মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও গ্যাস না পাওয়ায় কলকাতায় ধিক্কার মিছিল দিনাজপুরের বিরামপুরে উপজেলায় মানসিক প্রতিবন্ধী নারী অপহরণের পর ধর্ষণচেষ্টা,প্রধান আসামি আটক ঝালকাঠিতে জুলাই যোদ্ধা রানার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টাকারীকে আটকায় স্থানীয়রা আলোকসজ্জা করা যাবে না ২৫ মার্চ ও ২৬ মার্চ কুড়িগ্রামে জ্বালানি সংকটে জেলা প্রশাসনের নজরদারি কবিতার নাম–সুমহান ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনোস্টিকে সিলগালার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রংপুরে ঈদের তৃতীয় দিন : আনন্দের ঢেউয়ে ভাসছে বিনোদন কেন্দ্রগুলো কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হত্যা : রিমান্ড শেষে কারাগারে সাগর

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ত্রিশালের ৫ জনের রায় আজ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৭১ বার পঠিত

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের পাঁচজনের বিষয়ে রায় ঘোষণা আজ।

সোমবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।

২০১৫ সালের ১৯ মে এমপি হান্নানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা করেন শহিদ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রহমানের স্ত্রী রহিমা খাতুন।

মামলায় জাতীয় পার্টির তৎকালীন সংসদ সদস্য এম এ হান্নান ছাড়াও জামায়াত নেতা ফখরুজ্জামান ও গোলাম রব্বানীকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তে আরো পাঁচজনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এ মামলার আসামি করা হয় মোট আটজনকে।

এ মামলায় ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর এমপি হান্নানসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ২০১৯ সালের ২৭ মে মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার শেষে ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। সবশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) দিন ধার্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মামলার আট আসামি হলেন- এম এ হান্নান, এম এ হান্নানের ছেলে রফিক সাজ্জাদ, ডা. খন্দকার গোলাম সাব্বির আহমদ, মিজানুর রহমান মিন্টু, মো. হরমুজ আলী, ফখরুজ্জামান, আব্দুস সাত্তার ও খন্দকার গোলাম রব্বানী।

এর মধ্যে কারাবন্দি থাকা অবস্থায় এম এ হান্নান ও তার ছেলে রফিক সাজ্জাদ এবং অপর এক আসামি মিজানুর রহমান মন্টু মারা যান। বাকি পাঁচ আসামির মধ্যে বর্তমানে কারাগারে আছেন ডা. খন্দকার গোলাম সাব্বির আহমদ, হরমুজ আলী ও আব্দুস সাত্তার। পলাতক আছেন ফখরুজ্জামান ও খন্দকার গোলাম রব্বানী।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, গুম, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২১ এপ্রিল থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় তারা এসব অপরাধ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

২০১৬ সালের ১১ জুলাই হান্নানসহ আটজনের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তদন্ত সংস্থা। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান ২০১৫ সালের ২৮ জুলাই থেকে ২০১৬ সালের ১১ জুলাই পর্যন্ত তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেন।

একই বছরের ১ অক্টোবর প্রসিকিউশনের আবেদনক্রমে এ মামলার আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ঐ দিনই ঢাকায় গ্রেফতার হন এম এ হান্নান ও তার ছেলে রফিক সাজ্জাদ। ময়মনসিংহ সদর ও ত্রিশালে গ্রেফতার হন বাকি তিনজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com