ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুন্সীগঞ্জে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৮৩,৪৮,৮৩৬৯ টাকা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়

 মুন্সীগঞ্জ ভুমি উন্নয়ন কর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী আদায় হয়েছে। গত ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর (সাধারণ এবং সংস্থা) লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮ কোটি ৩৪ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৬৯ টাকা আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে বকেয়া কর আদায় করা হয়েছে ৩ কোটি ৬৯ লক্ষ ২৬ হাজার ৫৩৫ টাকা।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬ উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর  (সাধারণ এবং সংস্থা) বকেয়াসহ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ কোটি ৪৪ লক্ষ ২১ হাজার ৫৯৮ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৮ কোটি ৩৪ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৬৯ টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯০ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৭১ টাকা বেশী। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২১৮৮৯০৩২ টাকা, গজারিয়ায় ১১৮৮০৫৪৪ টাকা। টঙ্গিবাড়ীতে ৯৬৫২৭০৭ টাকা, লৌহজংয়ে ৮৩৯৫৯৯৪ টাকা, শ্রীনগরে ১১৮৪৬৩২৯ টাকা এবং সিরাজদিখানে ১৯৮২৩৭৭৪ টাকা। আদায়ের হার ১১২ দশমিক ১৮ ভাগ।

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর (সাধারণ) আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ কোটি ৮৩ লক্ষ ১৮হাজার ২৫৭ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ ২২ হাজার ৩৯৯ টাকা। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২০৬৮৪৮৫৬ টাকা,গজারিয়ায় ১১৫৩৬৪৬৪ টাকা,টঙ্গিবাড়ীতে ৯২৫৩৯৩৯ টাকা, লৌহজংয়ে ৭৬৫১১৫৮ টাকা, শ্রীনগরে ১১৮৪৬৩২৯ টাকা এবং সিরাজদিখানে ১৬৫৪৯৬৫৩ টাকা।

বিগত অর্থবছরের সমুদয় বকেয়া পাওনা আদায় করা হয়েছে ৩৫৭৯১৯৯৩ টাকা।

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর (সংস্থা) আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬১ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪১ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৬৫ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৩৬ টাকা। সদর উপজেলায় ১২০৪১৭৬ টাকা, গজারিয়ায় ৩৪৪০৬৯ টাকা, টঙ্গিবাড়ীতে ৩৯৮৭৬৮ টাকা, লৌহজংয়ে ৭৪৪৮৩৬ টাকা,  শ্রীনগরে ৫৬৩৪৬৬ টাকা এবং সিরাজদিখানে ৩২৭৪১২১ টাকা। বকেয়া পাওনা আদায় করা হয়েছে ১১৩৪৫৪২ টাকা।

গত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৭২৭১৪০৯৫ টাকার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৭৫২৮৫৪২৫ টাকা এবং ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা ৮০২৬৯২৬৬ টাকার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৮৩৯০৪৫৫১ টাকা।

সহকারী কমিশনার (রাজস্ব শাখা) মো. ওমর ফারুক বাসস’কে জানান, ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে বলে অনেকে নামজারী করতে চায় না। এর জন্য নিয়মিত ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকি করার নির্দেশনা রয়েছে। ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের বিষয়ও নজরদারীতে থাকছে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত তদারকিতে বকেয়াসহ কর আদায়ের হার নিয়মিত হচ্ছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার বাসস’কে জানান,নামজারী পদ্ধতি ডিজিটাল করায় ভুমি উন্নয়ন কর (সাধারণ) আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী’র সভাপতিত্বে নিয়মিত জেলা রাজস্ব সভায় ভুমি উন্নয়ন কর (সাধারণ এবং সংস্থা) আদায় বিষয়ে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তদের সাথে সভা  এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা এবং কার্য তদারকি করা হয়। এতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ত্বরান্বিত ও সন্তোসজনক হয়। বিভিন্ন সংস্থার ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করায় সংস্থার বকেয়াসহ হালনাগাদ কর আদায় করা সম্ভব হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আরো জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমির ভুমি উন্নয়ন কর আদায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। মুন্সীগঞ্জে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় সন্তোষজনক হওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কর আদায়ের ক্ষেত্রে করদাতাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৮৩,৪৮,৮৩৬৯ টাকা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়

