সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: রোজার মাস প্রায় শেষ, ঘনিয়ে এসেছে ঈদুল ফিতর। ঈদ মানেই পরিবারের কাছে ছুটে যাওয়া। সারা বছর পরিবার থেকে আলাদা থাকার পর ঈদেই শহরে বাস করা মানুষ নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে কাছের মানুষদের যায়। আনন্দে কাটানো হয় কয়েকটা দিন। তবে বাড়ি ফেরার খুশিতে কোনো ভুল করে বসবেন না।
ছুটি শেষে ফাঁকা থাকা বাসায় ফিরে গেলে ঝামেলা এড়ানো বেশ কঠিন হয়ে যায়- দুর্গন্ধ, এলোমেলো জিনিসপত্র, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল, এমনকি নিরাপত্তা ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। তাই ছুটির আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
দরজা-জানালা নিশ্চিতভাবে বন্ধ করা
শুধু গেট তালা দেওয়াই যথেষ্ট নয়। বাসার সমস্ত জানালা ও দরজা বন্ধ আছে কিনা খেয়াল করুন। খোলা জানালা থেকে বৃষ্টি ঢুকে জলাবদ্ধতা ঘটাতে পারে বা চুরির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
বিদ্যুতের সব লাইন বন্ধ রাখা
ছুটি শুরু হওয়ার আগে সব লাইট, ফ্যান, টেলিভিশন, চার্জার, মাইক্রোওয়েভ এবং রুম হিটার ঠিকভাবে বন্ধ করুন। প্লাগ থেকে ডিভাইস আনপ্লাগ করলে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুতের বিলও এড়ানো যায়।
আরও পড়ুন
বিশ্বকাপে না খেলার তদন্তে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
গ্যাসের সিলিন্ডার ও চুলা বন্ধ করা
রান্নাঘরের গ্যাস চুলা ও সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ রাখুন। ছোট হলেও এটি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা
প্রতিটি ট্যাপ ভালোভাবে বন্ধ আছে কিনা যাচাই করুন। যদি সম্ভব হয়, মেইন লাইনও বন্ধ করে দিতে পারেন। দীর্ঘ সময় পানি চলতে থাকলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।
ফ্রিজে থাকা নষ্ট হওয়া খাবার ফেলে দেওয়া
ফ্রিজে রাখা তাজা খাবার না খেয়ে গেলে তা দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে। চাইলে ফ্রিজ বন্ধ রাখুন বা দরজা কিছুটা খোলা রাখুন।
মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদে রাখা
টাকা, স্বর্ণালংকার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সব লকার বা নিরাপদ স্থানে রাখুন। বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেশী বা আত্মীয়ের কাছে রেখে আসতে পারেন। ছুটি শুরু হওয়ার আগে নিরাপত্তাকর্মীকে বাসা দেখভালের বিষয়টি জানান।
ঈদের ছুটি মানে আনন্দ, কিন্তু শহরের বাসা ফাঁকা থাকলেও নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো ভোলা চলবে না। এই ছয়টি কাজ করে নিলে ছুটি শেষে বাসায় ফিরলেও ঝামেলা ও মানসিক চাপ কম থাকবে।