ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ধামইরহাটে নজরুল বর্ষ উদযাপন বাস্তবায়নের লক্ষে মতবিনিময় সভা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী মারুফকে কুপিয়ে জখম,রামেকে ভর্তি হামলাকারী জিয়ারুল আওয়ামী দোসর গ্রেপ্তারের দাবি নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের  কাশিমনগর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করছেন কুড়িগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফিরোজুর রহমান অপসাংবাদিকতার ভিড়ে বিবেকের সংকট সাংবাদিকতার আড়ালের অন্ধকার আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু নির্মম সত্য কালিয়াকৈরে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট: দিনে ১০-১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে শিল্প রফতানি ব্যাহত লেখাপড়ায় বিঘ্নিত পিরোজপুরে যুবলীগ নেতা ও কলেজ অধ্যক্ষ অলক কর্মকার গ্রেপ্তার উন্নয়ন ও জনসেবায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার দাবি পাষন্ড পিতার হাতে নিস্পাপ দুই শিশুসন্তান খুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন চরনারচর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান রতন ও আজিজুল  জরুরি গ্যাস আমদানিসহ ৪ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন

উন্নয়ন ও জনসেবায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার দাবি

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে থেকে জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে আসছেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই চেয়ারম্যান দরিদ্র, অসহায় ও মেহনতি মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার পাশাপাশি ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করে আসছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং ইউনিয়নের নাগরিক সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে স্থানীয়দের একটি অংশের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

 

স্থানীয়রা আরও জানান, ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, সামাজিক অবকাঠামোসহ নানা ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে চেয়ারম্যানের উদ্যোগ ও ভূমিকা রয়েছে। তাঁর সময়ে ইউনিয়নে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে বলেও দাবি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রকল্পভিত্তিক তথ্য ও সরকারি নথি সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে যাচাইযোগ্য।

 

চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমানের জনসম্পৃক্ততার আরেকটি দিক হলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর চেষ্টা। স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শুনে তা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকরা।

 

তিনি মধ্য কুমারপুর বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। শিক্ষা ও জনসেবার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

 

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছে জনগণের প্রত্যাশা হলো উন্নয়ন ও বিপদে-আপদে পাশে থাকা। চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করছেন। আগামী দিনে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হলে ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে তাদের।

 

স্থানীয়দের মতে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমানের ভূমিকা এলাকায় আলোচনায় রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন অনেকে।

 

চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমান বলেন, “জনগণ আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করেছি। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা আমার কাজের প্রধান অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতেও সুযোগ পেলে ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

 

তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন এবং নাগরিক সেবা সহজলভ্য করার বিষয়ে তিনি ভবিষ্যতেও আন্তরিক থাকবেন।

 

ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইউনিয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ধামইরহাটে নজরুল বর্ষ উদযাপন বাস্তবায়নের লক্ষে মতবিনিময় সভা

উন্নয়ন ও জনসেবায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার দাবি

আপডেট টাইম : ১০:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে থেকে জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে আসছেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই চেয়ারম্যান দরিদ্র, অসহায় ও মেহনতি মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার পাশাপাশি ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করে আসছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং ইউনিয়নের নাগরিক সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে স্থানীয়দের একটি অংশের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

 

স্থানীয়রা আরও জানান, ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, সামাজিক অবকাঠামোসহ নানা ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে চেয়ারম্যানের উদ্যোগ ও ভূমিকা রয়েছে। তাঁর সময়ে ইউনিয়নে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে বলেও দাবি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রকল্পভিত্তিক তথ্য ও সরকারি নথি সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে যাচাইযোগ্য।

 

চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমানের জনসম্পৃক্ততার আরেকটি দিক হলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর চেষ্টা। স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শুনে তা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকরা।

 

তিনি মধ্য কুমারপুর বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। শিক্ষা ও জনসেবার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

 

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছে জনগণের প্রত্যাশা হলো উন্নয়ন ও বিপদে-আপদে পাশে থাকা। চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করছেন। আগামী দিনে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হলে ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে তাদের।

 

স্থানীয়দের মতে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমানের ভূমিকা এলাকায় আলোচনায় রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন অনেকে।

 

চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমান বলেন, “জনগণ আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করেছি। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা আমার কাজের প্রধান অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতেও সুযোগ পেলে ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

 

তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন এবং নাগরিক সেবা সহজলভ্য করার বিষয়ে তিনি ভবিষ্যতেও আন্তরিক থাকবেন।

 

ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইউনিয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।


প্রিন্ট