ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

মুক্তিপণের টাকা না দিতে পেয়ে ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আমিনুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিপনের চেকের টাকা না দিতে পেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার মহিষবান্দি গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ছেলে মোঃ আমিনুল ইসলাম মন্ডল।

সূত্রে জানা যায় যে, তিনি একজন ব্যাবসায়ী। ২০১৯ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৫ টায় তার মোবাইলে একটি ফোন আসে যাহার নাম্বার ০১৯২৩৪৯২৬৬৬ ফোনের অপর প্রান্ত থেকে মোতাহার হোসেন দুলাল নামে এক ব্যাক্তি সি আই ডির পরিচয় দিয়ে তাকে বলেন, আমার কাছে আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ আছে, আপনি এসে সি আই ডি অফিস থেকে নিয়ে যান। এই কথা শুনে আমি সি আই ডি অফিসের সামনে যায় এবং উক্ত মোতাহার হোসেন দুলাল নামে ব্যাক্তিকে ফোন দেই, কিছুক্ষন পর ৪/৫ জন সাদা পোশাকধারী লোক এসে আমাকে তুলে নিয়ে যায় এবং সি আই ডি অফিসের এন এক্স ভবনের ৬ তলায় নিয়ে যায়। ৬ তলায় নিয়ে যাওয়ার পরপরেই আমার ওপর অত্যাচার শুরু করে এবং আমার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও ব্যাবসায়ের নগদ ১ লক্ষ টাকা জোর করে নিয়ে নেয়।

উক্ত সি আই ডি পরিচয়দানকারী সদস্যরা বলতে থাকে তোর নামে একাধিক মামলা আছে, এবং আরো মামলা দেব এখন যদি নগদ ১০ লক্ষ টাকা না দিস, তোকে ক্রসফায়ার দিব, আমরা তোকে ক্রসফায়ার দিলে আমাদের কিছুই হবেনা। উক্ত স্থানে মিজান নামে একজন উপ পরিদর্শক/ এস আই (সি আই ডি) ছিলেন। সে আমাকে নগদ ১০ লক্ষ টাকা অথবা চেক দিতে বলেন। আমি কোনো উপায় না পেয়ে আমার জীবন বাঁচাতে অনুরোধ করে ৫ লক্ষ টাকার একটি চেক দেই। যাহার নাম্বার ঈউই ৫৩৮১৮০৪ তারিখ ২৫/০২/২০১৯ইং অগ্রীম তারিখ দিয়ে নেন । ২ মাস পর জানতে পারি উক্ত মুক্তিপনের প্রতারক চক্রের হোতা মোতাহার হোসেন দুলাল চেকটি ডিসঅনার করে আমার বিরুদ্ধে গত ১৪ মে ২০১৯ তারিখে রংপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্যাট আদালতে একটি মামলা করে। যাহার নং: সি আর ৪১৯/১৯ । উক্ত মামলায় গোপনে আমার নামে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করা হয় এবং সেই মামলার ভয়ে আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি এবং আমার পরিবার দারিদ্রতার মহা সংকটে দিন পার করছি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসন সহ সকলের সহায়তা কামনা করছি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

মুক্তিপণের টাকা না দিতে পেয়ে ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আমিনুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ১০:১৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিপনের চেকের টাকা না দিতে পেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার মহিষবান্দি গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ছেলে মোঃ আমিনুল ইসলাম মন্ডল।

সূত্রে জানা যায় যে, তিনি একজন ব্যাবসায়ী। ২০১৯ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৫ টায় তার মোবাইলে একটি ফোন আসে যাহার নাম্বার ০১৯২৩৪৯২৬৬৬ ফোনের অপর প্রান্ত থেকে মোতাহার হোসেন দুলাল নামে এক ব্যাক্তি সি আই ডির পরিচয় দিয়ে তাকে বলেন, আমার কাছে আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ আছে, আপনি এসে সি আই ডি অফিস থেকে নিয়ে যান। এই কথা শুনে আমি সি আই ডি অফিসের সামনে যায় এবং উক্ত মোতাহার হোসেন দুলাল নামে ব্যাক্তিকে ফোন দেই, কিছুক্ষন পর ৪/৫ জন সাদা পোশাকধারী লোক এসে আমাকে তুলে নিয়ে যায় এবং সি আই ডি অফিসের এন এক্স ভবনের ৬ তলায় নিয়ে যায়। ৬ তলায় নিয়ে যাওয়ার পরপরেই আমার ওপর অত্যাচার শুরু করে এবং আমার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও ব্যাবসায়ের নগদ ১ লক্ষ টাকা জোর করে নিয়ে নেয়।

উক্ত সি আই ডি পরিচয়দানকারী সদস্যরা বলতে থাকে তোর নামে একাধিক মামলা আছে, এবং আরো মামলা দেব এখন যদি নগদ ১০ লক্ষ টাকা না দিস, তোকে ক্রসফায়ার দিব, আমরা তোকে ক্রসফায়ার দিলে আমাদের কিছুই হবেনা। উক্ত স্থানে মিজান নামে একজন উপ পরিদর্শক/ এস আই (সি আই ডি) ছিলেন। সে আমাকে নগদ ১০ লক্ষ টাকা অথবা চেক দিতে বলেন। আমি কোনো উপায় না পেয়ে আমার জীবন বাঁচাতে অনুরোধ করে ৫ লক্ষ টাকার একটি চেক দেই। যাহার নাম্বার ঈউই ৫৩৮১৮০৪ তারিখ ২৫/০২/২০১৯ইং অগ্রীম তারিখ দিয়ে নেন । ২ মাস পর জানতে পারি উক্ত মুক্তিপনের প্রতারক চক্রের হোতা মোতাহার হোসেন দুলাল চেকটি ডিসঅনার করে আমার বিরুদ্ধে গত ১৪ মে ২০১৯ তারিখে রংপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্যাট আদালতে একটি মামলা করে। যাহার নং: সি আর ৪১৯/১৯ । উক্ত মামলায় গোপনে আমার নামে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করা হয় এবং সেই মামলার ভয়ে আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি এবং আমার পরিবার দারিদ্রতার মহা সংকটে দিন পার করছি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসন সহ সকলের সহায়তা কামনা করছি।


প্রিন্ট