ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

বাংলাদেশের তৃপ্তি-অতৃপ্তি টি-টোয়েন্টি সিরিজটিতে

ক্রীড়া প্রতিবেদক: ভারত সফরে যাওয়ার আগে কেউ যদি বলতো বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি সিরিজটি হারবে ২-১ ব্যবধানে, তা হলে যে কেউ এটিকে মেনে নিতো দারুণ ফল হিসেবে। কেননা ভারতের বিপক্ষে এর আগে কখনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতেনি বাংলাদেশ। তার ওপর সাম্প্রতিক অস্থির অবস্থা কাটিয়ে একটি জয় তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় টাইগারদের জন্য অনেক কিছু।

কিন্তু রোববার সিরিজের শেষ ম্যাচের পর সেই ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর সকলের মনে শুধুই আক্ষেপ আর সুযোগ হাতছাড়া করার আক্ষেপ। কেননা শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার সহজ সুযোগ হেলায় হারিয়েছে বাংলাদেশ। নাইম শেখের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি, যার ফলে হারতে হয়েছে ৩০ রানের ব্যবধানে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সিরিজের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, তৃপ্তি-অতৃপ্তি নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার মতে তরুণ তুর্কি নাইম শেখ ও আমিনুল ইসলামদের পারফরম্যান্স বড় তৃপ্তির জায়গা। অন্যদিকে সিরিজ জিততে না পারাটাই অতৃপ্তির।

মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘(সিরিজে) তৃপ্তির জায়গা বলতে আমার মনে হয়, নাঈম ও আমিনুলের পারফরম্যান্স। আমাদের বোলিং ইউনিটের পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল। মুশফিকের ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স ছিল। এগুলো ছিল ইতিবাচক।’

তিনি বলতে থাকেন, ‘আর অতৃপ্তি বলতে গেলে- আমরা প্রথম ম্যাচ জিতেছি। অবশ্যই ভালো একটা মোমেন্টাম পেয়েছিলাম। যেটা আমরা সব সময় ফিল করি- এটাই বাংলাদেশ দলের শক্তি। তারপর ওখান থেকে যখন সিরিজটা হারি, সেদিক থেকে কিছুটা হলেও হতাশাজনক।’

এসময় নাইম শেখের ৪৮ বলে ৮১ রানের ইনিংসের প্রশংসা ঝরে টাইগার অধিনায়কের কণ্ঠে। চাপের মুখে যেভাবে খেলেছেন তরুণ নাইম, তাতে অধিনায়কের কাছ থেকে লেটার মার্কই পেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নাইমের এমন ইনিংসের পর ম্যাচ জিততে না পারার হতাশাও শোনা যায় মাহমুদউল্লাহর কণ্ঠে।

নাইমের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে টাইগার অধিনায়কের জবাব, ‘এককথায় বললে, খুবই দৃষ্টিনন্দন ছিল ওর (নাইম শেখ) ইনিংসটা। আমার খারাপ লাগছে এত সুন্দর একটা ইনিংস খেলেছে, আমরা ফিনিশ করতে পারিনি। মিডল অর্ডারদের ব্যর্থতা ছিল। এই কারণে আমার হতাশাটা আরও বেশি। সুন্দর একটা ইনিংস খেলেছে, খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। ওর জন্য হলেও আমরা যদি ভালো করে শেষ করতে পারতাম তাহলে ও অনেক ক্রেডিট পেত।’

দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে দারুণ বোলিং করেছেন ডানহাতি পেসার আলআমিন হোসেন। তিন ম্যাচেই করেছেন নিয়ন্ত্রিত বোলিং, রান খরচ করেছেন একদম হিসেব করে। মাহমুদউল্লাহর মতে দেশের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার হলেন আলআমিন।

তিনি অলেন, ‘আলআমিন অসাধারণ খেলেছে। আমার মনে হয়, ও আমাদের দেশের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার। ব্যক্তিগতভাবে আমি এটা অনুভব করি। ওর আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার দেখলে দেখা যাবে, সব সময় ধারাবাহিক পারফর্ম করেছে। সেদিক থেকে বিশ্বাস ছিল আল আমিন হয়তোবা ভালো করতে পারে।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

