ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট’প্রকল্পের সমাপনী সভা বিআরটিসির মহিলা বাস সার্ভিস আরও সম্প্রসারণ করা হবে: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ উদ্বোধন উলিপুরে ইয়া/বা, গা/জা ও মা/দক বিক্রয়ের নগদ টাকা সহ মা/দ/ক ব্যবসায়ী গ্রে/প্তার পিরোজপুরে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় রিলিজ স্লিপের আবেদন শুরু আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দলে পরিবর্তন ইরান চুক্তিতে ‘বাধা হলে’ মার্কিন মিত্র ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের কালীগঞ্জে দলীয় পরিচয় দিয়ে প্রবাসীর জমি জবরদখলের অভিযোগ ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশে এখন আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

তামার দাম বাড়ায় খনি কোম্পানি বিএইচপির মুনাফা বেড়েছে

তামার দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় খনি কোম্পানি বিএইচপি-র বার্ষিক মুনাফা বেড়েছে। বিশ্বে জ্বালানি খাতের রূপান্তর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ডেটা সেন্টার নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হিসেবে তামার চাহিদা বাড়ছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিশ্বের বাজারমূল্যের দিক থেকে সবচেয়ে বড় খনি কোম্পানি বিএইচপি মঙ্গলবার জানিয়েছে, ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাদের নিট মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেড়ে ৯.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে কোম্পানিটির আয় ১৪.৬ শতাংশ বেড়ে ৫৮.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বিএইচপি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তামা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে তামার উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বছর বিএইচপি রেকর্ড পরিমাণ লৌহ আকরিক উৎপাদন করেছে এবং কয়লা ব্যবসাতেও ভালো করেছে।

তবে সব পণ্যের মধ্যে তামাই ছিল সবচেয়ে বড় সাফল্যের জায়গা এবং ভবিষ্যতেও এটি কোম্পানির প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিএইচপির প্রধান নির্বাহী ব্র্যান্ডন ক্রেইগ বলেন, ‘তামাই বিএইচপির প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি।’

কোম্পানির হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তামার গড় দাম আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে।

তামা এবার বিএইচপির আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে লৌহ আকরিককে ছাড়িয়ে গেছে। কোম্পানির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মোট পরিচালন মুনাফার অর্ধেকের বেশি এসেছে তামা থেকে।

বিএইচপি জানিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে তামার চাহিদা বার্ষিক ৫ কোটি টনের বেশি হতে পারে।

কোম্পানিটির মতে, বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে রূপান্তরের জন্য নতুন বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করতে বিপুল পরিমাণ তামার প্রয়োজন হবে।

একইভাবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটা সেন্টার নির্মাণেও তামার ব্যবহার বাড়বে।

বিএইচপি আরও সতর্ক করেছে যে বিশ্বে তামার সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। কারণ, বিদ্যমান তামার খনিগুলো ধীরে ধীরে পুরোনো হয়ে যাচ্ছে এবং নতুন খনি প্রকল্পের সম্ভাব্য তালিকাও আগের তুলনায় দুর্বল।

কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি শেয়ারে ১.৭২ মার্কিন ডলার লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সব মিলিয়ে লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াবে ৮.৭ বিলিয়ন ডলার।

সকালের লেনদেনে বিএইচপির শেয়ারের দাম ৩.৩ শতাংশ বেড়ে ৬৪.২৪ অস্ট্রেলীয় ডলারে উঠেছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট’প্রকল্পের সমাপনী সভা

তামার দাম বাড়ায় খনি কোম্পানি বিএইচপির মুনাফা বেড়েছে

আপডেট টাইম : ১২:৪১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

তামার দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় খনি কোম্পানি বিএইচপি-র বার্ষিক মুনাফা বেড়েছে। বিশ্বে জ্বালানি খাতের রূপান্তর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ডেটা সেন্টার নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হিসেবে তামার চাহিদা বাড়ছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিশ্বের বাজারমূল্যের দিক থেকে সবচেয়ে বড় খনি কোম্পানি বিএইচপি মঙ্গলবার জানিয়েছে, ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাদের নিট মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেড়ে ৯.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে কোম্পানিটির আয় ১৪.৬ শতাংশ বেড়ে ৫৮.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বিএইচপি বিশ্বের সবচেয়ে বড় তামা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে তামার উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বছর বিএইচপি রেকর্ড পরিমাণ লৌহ আকরিক উৎপাদন করেছে এবং কয়লা ব্যবসাতেও ভালো করেছে।

তবে সব পণ্যের মধ্যে তামাই ছিল সবচেয়ে বড় সাফল্যের জায়গা এবং ভবিষ্যতেও এটি কোম্পানির প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিএইচপির প্রধান নির্বাহী ব্র্যান্ডন ক্রেইগ বলেন, ‘তামাই বিএইচপির প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি।’

কোম্পানির হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তামার গড় দাম আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে।

তামা এবার বিএইচপির আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে লৌহ আকরিককে ছাড়িয়ে গেছে। কোম্পানির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মোট পরিচালন মুনাফার অর্ধেকের বেশি এসেছে তামা থেকে।

বিএইচপি জানিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে তামার চাহিদা বার্ষিক ৫ কোটি টনের বেশি হতে পারে।

কোম্পানিটির মতে, বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে রূপান্তরের জন্য নতুন বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করতে বিপুল পরিমাণ তামার প্রয়োজন হবে।

একইভাবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটা সেন্টার নির্মাণেও তামার ব্যবহার বাড়বে।

বিএইচপি আরও সতর্ক করেছে যে বিশ্বে তামার সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। কারণ, বিদ্যমান তামার খনিগুলো ধীরে ধীরে পুরোনো হয়ে যাচ্ছে এবং নতুন খনি প্রকল্পের সম্ভাব্য তালিকাও আগের তুলনায় দুর্বল।

কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি শেয়ারে ১.৭২ মার্কিন ডলার লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সব মিলিয়ে লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াবে ৮.৭ বিলিয়ন ডলার।

সকালের লেনদেনে বিএইচপির শেয়ারের দাম ৩.৩ শতাংশ বেড়ে ৬৪.২৪ অস্ট্রেলীয় ডলারে উঠেছে।


প্রিন্ট