আব্দুল আজিজ ইসলাম সাগর, স্টাফ রিপোর্টার।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হলোখানা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (রেজা) বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই ইউনিয়নে উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত সূচিত হয়েছে। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে গ্রামীণ অবকাঠামো, পরিবেশ রক্ষা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা—সবক্ষেত্রেই বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে হলোখানা ইউনিয়নের অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়েছে । স্বচ্ছতার সাথে চাল বিতরণ করায় জনগণ উপকৃত হয়েছে ।চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (রেজা)
জানায়, পবিত্র মাহে রমজান মাসে,এই মাস আমাদের জন্য আত্মশুদ্ধির এক মহান সুযোগ।
ইসলাম শান্তির ধর্ম। আসুন, আমরা হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়াই।আর আপনার পরিবারের সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই ইসলামের সঠিক শিক্ষা দিন। তাদেরকে ধৈর্য ও ত্যাগের গুরুত্ব বোঝান, যেন তারা আগামী দিনে দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করতে পারে।পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম অগ্রাধিকার দিয়েছেন যাতায়াত ও অবকাঠামো উন্নয়নে।
ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে টিআর, কাবিখা, এডিপি (ADP) এবং এলজিএসপি (LGSP) প্রকল্পের আওতায় ব্যপক উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ ও ইটের সলিংয়ের মাধ্যমে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে, অতি বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনি নিয়েছেন কার্যকর পদক্ষেপ। ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন ড্রেন নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা করা হয়েছে, যা স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করেছে। কৃষিপণ্য পরিবহণ ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিভিন্ন পয়েন্টে ছোট-বড় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ইউনিয়নকে সবুজে ঘেরা নান্দনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়ারম্যান রেজাউল করিম দেশি-বিদেশি ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন। রাস্তার দু-ধারে এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় এই বৃক্ষরোপণ অভিযান ইউনিয়নের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি নিয়েছেন এক অনন্য উদ্যোগ।
পরিষদের মূল গেট থেকে শুরু করে ইউনিয়নের প্রতিটি কক্ষ ও করিডোর এখন সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত। এর ফলে পরিষদের সেবার মান যেমন বেড়েছে, তেমনি জনমনে ফিরেছে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ। হলোখানা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযুদ্ধ অত্যন্ত কঠিন। ধরলা নদীর ভাঙন রোধ এবং নদী শাসনের মাধ্যমে চরাঞ্চলবাসীর জানমাল রক্ষায় চেয়ারম্যান নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। চরের মানুষের মাঝে সোলার প্যানেল বিতরণ এবং যাতায়াতের পথ সুগম করার মাধ্যমে তাদের জীবনমান আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পারিবারিক সমস্যা নিরসনে চেয়ারম্যানের নিরপেক্ষ ভূমিকা স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা সমস্যাগুলো সমাধান করে তিনি সাধারণ মানুষের অর্থ ও সময় সাশ্রয় করছেন। এছাড়া মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে তার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ইউনিয়নটিকে একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজে রূপান্তর করেছে। “চেয়ারম্যান রেজাউল করিম (রেজা) সরকারি সব সুবিধা যেমন —বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছেন। ড্রেন নির্মাণ আর সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মতো আধুনিক চিন্তা তাকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করেছে।” হলোখানা ইউনিয়নের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকলে এটি জেলা পর্যায়ে অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ ইউনিয়নে পরিণত হবে— এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় জনসাধারণের।