বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখার্জির এলাকায় ভোট প্রচার শুরু আসন্ন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী স্নান উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বের মধ্যে ভারতে সব চেয়ে বেশি যক্ষা রোগের সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পদপ্রার্থী ঈদ মিলন উৎসবে এসে ব্যাপক সাড়া পেলেন ইনজুরিতে মাঠের বাইরে গাব্রিয়েল এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদ ঢাকা শহরে যানজট সমস্যার অনেকটা নিরসন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন সৈয়দ এমরান সালেহীন প্রিন্স জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে: রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়ার ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ স্মৃতিকে চির অম্লান করে রাখা হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী ২৩ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৭.৪ শতাংশ বৃদ্ধি

নজরুল বৈষম‌্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখতেন: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ মে, ২০২০
  • ২৫২ বার পঠিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। তার জীবনাদর্শ অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ, সুখী-সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সবার সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে।

আজ সোমবার (২৫ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল রোববার (২৪ মে) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং এ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘নজরুল যে অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন তারই প্রতিফলন আমরা পাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সংগ্রাম ও কর্মে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে নজরুলকে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে আনা হয়। পরে তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়।

নজরুলের অসামান্য ও বহুমুখী প্রতিভার উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কবি নজরুলের আজীবন সাধনা ছিলো সমাজের শোষিত ও নিপীড়িত মানুষের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি এবং মানুষের সামাজিক মর্যাদার স্বীকৃতি অর্জন। তার সাহিত্যকর্মে উচ্চারিত হয়েছে পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের বাণী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নজরুলের ক্ষুরধার লেখনী যেমন ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো, তেমনি তার বাণী ও সুরের অমিয় ঝর্ণাধারা সিঞ্চিত করেছে বাঙালির হৃদয়কে। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবির বলিষ্ঠ উচ্চারণ, ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরি, আর হাতে রণ-তূর্য’।

নজরুল প্রকৃতই প্রেমের এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে মানবতার জয়গান গেয়েছেন। নারীর অধিকারকে করেছেন সমুন্নত। তিনিই প্রথম বাঙালি কবি যিনি ব্রিটিশ অধীনতা থেকে ভারতবর্ষকে মুক্ত করার জন্য স্বরাজের পরিবর্তে পরিপূর্ণ স্বাধীনতার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, নজরুল সকল জাতি ধর্ম ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছিলেন সাহসের প্রতীক। কবি নজরুল তার প্রত্যয়ী ও বলিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে এদেশের মানুষকে মুক্তি সংগ্রামে অনুপ্রাণিত ও উদ্দীপ্ত করেছিলেন। তার সাহিত্যের বিচিত্রমুখী সৃষ্টিশীলতা আমাদের জাতীয় জীবনে এখনো প্রাসঙ্গিক।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় কবির জীবনাদর্শ একই দর্শনের ধারাবাহিক রূপ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কবি নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত শোষণ, বঞ্চনা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে মুক্তির দীক্ষাস্বরূপ।

মহান মানবতাবাদী কবি নজরুলের সংগ্রামশীল জীবন এবং তার অবিনাশী রচনাবলী জাতির জন্য অন্তহীন প্রেরণার উৎস এবং জাতীয় জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ। কবি নজরুল শুধু একজন কবি, সাহিত্যিক বা সংগীতজ্ঞই নন, বাঙালি জাতির মুক্তি-সংগ্রামের অকুতোভয় সৈনিক বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com