ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অস্ট্রেলিয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জের আগে লিটনের ফিটনেস নিয়ে স্বস্তিতে বাংলাদেশ বৈরী আবহাওয়ায় হাতিয়ায় ৩ মাছধরা ট্রলার ডুবি, ৪৮ জেলে উ/দ্ধার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার আশা ফিকে হওয়ায় ব্রেন্টের দাম ৯০ ডলার ছাড়াল ১৬ বছরের সমস্যা ৫-৬ মাসে সমাধান সম্ভব নয় : মাহদী আমিন কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণের প্রথম দিনেই রেকর্ড, ৪২ লক্ষাধিক টাকার সরকারি রাজস্ব আদায় দুই বছরে ঢাকার চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব: ডিএসসিসি প্রশাসক মাদকাসক্তি তরুণদের হৃদযন্ত্রের জন্য হুমকি, বাড়ছে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক সমুদ্রে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, কোস্ট গার্ডের সতর্কতা ব্রাজিলে প্রাকৃতিক এলাকা কমায় এল নিনোর প্রভাব বাড়ার ঝুঁকি শিক্ষার্থীদের সাফল্যে মোঃ ববি হাজ্জাজের অভিনন্দন, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশা

বিশ্বম্ভরপুরে নিলামের মাঠে প্রতিযোগিতা, তিন বাজারে সর্বোচ্চ ডাক ৫৯ লাখ ২২ হাজার

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ইজারাবিহীন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারের খাস কালেকশনের জন্য প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিলামে ব্যাপক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিন বাজারের খাস কালেকশন বাবদ সর্বোচ্চ ডাক উঠেছে মোট ৫৯ লাখ ২২ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১ ভাদ্র থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের জন্য বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব সর্বোচ্চ ডাকদাতাদের প্রদান করা হয়।

নিলামে?(বিশ্বম্ভরপুর বাজারে) অংশ নেন মোট ২৩ জন। প্রতিযোগিতামূলক ডাকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দর হাঁকিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

(চিনাকান্দি বাজারে) নিলামে অংশ নেন ২৯ জন। সেখানে সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ডাক দিয়ে জাহিদ হাসান খাস কালেকশনের দায়িত্ব লাভ করেন।

অন্যদিকে, তিন বাজারের মধ্যে সর্বোচ্চ দর ওঠে (বাঘবেড় বাজারে)। এ বাজারের নিলামে অংশ নেন ৩৩ জন। ব্যাপক প্রতিযোগিতার পর ৩৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা সর্বোচ্চ ডাক দিয়ে আঃ হাই খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি বিধি-বিধান ও নীতিমালা অনুসরণ করেই উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। নিলামে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইজারাদারদের সরকারি নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজারের খাস কালেকশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিলামকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও নিশ্চিত হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জের আগে লিটনের ফিটনেস নিয়ে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

বিশ্বম্ভরপুরে নিলামের মাঠে প্রতিযোগিতা, তিন বাজারে সর্বোচ্চ ডাক ৫৯ লাখ ২২ হাজার

আপডেট টাইম : ০২:১৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ইজারাবিহীন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারের খাস কালেকশনের জন্য প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিলামে ব্যাপক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিন বাজারের খাস কালেকশন বাবদ সর্বোচ্চ ডাক উঠেছে মোট ৫৯ লাখ ২২ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১ ভাদ্র থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের জন্য বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব সর্বোচ্চ ডাকদাতাদের প্রদান করা হয়।

নিলামে?(বিশ্বম্ভরপুর বাজারে) অংশ নেন মোট ২৩ জন। প্রতিযোগিতামূলক ডাকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দর হাঁকিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

(চিনাকান্দি বাজারে) নিলামে অংশ নেন ২৯ জন। সেখানে সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ডাক দিয়ে জাহিদ হাসান খাস কালেকশনের দায়িত্ব লাভ করেন।

অন্যদিকে, তিন বাজারের মধ্যে সর্বোচ্চ দর ওঠে (বাঘবেড় বাজারে)। এ বাজারের নিলামে অংশ নেন ৩৩ জন। ব্যাপক প্রতিযোগিতার পর ৩৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা সর্বোচ্চ ডাক দিয়ে আঃ হাই খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি বিধি-বিধান ও নীতিমালা অনুসরণ করেই উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। নিলামে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইজারাদারদের সরকারি নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজারের খাস কালেকশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিলামকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও নিশ্চিত হবে।


প্রিন্ট