নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পরও ডান পা এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেনি। শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো হলেও নতুন করে চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করানো হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক আরও তিন সপ্তাহের জন্য ডান পায়ে প্লাস্টার করে দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী জানান, গত দুই সপ্তাহ আগে ধানমন্ডির ৯ নম্বর রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সামনে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। ওই সময় তিনি যে বাসায় থাকেন, সেই বাসার গ্যারেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাত প্রায় ১১টার দিকে মূল গেটের সামনে অবস্থান করেন। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও গেট খুলতে না দেওয়ায় তিনি বিকল্পভাবে ওপরে ওঠার চেষ্টা করেন।
এ সময় নির্মাণাধীন ভবনের দুটি ইট সরে নিচে পড়ে যাওয়ায় তিনি ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান এবং ডান পায়ে গুরুতর আঘাত পান বলে জানান। দুর্ঘটনার পরও বাড়ির গেট খুলে তাকে সহযোগিতা করা হয়নি এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি, ওই বাড়ির বাড়িওয়ালি বিভিন্ন সময় ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন। একই ধরনের আচরণের অভিযোগ কয়েকজন ভাড়াটিয়ার কাছ থেকেও তিনি শুনেছেন বলে জানান। এ ঘটনায় আশপাশের বাড়ির মালিকদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে বলে তার দাবি।
বর্তমানে শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তিনি কোনো ধরনের কার্যক্রম নিতে পারছেন না। সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ঘটনার পরিস্থিতি গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরতে চান তিনি, যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো ভাড়াটিয়া বা ব্যক্তি এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার না হন।
ভুক্তভোগী আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে রাজউক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেবেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকায় অনেক কিছুই করতে পারছেন না। দ্রুত সুস্থ হয়ে বিষয়গুলো নিয়ে আইনগতভাবে এগিয়ে যেতে চান। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
সকলে আমার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন আমিন।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 


















