন।

আলোচনা সভাটির সভাপতিত্ব করেন ন্যাবের বিএমইউ শাখার সভাপতি শারমিন আক্তার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ন্যাবের মহাসচিব সুজন মিয়া।


প্রিন্ট