শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা সংস্কৃতির সব প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয়: ছায়ানট সভাপতি নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে। ডিসি ইলিয়াসকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল রাজিহারে ঈদগাহ মাঠ সংস্কার কাজের উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র সুযোগের অপেক্ষায়, সবার সতর্ক থাকা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরের বিরামপুরে বিষ প্রয়োগে ধান নষ্টের অভিযোগ: তিন বছরেও মেলেনি প্রতিকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে বিডব্লিউজেএফ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ কথিত বিএনপি নেত্রী মনির বিরুদ্ধে

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬ বার পঠিত

কালিয়াকৈর প্রতিনিধি:

 

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পলানপাড়ায় বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে গাছের সঙ্গে বেঁধে এক মেয়েকে মারধর করে চুল কেটে দেওয়ার হুমকি এবং ভূক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কথিত বিএনপি নেত্রী মনির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার ঝড়

 

কথিত বিএনপি নেত্রী ইসরাক জাহান মনির বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ পাওয়া যায় যে, ভূক্তভোগীর হাতে থাকা ফোন ও গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়ার যায়।

 

ঘটনাটি একুশে ফেব্রুয়ারি রাত ৯ টার সময় ঘটে এতে ভূক্তভোগী মারাত্মক আহত হন।

আহত ব্যক্তি হলেন, কালিয়াকৈর পল্লী বিদ্যুৎ হরিনাটি এলাকার বাসিন্দা জাহিদ মিয়া স্ত্রী মোছাঃ হ্যাপি বেগম (২৭), ভুক্তভোগী হ্যাপি বেগমের ডান হাত ও ডান পায়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে বলে ভূক্তভোগী অভিযোগ করেন।

ভূক্তভোগী হ্যাপি বেগম জানান, তিনি গত ১৫- দিন আগে জাহিদ নামে এক ছেলে কে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ করেন এই বিয়ে খবর আমার স্বামী জাহিদের প্রথম স্ত্রী জানতে পরলে। পরবর্তীতে বিএনপি’নেত্রী পরিচয়দানকারী মনির কাছে বিচার দেন।

 

সেই সুবাদে কথিত মহিলা দলের নেত্রী পরিচয় দানকারী মনি কয়েকজন লোক সাথে করে একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে ভূক্তভোগীর বাড়িতে আসে।

 

এ সময় তারা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী নারী ন্যায় সঙ্গত প্রতিবাদ করলে, চুলের মুঠি ধরে বাড়ির পাশে থাকা গজারি গাছের সাথে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন।

 

আহত হ্যাপি বেগম জানান, আমি একজন মুসলিম পরিবারের সন্তান আমার কি বিয়ে করার অধিকার নেই? আমি ইসলাম শরীয়ত মোতাবেক জাহিদকে বিয়ে করেছি এটাই কি আমার অপরাধ?

 

আমি দেশবাসীর কাছে ও গাজীপুর কালিয়াকৈরের সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মজিবুর রহমান সহ বাংলাদেশের জনগণের কাছে বিচার চাই?

 

এদিকে অভিযুক্ত বিএনপির নেত্রী ইসরাত জাহান মনি ফেসবুকে লাইভে এসে মারধরের বিষয় অস্বীকার করে জানান, আমি হ্যাপি নামের কোন মেয়েকে মারধর করি নাই, অথচ আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছে ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সোহেল সরকার। তিনি সন্ত্রাসী পাঠিয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর করেন।

 

স্বরজমিন ঘুরে জানা যায় ইসরাত জাহান মনি তিনি একজন খারাপ প্রকৃতির লোক তিনি একজন মাদক ব্যবসায়ী

এলাকাবাসির দাবী করেন এই মনি কিছু বিএনপি’র রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়া এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের আদি বিস্তার তৈরি করছেন এছাড়াও বন বিভাগের জায়গা দখল করে বাড়ি করেছেন।

 

এ বিষয়ে ৭ নং ওয়ার্ড যুব দলের সভাপতি সোহেল সরকারের সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেন আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের শহীদ বিএনপির রাজনীতি করে আসতেছি আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা এই মেয়ে খারাপ লোক তিনি আমার রাজনৈতিক অঙ্গনে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য এসব গুজব সরিয়ে ছেন আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই

সেই সাথে দোষীদের কে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার কার্যকর করা হোক।

 

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জের খন্দকার নাসির উদ্দিন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি বিষয়টি জেনেছি এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com