ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

নারীদের যুব দল গঠন করার দিকেই দৃষ্টি পাপনের

ক্রীড়া প্রতিবেদক: এরই মধ্যে জানা হয়ে গেছে আইসিসির সর্বশেষ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী ২০২১ সালে বাংলাদেশে হবে নারী যুব (অনূর্ধ্ব-১৯) বিশ্বকাপ ক্রিকেট। আজ সকালেই মিলেছে এ খবর। বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্য নিঃসন্দেহে এটা অনেক বড় সুখবর।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এর আগে নারী ৫০ ওভারের এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হলেও অনূর্ধ্ব-১৯ নারী যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেট হয়নি কখনো। আইসিসি এবারই এই আসরটি আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং বাংলাদেশকেই প্রথখম স্বাগতিক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এর আগে যৌথভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আয়োজন করেছে। পাশাপাশি এককভাবে বিশ্ব টি-টায়েন্টি আসর এবং বিশ্ব যুব ক্রিকেটের সফল আয়োজকও। তবে নারী যুব বিশ্বকাপ যেহেতু আগে হয়নি, তাই এ আসরের আয়োজন হবে এই প্রথম।

যেহেতু আগেই পুরুষদের তিন-তিনটি বিশ্ব আসরে আয়োজনটা সাফল্যের সঙ্গেই করা গেছে, তাই নারী বিশ্ব যুব ক্রিকেট আয়োজন নিয়ে বাংলাদেশের চিন্তিত হবার কথা নয়। আইসিসির সভা থেকে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকেও এতটুকু চিন্তিত মনে হয়নি।

তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিগ বসের চিন্তা অন্য জায়গায়। কারণ, বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলই নেই। এখন এক বছরের মধ্যে সেই অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল গঠন করতে হবে এবং তারা যাতে বিশ্ব আসরে অংশগ্রহণ করতে পারে, তেমন শক্তি-সামর্থ্য গড়ে তুলতে হবে।

তাইতো বিসিবি প্রধানের মুখে এমন কথা,‘আপনাদেরকে বলার মতো আইসিসি তো সব স্টেটমেন্ট দিয়েছেই। আমাদের জন্য একটি জিনিসই গুরুত্বপূর্ণ এখানে, সেটা হচ্ছে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী বিশ্বকাপ। এর বাইরে জিম্বাবুয়ের কথা তো আমি আগেই বলেছি। জিম্বাবুয়ের কথা আগেই জানতাম যে, পরের মিটিংয়ে এটা উইথড্র হবে। সে কারণে আমরা তাদেরকে এনে এখানে একটি সিরিজ খেলিয়েছি। নাহলে তো ব্যান ছিল, থাকলে তো আর এটা করতাম না। তাই আমরা এটি জানতাম। যেটি হয়েছে সেটা ভালো হয়েছে। জিম্বাবুয়ে সবসময় আমাদের বন্ধু ছিল।’
নারী যুব বিশ্বকাপ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আরেকটি বড় ইস্যু হচ্ছে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। এবারই যেটা প্রথম হতে যাচ্ছে, ২০২১ সালে। এটা হবে আটটি দলক নিয়ে। কারণ বাংলাদেশের এবং আরও কটি দেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলই নেই। অনূর্ধ্ব-১৯ বলতে আমাদের কোনো দল নেই। এটাই এবার আমরা করেছি যে দশ দলের বিশ্বকাপ হবে, বাংলাদেশ এখানে খেলবে। আমরা করেছি এবং খুব সম্ভবত এটা বাংলাদেশে হবে। বিশ্বকাপটা বাংলাদেশেই হবে, ২০২১ সালে। এটাই আমাদের জন্য সিগনিফিকেন্ট। এটা যেমন আমি মনে করি যে, ভালো সুযোগ এসেছে, এটা অনেক কঠিনও। কারণ আমাদের কোনো দলই নেই অনূর্ধ্ব-১৯-এর। এই এক বছরের মধ্যে একটি দল করে ওদেরকে অনুশীলন করিয়ে বিশ্বকাপ খেলা অনেক কঠিন, এরপরেও আমরা চেষ্টা করবো যেন আমরা একটি ভালো দল করতে পারি।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