আপডেট টাইম : ১২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

 মুন্সীগঞ্জ ভুমি উন্নয়ন কর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী আদায় হয়েছে। গত ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর (সাধারণ এবং সংস্থা) লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮ কোটি ৩৪ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৬৯ টাকা আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে বকেয়া কর আদায় করা হয়েছে ৩ কোটি ৬৯ লক্ষ ২৬ হাজার ৫৩৫ টাকা।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬ উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর  (সাধারণ এবং সংস্থা) বকেয়াসহ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ কোটি ৪৪ লক্ষ ২১ হাজার ৫৯৮ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৮ কোটি ৩৪ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৬৯ টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯০ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৭১ টাকা বেশী। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২১৮৮৯০৩২ টাকা, গজারিয়ায় ১১৮৮০৫৪৪ টাকা। টঙ্গিবাড়ীতে ৯৬৫২৭০৭ টাকা, লৌহজংয়ে ৮৩৯৫৯৯৪ টাকা, শ্রীনগরে ১১৮৪৬৩২৯ টাকা এবং সিরাজদিখানে ১৯৮২৩৭৭৪ টাকা। আদায়ের হার ১১২ দশমিক ১৮ ভাগ।

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর (সাধারণ) আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ কোটি ৮৩ লক্ষ ১৮হাজার ২৫৭ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ ২২ হাজার ৩৯৯ টাকা। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২০৬৮৪৮৫৬ টাকা,গজারিয়ায় ১১৫৩৬৪৬৪ টাকা,টঙ্গিবাড়ীতে ৯২৫৩৯৩৯ টাকা, লৌহজংয়ে ৭৬৫১১৫৮ টাকা, শ্রীনগরে ১১৮৪৬৩২৯ টাকা এবং সিরাজদিখানে ১৬৫৪৯৬৫৩ টাকা।

বিগত অর্থবছরের সমুদয় বকেয়া পাওনা আদায় করা হয়েছে ৩৫৭৯১৯৯৩ টাকা।

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর (সংস্থা) আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬১ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪১ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৬৫ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৩৬ টাকা। সদর উপজেলায় ১২০৪১৭৬ টাকা, গজারিয়ায় ৩৪৪০৬৯ টাকা, টঙ্গিবাড়ীতে ৩৯৮৭৬৮ টাকা, লৌহজংয়ে ৭৪৪৮৩৬ টাকা,  শ্রীনগরে ৫৬৩৪৬৬ টাকা এবং সিরাজদিখানে ৩২৭৪১২১ টাকা। বকেয়া পাওনা আদায় করা হয়েছে ১১৩৪৫৪২ টাকা।

গত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৭২৭১৪০৯৫ টাকার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৭৫২৮৫৪২৫ টাকা এবং ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা ৮০২৬৯২৬৬ টাকার বিপরীতে আদায় করা হয়েছে ৮৩৯০৪৫৫১ টাকা।

সহকারী কমিশনার (রাজস্ব শাখা) মো. ওমর ফারুক বাসস’কে জানান, ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে বলে অনেকে নামজারী করতে চায় না। এর জন্য নিয়মিত ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকি করার নির্দেশনা রয়েছে। ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের বিষয়ও নজরদারীতে থাকছে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত তদারকিতে বকেয়াসহ কর আদায়ের হার নিয়মিত হচ্ছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার বাসস’কে জানান,নামজারী পদ্ধতি ডিজিটাল করায় ভুমি উন্নয়ন কর (সাধারণ) আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী’র সভাপতিত্বে নিয়মিত জেলা রাজস্ব সভায় ভুমি উন্নয়ন কর (সাধারণ এবং সংস্থা) আদায় বিষয়ে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তদের সাথে সভা  এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা এবং কার্য তদারকি করা হয়। এতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ত্বরান্বিত ও সন্তোসজনক হয়। বিভিন্ন সংস্থার ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করায় সংস্থার বকেয়াসহ হালনাগাদ কর আদায় করা সম্ভব হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আরো জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমির ভুমি উন্নয়ন কর আদায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। মুন্সীগঞ্জে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় সন্তোষজনক হওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কর আদায়ের ক্ষেত্রে করদাতাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা রয়েছে।


প্রিন্ট