নীলফামারী:
রবিবার সকাল ১১টার দিকে ডোমারের হরিনচড়া এলাকায় বাবার বসতবাড়ি থেকে দুই সন্তানের জননী সালমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে ডোমার থানা পুলিশ।
সালমার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর সংসারে অশান্তি ও অবহেলার কারণেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। তবে ঘটনার তদন্তে গিয়ে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে।
সালমার স্বামীর বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ১নং ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সালমা ও প্রতিবেশী নুর নবীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। এ বিষয়টি ঘিরে তাদের সংসারে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত।
সালমার স্বামী আনোয়ার বলেন, “আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় জড়িত ছিল। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে মাঝে মাঝে ঝগড়া হতো। আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা তাকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু নুর নবী তাকে ছাড়েননি। আমার স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য নুর নবীকেই দায়ী মনে করি।”
সালমার ছেলে আলিফ (১৬) জানায়, “আমার মায়ের সঙ্গে নুর নবীর সম্পর্ক ছিল। আমার মায়ের মৃত্যুর জন্য সে দায়ী হতে পারে।”
এদিকে আনোয়ারের বড় ভাই বলেন, “পরকীয়ার কারণেই একটি সাজানো সংসার ধ্বংসের পথে। এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে কঠোর শাস্তি প্রয়োজন।”
ঘটনার পর থেকেই নুর নবী পলাতক রয়েছেন। তার দোকান বন্ধ এবং মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
তবে নুর নবীর পরিবার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, “এই অপমৃত্যুকে ভিন্নখাতে নিতে নুর নবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। তার সঙ্গে সালমার কোনো সম্পর্ক ছিল না।”
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।