বাংলাদেশের তৃপ্তি-অতৃপ্তি টি-টোয়েন্টি সিরিজটিতে

আপডেট টাইম : ১২:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯

ক্রীড়া প্রতিবেদক: ভারত সফরে যাওয়ার আগে কেউ যদি বলতো বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি সিরিজটি হারবে ২-১ ব্যবধানে, তা হলে যে কেউ এটিকে মেনে নিতো দারুণ ফল হিসেবে। কেননা ভারতের বিপক্ষে এর আগে কখনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতেনি বাংলাদেশ। তার ওপর সাম্প্রতিক অস্থির অবস্থা কাটিয়ে একটি জয় তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় টাইগারদের জন্য অনেক কিছু।

কিন্তু রোববার সিরিজের শেষ ম্যাচের পর সেই ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর সকলের মনে শুধুই আক্ষেপ আর সুযোগ হাতছাড়া করার আক্ষেপ। কেননা শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার সহজ সুযোগ হেলায় হারিয়েছে বাংলাদেশ। নাইম শেখের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি, যার ফলে হারতে হয়েছে ৩০ রানের ব্যবধানে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সিরিজের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, তৃপ্তি-অতৃপ্তি নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার মতে তরুণ তুর্কি নাইম শেখ ও আমিনুল ইসলামদের পারফরম্যান্স বড় তৃপ্তির জায়গা। অন্যদিকে সিরিজ জিততে না পারাটাই অতৃপ্তির।

মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘(সিরিজে) তৃপ্তির জায়গা বলতে আমার মনে হয়, নাঈম ও আমিনুলের পারফরম্যান্স। আমাদের বোলিং ইউনিটের পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল। মুশফিকের ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স ছিল। এগুলো ছিল ইতিবাচক।’

তিনি বলতে থাকেন, ‘আর অতৃপ্তি বলতে গেলে- আমরা প্রথম ম্যাচ জিতেছি। অবশ্যই ভালো একটা মোমেন্টাম পেয়েছিলাম। যেটা আমরা সব সময় ফিল করি- এটাই বাংলাদেশ দলের শক্তি। তারপর ওখান থেকে যখন সিরিজটা হারি, সেদিক থেকে কিছুটা হলেও হতাশাজনক।’

এসময় নাইম শেখের ৪৮ বলে ৮১ রানের ইনিংসের প্রশংসা ঝরে টাইগার অধিনায়কের কণ্ঠে। চাপের মুখে যেভাবে খেলেছেন তরুণ নাইম, তাতে অধিনায়কের কাছ থেকে লেটার মার্কই পেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নাইমের এমন ইনিংসের পর ম্যাচ জিততে না পারার হতাশাও শোনা যায় মাহমুদউল্লাহর কণ্ঠে।

নাইমের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে টাইগার অধিনায়কের জবাব, ‘এককথায় বললে, খুবই দৃষ্টিনন্দন ছিল ওর (নাইম শেখ) ইনিংসটা। আমার খারাপ লাগছে এত সুন্দর একটা ইনিংস খেলেছে, আমরা ফিনিশ করতে পারিনি। মিডল অর্ডারদের ব্যর্থতা ছিল। এই কারণে আমার হতাশাটা আরও বেশি। সুন্দর একটা ইনিংস খেলেছে, খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। ওর জন্য হলেও আমরা যদি ভালো করে শেষ করতে পারতাম তাহলে ও অনেক ক্রেডিট পেত।’

দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে দারুণ বোলিং করেছেন ডানহাতি পেসার আলআমিন হোসেন। তিন ম্যাচেই করেছেন নিয়ন্ত্রিত বোলিং, রান খরচ করেছেন একদম হিসেব করে। মাহমুদউল্লাহর মতে দেশের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার হলেন আলআমিন।

তিনি অলেন, ‘আলআমিন অসাধারণ খেলেছে। আমার মনে হয়, ও আমাদের দেশের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার। ব্যক্তিগতভাবে আমি এটা অনুভব করি। ওর আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার দেখলে দেখা যাবে, সব সময় ধারাবাহিক পারফর্ম করেছে। সেদিক থেকে বিশ্বাস ছিল আল আমিন হয়তোবা ভালো করতে পারে।’


প্রিন্ট