নারীদের যুব দল গঠন করার দিকেই দৃষ্টি পাপনের

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯

ক্রীড়া প্রতিবেদক: এরই মধ্যে জানা হয়ে গেছে আইসিসির সর্বশেষ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী ২০২১ সালে বাংলাদেশে হবে নারী যুব (অনূর্ধ্ব-১৯) বিশ্বকাপ ক্রিকেট। আজ সকালেই মিলেছে এ খবর। বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্য নিঃসন্দেহে এটা অনেক বড় সুখবর।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এর আগে নারী ৫০ ওভারের এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হলেও অনূর্ধ্ব-১৯ নারী যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেট হয়নি কখনো। আইসিসি এবারই এই আসরটি আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং বাংলাদেশকেই প্রথখম স্বাগতিক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এর আগে যৌথভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আয়োজন করেছে। পাশাপাশি এককভাবে বিশ্ব টি-টায়েন্টি আসর এবং বিশ্ব যুব ক্রিকেটের সফল আয়োজকও। তবে নারী যুব বিশ্বকাপ যেহেতু আগে হয়নি, তাই এ আসরের আয়োজন হবে এই প্রথম।

যেহেতু আগেই পুরুষদের তিন-তিনটি বিশ্ব আসরে আয়োজনটা সাফল্যের সঙ্গেই করা গেছে, তাই নারী বিশ্ব যুব ক্রিকেট আয়োজন নিয়ে বাংলাদেশের চিন্তিত হবার কথা নয়। আইসিসির সভা থেকে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকেও এতটুকু চিন্তিত মনে হয়নি।

তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিগ বসের চিন্তা অন্য জায়গায়। কারণ, বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলই নেই। এখন এক বছরের মধ্যে সেই অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল গঠন করতে হবে এবং তারা যাতে বিশ্ব আসরে অংশগ্রহণ করতে পারে, তেমন শক্তি-সামর্থ্য গড়ে তুলতে হবে।

তাইতো বিসিবি প্রধানের মুখে এমন কথা,‘আপনাদেরকে বলার মতো আইসিসি তো সব স্টেটমেন্ট দিয়েছেই। আমাদের জন্য একটি জিনিসই গুরুত্বপূর্ণ এখানে, সেটা হচ্ছে অনূর্ধ্ব ১৯ নারী বিশ্বকাপ। এর বাইরে জিম্বাবুয়ের কথা তো আমি আগেই বলেছি। জিম্বাবুয়ের কথা আগেই জানতাম যে, পরের মিটিংয়ে এটা উইথড্র হবে। সে কারণে আমরা তাদেরকে এনে এখানে একটি সিরিজ খেলিয়েছি। নাহলে তো ব্যান ছিল, থাকলে তো আর এটা করতাম না। তাই আমরা এটি জানতাম। যেটি হয়েছে সেটা ভালো হয়েছে। জিম্বাবুয়ে সবসময় আমাদের বন্ধু ছিল।’
নারী যুব বিশ্বকাপ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আরেকটি বড় ইস্যু হচ্ছে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। এবারই যেটা প্রথম হতে যাচ্ছে, ২০২১ সালে। এটা হবে আটটি দলক নিয়ে। কারণ বাংলাদেশের এবং আরও কটি দেশের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলই নেই। অনূর্ধ্ব-১৯ বলতে আমাদের কোনো দল নেই। এটাই এবার আমরা করেছি যে দশ দলের বিশ্বকাপ হবে, বাংলাদেশ এখানে খেলবে। আমরা করেছি এবং খুব সম্ভবত এটা বাংলাদেশে হবে। বিশ্বকাপটা বাংলাদেশেই হবে, ২০২১ সালে। এটাই আমাদের জন্য সিগনিফিকেন্ট। এটা যেমন আমি মনে করি যে, ভালো সুযোগ এসেছে, এটা অনেক কঠিনও। কারণ আমাদের কোনো দলই নেই অনূর্ধ্ব-১৯-এর। এই এক বছরের মধ্যে একটি দল করে ওদেরকে অনুশীলন করিয়ে বিশ্বকাপ খেলা অনেক কঠিন, এরপরেও আমরা চেষ্টা করবো যেন আমরা একটি ভালো দল করতে পারি।’


প্রিন্ট