মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
ভালুকায় সিএনজি-অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ পিরোজপুর জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত, চৌকস সদস্যদের পুরস্কৃত দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে সাবেক স্ত্রীর হাতে নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছেন পিরোজপুরে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা, কৃতী পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার প্রদান বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে রক্তদাতা সংগ্রহ, ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় রক্তদান বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার কৃষিতে ভর্তুকি কমিয়ে গবেষণা ও আধুনিকায়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্বব্যাংকের অভিষেকেই স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত অনুমোদনের পথে ইইউ মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিকেএসপি ফুটবল ম্যাচে গোল করলেন জাইমা রহমান

আসামে ৪ কোটি রুপি মূল্যের বিরল প্রজাতির মাছ উদ্ধার

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৩৩ বার পঠিত

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে পাচার হওয়ার সময় বিরল প্রজাতির ৫০০টি মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ধরনের এক একটি মাছের দাম ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় এক লাখ রুপি। উদ্ধার হওয়া এই মাছগুলোর আন্তর্জাতিক বাজারদর প্রায় সাড়ে চার কোটি রুপি।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) ডিব্রুগড় বিমানবন্দর থেকে এই মহার্ঘ মাছ উদ্ধার হয় বলে ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে।

শ্রীধন সরকার এবং জিতেন সরকার নামে তিনসুকিয়া জেলার দুই বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কলকাতা যাওয়ার বিমানে ওঠার সময়ই এই দু’জনকে আটক করে পুলিশ।

দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, শ্রীধন ও জিতেনের কাছ থেকে যে মাছগুলো উদ্ধার হয়েছে সেগুলো অত্যন্ত বিরল প্রজাতির ‘চান্না বারকা’ মাছ। বাংলায় এটিকে তিলা শোল বা পিপলা শোল বলে। এটা মিষ্টি পানির মাছ। এই মাছের দেহের সামনের দিকটা চোঙাকৃতি। পিছনের দিকটা চ্যাপ্টা। এই ধরনের মাছ মূলত ভারত, বাংলাদেশ দু’দেশেই পাওয়া যায়। আসামে ব্রহ্মপুত্রের দক্ষিণ তীরে গোয়ালপাড়ায় এই মাছের দেখা মেলে।

ভারতের বাজারে এক একটি পিপলা শোলের দাম ৭৫-৮০ হাজার রুপি। আটককৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, তিনসুকিয়া জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে এই মাছ কেজি প্রতি ৪০০ রুপিতে কিনেছেন। মাছগুলো ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, চীন এবং জাপানে পাচার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আসামের স্থানীয় ভাষায় এই মাছকে চেং গারাকা বা গারাকা চেং-ও বলা হয়।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com