ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জের চাদঁনীঘাটে নিজস্ব অর্থায়নে অস্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণ করেন জেলা যুবদলের যোগাযোগ সম্পাদক সুজন মাহমুদ কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বিভাগে নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের যোগদান প্রাথমিক বৃত্তিতে সাফল্য, উল্লাপাড়ায় ৫০ শিক্ষার্থী সংবর্ধিত অপপ্রচারের অভিযোগে,কুড়িগ্রাম থানায় প্রথম টিভির চেয়ারম্যানের লিখিত অভিযোগ ফেনীর ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারল বাংলাদেশ নারী ইমার্জিং দল জুলাইয়ে চীনে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে, পূর্বাভাসের নিচে বিমানবন্দরের বাইরে গাড়ি থেকে ১,৮১২ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার কাস্টমস্ গোয়েন্দার সড়ক দুর্ঘটনার পর মুখ খুললেন মেঘলা মুক্তা, জানালেন বর্তমান অবস্থা অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল ১১ দলীয় ঐক্য

শিয়াল উরি পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমের ভাতা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

মাধবপুর প্রতিনিধি:

 

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের শিয়াল উরি পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমের জন্য বরাদ্দকৃত ভাতা বিতরণে অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত শতবর্ষী এই মসজিদকে ঘিরে এমন অভিযোগে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদের জন্য নির্ধারিত ভাতা প্রকৃত প্রাপকদের মাঝে বিতরণ না করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান ইউপি সদস্য বিল্লাল মিয়ার বিরুদ্ধে তার মহল্লার একটি ওকফবিহীন মক্তবে ওই ভাতা স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য বিল্লাল মিয়া বলেন, “আমি পর্যায়ক্রমে সকলের নাম অন্তর্ভুক্ত করব।” তবে তার এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন স্থানীয়রা।এলাকাবাসী জানান, একটি মসজিদের ধর্মীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমের ভূমিকা অপরিহার্য। তাদের প্রাপ্য সম্মানী বা ভাতা থেকে বঞ্চিত করা হলে ধর্মীয় কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

একাধিক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যাদের জন্য ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে, তারা যদি সেই ভাতা না পান, তাহলে এটি স্পষ্ট অন্যায়। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।”এ ঘটনায় এলাকায় চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। সচেতন মহল মনে করছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ নিয়ে এ ধরনের অনিয়ম সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তা দ্রুত বন্ধ করা জরুরি।এদিকে, মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট মক্তবটির সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে—ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমদের প্রাপ্য ভাতা সঠিকভাবে বণ্টনের বিষয়টি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় জনগণ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জের চাদঁনীঘাটে নিজস্ব অর্থায়নে অস্থায়ী যাত্রীছাউনী নির্মাণ করেন জেলা যুবদলের যোগাযোগ সম্পাদক সুজন মাহমুদ

শিয়াল উরি পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমের ভাতা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

মাধবপুর প্রতিনিধি:

 

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের শিয়াল উরি পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমের জন্য বরাদ্দকৃত ভাতা বিতরণে অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত শতবর্ষী এই মসজিদকে ঘিরে এমন অভিযোগে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদের জন্য নির্ধারিত ভাতা প্রকৃত প্রাপকদের মাঝে বিতরণ না করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান ইউপি সদস্য বিল্লাল মিয়ার বিরুদ্ধে তার মহল্লার একটি ওকফবিহীন মক্তবে ওই ভাতা স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য বিল্লাল মিয়া বলেন, “আমি পর্যায়ক্রমে সকলের নাম অন্তর্ভুক্ত করব।” তবে তার এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন স্থানীয়রা।এলাকাবাসী জানান, একটি মসজিদের ধর্মীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমের ভূমিকা অপরিহার্য। তাদের প্রাপ্য সম্মানী বা ভাতা থেকে বঞ্চিত করা হলে ধর্মীয় কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

একাধিক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যাদের জন্য ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে, তারা যদি সেই ভাতা না পান, তাহলে এটি স্পষ্ট অন্যায়। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।”এ ঘটনায় এলাকায় চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। সচেতন মহল মনে করছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ নিয়ে এ ধরনের অনিয়ম সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তা দ্রুত বন্ধ করা জরুরি।এদিকে, মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট মক্তবটির সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে—ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমদের প্রাপ্য ভাতা সঠিকভাবে বণ্টনের বিষয়টি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় জনগণ।


প্রিন্ট