ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজের মূল্য দেওয়া যাবে বাংলাদেশি টাকায় হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমেদ শফীর (রহ.) কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা রূপগঞ্জে সাহাপুর-মুশরী-তেলিপাড়া খাল সংস্কার কাজের উদ্বোধন ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ডে আর্সেনালে গিয়ে ‘ইতিহাস গড়তে’ চান গিমারায়েস মহাদেবপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভারতে পালানোর সময় আগৈলঝাড়ার হ/ত্যা মামলার প্রধান আসামি সেন্টু শিকদার গ্রে/প্তার দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় জাতীয় উদ্যান বন্ধ করল ইন্দোনেশিয়া যারা শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় জাতীয় উদ্যান বন্ধ করল ইন্দোনেশিয়া

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে দমকলকর্মীরা কাজ করে যাওয়ার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের একটি জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মাউন্ট ব্রোমোর কাছে অবস্থিত ব্রোমো টেংগার সেমেরু ন্যাশনাল পার্কে সোমবার আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭৬ হেক্টর (৪৩৫ একর) এলাকা পুড়ে গেছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। শনিবার রাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য ওই এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।

জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি জানান, এখন পর্যন্ত আগুনে কেউ আহত হয়নি এবং কোনো স্থাপনা বা সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া যায়নি।

তিনি রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, খাড়া ঢাল ও প্রবল বাতাসের কারণে যেসব এলাকায় স্থলপথে দমকলকর্মীদের পৌঁছানো কঠিন, সেখানে আগুন নেভাতে দুটি ওয়াটার-বোম্বিং হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘স্থলপথে যেসব এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না, সেসব এলাকায় পৌঁছাতে এ অবস্থায় আকাশপথে অভিযান চালানো গুরুত্বপূর্ণ।’

২০২৩ সালে মাউন্ট ব্রোমোতে ৫০০ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। সে সময় বিয়ের আগে ছবি তোলার সময় এক দম্পতি একটি ফ্লেয়ার জ্বালালে সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

আবহাওয়া সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে, চলতি বছর ইন্দোনেশিয়ায় আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুম দেখা দিতে পারে। এল নিনো নামক আবহাওয়াগত ঘটনার কারণে দাবানল ও খরার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইন্দোনেশিয়ায় ১ লাখ ৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পুড়ে গেছে। ২০২৩ সালের দাবানলে পুড়ে যাওয়া এলাকার তুলনায় এই পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঘটনা, যার ফলে বিশ্বজুড়ে বাতাসের গতি, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন ঘটে। সাধারণত এর কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভারতে অপেক্ষাকৃত শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দেয়।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজের মূল্য দেওয়া যাবে বাংলাদেশি টাকায়

দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় জাতীয় উদ্যান বন্ধ করল ইন্দোনেশিয়া

আপডেট টাইম : ০৫:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে দমকলকর্মীরা কাজ করে যাওয়ার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের একটি জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মাউন্ট ব্রোমোর কাছে অবস্থিত ব্রোমো টেংগার সেমেরু ন্যাশনাল পার্কে সোমবার আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭৬ হেক্টর (৪৩৫ একর) এলাকা পুড়ে গেছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। শনিবার রাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য ওই এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।

জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি জানান, এখন পর্যন্ত আগুনে কেউ আহত হয়নি এবং কোনো স্থাপনা বা সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া যায়নি।

তিনি রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, খাড়া ঢাল ও প্রবল বাতাসের কারণে যেসব এলাকায় স্থলপথে দমকলকর্মীদের পৌঁছানো কঠিন, সেখানে আগুন নেভাতে দুটি ওয়াটার-বোম্বিং হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘স্থলপথে যেসব এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না, সেসব এলাকায় পৌঁছাতে এ অবস্থায় আকাশপথে অভিযান চালানো গুরুত্বপূর্ণ।’

২০২৩ সালে মাউন্ট ব্রোমোতে ৫০০ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। সে সময় বিয়ের আগে ছবি তোলার সময় এক দম্পতি একটি ফ্লেয়ার জ্বালালে সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

আবহাওয়া সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে, চলতি বছর ইন্দোনেশিয়ায় আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুম দেখা দিতে পারে। এল নিনো নামক আবহাওয়াগত ঘটনার কারণে দাবানল ও খরার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইন্দোনেশিয়ায় ১ লাখ ৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পুড়ে গেছে। ২০২৩ সালের দাবানলে পুড়ে যাওয়া এলাকার তুলনায় এই পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঘটনা, যার ফলে বিশ্বজুড়ে বাতাসের গতি, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন ঘটে। সাধারণত এর কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভারতে অপেক্ষাকৃত শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দেয়।

 


প্রিন্ট