নিজস্ব প্রতিবেদক : ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ শেখ বাদল রাজনৈতিক বোল পাল্টিয়ে এখন বনে গেছে
ঢাকার অঘোষিত ‘ডন’। গ্রেফতার এড়াতে পর্দার আড়ালে রয়েছেন তিনি। অনেকেই বলছেন তার ম্যানেজিং পাওয়ার এতোটাই ভয়ংকর আন্ডারগ্রাইন্ডে
থেকে ও চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ রাম রাজত্ব।
জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
শেখ বাদল একাধিক মামলার আসামি হয়েও কালো গ্লাসের দামী গাড়িতে চড়ে দাবিয়ে বেড়াচ্ছেন পুরো ঢাকা।
ফ্যাসিস হাসিনার আমলে তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় ও ডিবি হারুনের ঘনিষ্ঠ হওয়ার দরুণ বাদল প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন শত কোটি টাকা । সে নামে বেনামে গড়ে তুলেছে সম্পদের পাহাড়। উত্তরা ও খুলনাতে রয়েছে তার একাধিক বাড়ী ও গাড়ি। গত কয়েকমাস আগে গুলশানের মতো জায়গায় কয়েক কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন লাক্সারিয়াস ফ্ল্যাট।
সেই ফ্লাটে বসেই বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নানান উস্কানিমূলক কর্মে লিপ্ত রয়েছে।
চালাক বাদলের আয়ের উৎস এখনো জানে না সরকার।
কোটি কোটি টাকা টেক্স ফাঁকি দিয়ে ও এখনো রয়েছেন তিনি বহাল তবিয়তে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার পরিচিতরা বলছেন শেখ বাদলের রয়েছে অবৈধ সম্পদ,তাকে বিচারের আওতায় আনা খুবই জরুরি।
তার সম্পদের হিসাব জানতে
দুদকের আওতায় আনা খুবই জরুরি।
জনস্রুতি রয়েছে
ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পর
সজিব ওয়াজেদ জয় ও ডিবি হারুনের ঘনিষ্ঠ শেখ বাদল বোল পাল্টিয়ে নিজেকে বিএনপি ডোনার বলে জাহির করছেন।
গ্রেফতার এড়িয়ে বাদল শেখ তলে তলে শেখ হাসিনারকে দেশে ফেরাতে সিন্ডিকেট বানিয়ে কাজ করছেন। অভিযোগ রয়েছে শেখ হাসিনা ও সজিব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা এনে সেই টাকা খরচ করে কিশোর গ্যাং এর মাধ্যমে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
অনেকে বলছেন কি কারণে কোন অদৃশ্য ইশারায় পলাতক খুনি হাসিনার দোসর শেখ বাদলের মতো জঘন্য ব্যাক্তি এখনো গ্রেফতার হয় নি।
অনেকে বলছেন পুলিশের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাব শালীদের ম্যানেজ করে তিনি বহাক তবিয়তে রয়েছেন।
তারা প্রশাসন ও দুদক কর্মকর্তাদেরকে এ সব বিষয় খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে ।
একাধিক সূত্রে জানা যায়,জার্মান আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা শেখ বাদলের পেটোয়া বাহিনীরা এখনো অনেক জায়গায় চুরি ছিনতাই ও দখল বাণিজ্য সরব রয়েছে, শেখ বাদলের নির্দেশে কিশোর গ্যাং সদস্যরা উত্তরার শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে তুলছে। বাদলের নির্দেশে কিশোর গ্যাং সদস্যরা খুন ধর্ষন, চুরি ছিনতাই ও দখল বাণিজ্যের মাধ্যমে এ বাহিনী মানুষের মাঝে আতংক সৃষ্টি করে এখনো রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
জানা যায়, ছাত্র হত্যার একাধিক মামলার আসামি শেখ বাদল গা ডাকা দিলে ও এখনো তার ইশারায় চলছে সারাদেশে সিন্ডিকেট বানিজ্য।প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে শেখ বাদল ফ্যাসিস খুনি হাসিনার একজন দোসর হয়েও দাবিয়ে বেড়াচ্ছে উত্তর ও গুলশান এলাকায়।
খুনি হাসিনার দোসর শেখ বাদল বর্তমানে গা ঢাকা দিয়ে আত্মগোপনে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়,কোটা সংস্কার আন্দোলন দমাতে আওয়ামী লীগের পক্ষে পুরো উত্তরায় অবস্থান নিয়ে উত্তরা আজমপুর ও বিএনএস সেন্টার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন।
তাদের অনেকে জানান, বাদলের বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশন (দূদক) এ অভিযোগের প্রক্তিয়া চলছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন,
পর্ব-১