মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাসের শিক্ষা লাগাতারভাবে চর্চা করবে সরকার : তথ্যমন্ত্রী গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে গৃহীত জাতীয় কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালকের সাক্ষাৎ ২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে হবে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট যুদ্ধাপরাধে দন্ডিত ব্যক্তিদের নামে শোক প্রস্তাব জাতীয় সংসদ কলঙ্কিত হয়েছে ময়মনসিংহ নগরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনতাইকারী গ্রেফতার -৩ সব লোভ লালসার উর্ধে থেকে উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হবে ; আবুল কালাম এমপি ফোরাতুন্নাহার প্যারিস: ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতিতে এক অবিনাশী নাম কালিগঞ্জে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানের সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদণ্ড বাতিল

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ২৯০ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে পাকিস্তানের সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফের বিরুদ্ধে বিশেষ আদালতের ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করেছেন দেশটির হাইকোর্ট। সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মোশাররফের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী অসন্তোষ প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়ার এক মাস না পেরোতেই সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এ আদেশ দিলেন লাহোর হাইকোর্ট।

আদালতের এ আদেশের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ইশতিয়াক এ. খান বলেন, ‘অভিযোগ গঠন, আদালত স্থাপন থেকে শুরু করে কৌঁসুলি টিম নিয়োগ পর্যন্ত সবই অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে…সর্বোপরি পুরো আদেশই বাতিল হয়ে গেছে আদালতে।’

এ কৌঁসুলি বলেন, ‘তিনি (পারভেজ মোশাররফ) এখন মুক্ত। এই মুহূর্তে তার বিরুদ্ধে আর কোনো দণ্ডাদেশ নেই।’

এখন রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনসাপেক্ষে মোশাররফের বিরুদ্ধে ফের মামলা করতে পারে।

পারভেজ মোশাররফ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে নওয়াজ শরিফের সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ২০০৭ সালের নভেম্বরে তিনি দেশটির সংবিধান বাতিল করে জরুরি অবস্থা জারি করেন। তারপর বিক্ষোভ শুরু হলে অভিশংসনের ঝুঁকি এড়াতে ২০০৮ সালে পদত্যাগ করেন মোশাররফ।

সংবিধান বাতিলের কারণে ২০১৩ সালে নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বে মুসলিম লিগ ক্ষমতায় থাকাকালে মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। এই মামলার দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর বিশেষ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ গত ১৭ ডিসেম্বর মোশাররফের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার বহু আগে থেকে মোশাররফ বিদেশে আছেন। তিনি বর্তমানে আছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

সাবেক সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা হলে সেদিনই বিবৃতি দেয় পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। মোশাররফের মৃত্যুদণ্ডকে সশস্ত্র বাহিনীর পদমর্যাদার জন্য ‘বিরাট এক বেদনা ও প্রচণ্ড কষ্টকর ব্যাপার’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘একজন সাবেক সেনাপ্রধান, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের কমিটির চেয়ারম্যান এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, যিনি ৪০ বছর দেশের সেবা করেছেন, দেশের হয়ে যুদ্ধে লড়েছেন, তিনি কোনোভাবেই দেশদ্রোহী হতে পারেন না।’

সামরিক বাহিনীর ওই বিবৃতির পর মৃত্যুদণ্ডাদেশ চ্যালেঞ্জ করে লাহোর হাইকোর্টে আবেদন করেন পারভেজ মোশাররফ। এরপর ইমরান খানের সরকারও বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। পারভেজ মোশাররফের ফাঁসির রায় দেয়া বিশেষ আদালতের তিন বিচারপতির বেঞ্চের প্রধানকে মানসিকভাবে অসুস্থ বলেন দেশটির আইনমন্ত্রী ফারুগ নাশিম।

এমনসব নাটকীয়তার পর সোমবার লাহোর হাইকোর্টের পক্ষ থেকে এ আদেশ এলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com