ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

মুক্তিপণের টাকা না দিতে পেয়ে ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আমিনুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিপনের চেকের টাকা না দিতে পেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার মহিষবান্দি গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ছেলে মোঃ আমিনুল ইসলাম মন্ডল।

সূত্রে জানা যায় যে, তিনি একজন ব্যাবসায়ী। ২০১৯ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৫ টায় তার মোবাইলে একটি ফোন আসে যাহার নাম্বার ০১৯২৩৪৯২৬৬৬ ফোনের অপর প্রান্ত থেকে মোতাহার হোসেন দুলাল নামে এক ব্যাক্তি সি আই ডির পরিচয় দিয়ে তাকে বলেন, আমার কাছে আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ আছে, আপনি এসে সি আই ডি অফিস থেকে নিয়ে যান। এই কথা শুনে আমি সি আই ডি অফিসের সামনে যায় এবং উক্ত মোতাহার হোসেন দুলাল নামে ব্যাক্তিকে ফোন দেই, কিছুক্ষন পর ৪/৫ জন সাদা পোশাকধারী লোক এসে আমাকে তুলে নিয়ে যায় এবং সি আই ডি অফিসের এন এক্স ভবনের ৬ তলায় নিয়ে যায়। ৬ তলায় নিয়ে যাওয়ার পরপরেই আমার ওপর অত্যাচার শুরু করে এবং আমার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও ব্যাবসায়ের নগদ ১ লক্ষ টাকা জোর করে নিয়ে নেয়।

উক্ত সি আই ডি পরিচয়দানকারী সদস্যরা বলতে থাকে তোর নামে একাধিক মামলা আছে, এবং আরো মামলা দেব এখন যদি নগদ ১০ লক্ষ টাকা না দিস, তোকে ক্রসফায়ার দিব, আমরা তোকে ক্রসফায়ার দিলে আমাদের কিছুই হবেনা। উক্ত স্থানে মিজান নামে একজন উপ পরিদর্শক/ এস আই (সি আই ডি) ছিলেন। সে আমাকে নগদ ১০ লক্ষ টাকা অথবা চেক দিতে বলেন। আমি কোনো উপায় না পেয়ে আমার জীবন বাঁচাতে অনুরোধ করে ৫ লক্ষ টাকার একটি চেক দেই। যাহার নাম্বার ঈউই ৫৩৮১৮০৪ তারিখ ২৫/০২/২০১৯ইং অগ্রীম তারিখ দিয়ে নেন । ২ মাস পর জানতে পারি উক্ত মুক্তিপনের প্রতারক চক্রের হোতা মোতাহার হোসেন দুলাল চেকটি ডিসঅনার করে আমার বিরুদ্ধে গত ১৪ মে ২০১৯ তারিখে রংপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্যাট আদালতে একটি মামলা করে। যাহার নং: সি আর ৪১৯/১৯ । উক্ত মামলায় গোপনে আমার নামে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করা হয় এবং সেই মামলার ভয়ে আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি এবং আমার পরিবার দারিদ্রতার মহা সংকটে দিন পার করছি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসন সহ সকলের সহায়তা কামনা করছি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

মুক্তিপণের টাকা না দিতে পেয়ে ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আমিনুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ১০:১৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিপনের চেকের টাকা না দিতে পেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার মহিষবান্দি গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার মন্ডলের ছেলে মোঃ আমিনুল ইসলাম মন্ডল।

সূত্রে জানা যায় যে, তিনি একজন ব্যাবসায়ী। ২০১৯ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৫ টায় তার মোবাইলে একটি ফোন আসে যাহার নাম্বার ০১৯২৩৪৯২৬৬৬ ফোনের অপর প্রান্ত থেকে মোতাহার হোসেন দুলাল নামে এক ব্যাক্তি সি আই ডির পরিচয় দিয়ে তাকে বলেন, আমার কাছে আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ আছে, আপনি এসে সি আই ডি অফিস থেকে নিয়ে যান। এই কথা শুনে আমি সি আই ডি অফিসের সামনে যায় এবং উক্ত মোতাহার হোসেন দুলাল নামে ব্যাক্তিকে ফোন দেই, কিছুক্ষন পর ৪/৫ জন সাদা পোশাকধারী লোক এসে আমাকে তুলে নিয়ে যায় এবং সি আই ডি অফিসের এন এক্স ভবনের ৬ তলায় নিয়ে যায়। ৬ তলায় নিয়ে যাওয়ার পরপরেই আমার ওপর অত্যাচার শুরু করে এবং আমার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও ব্যাবসায়ের নগদ ১ লক্ষ টাকা জোর করে নিয়ে নেয়।

উক্ত সি আই ডি পরিচয়দানকারী সদস্যরা বলতে থাকে তোর নামে একাধিক মামলা আছে, এবং আরো মামলা দেব এখন যদি নগদ ১০ লক্ষ টাকা না দিস, তোকে ক্রসফায়ার দিব, আমরা তোকে ক্রসফায়ার দিলে আমাদের কিছুই হবেনা। উক্ত স্থানে মিজান নামে একজন উপ পরিদর্শক/ এস আই (সি আই ডি) ছিলেন। সে আমাকে নগদ ১০ লক্ষ টাকা অথবা চেক দিতে বলেন। আমি কোনো উপায় না পেয়ে আমার জীবন বাঁচাতে অনুরোধ করে ৫ লক্ষ টাকার একটি চেক দেই। যাহার নাম্বার ঈউই ৫৩৮১৮০৪ তারিখ ২৫/০২/২০১৯ইং অগ্রীম তারিখ দিয়ে নেন । ২ মাস পর জানতে পারি উক্ত মুক্তিপনের প্রতারক চক্রের হোতা মোতাহার হোসেন দুলাল চেকটি ডিসঅনার করে আমার বিরুদ্ধে গত ১৪ মে ২০১৯ তারিখে রংপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্যাট আদালতে একটি মামলা করে। যাহার নং: সি আর ৪১৯/১৯ । উক্ত মামলায় গোপনে আমার নামে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করা হয় এবং সেই মামলার ভয়ে আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি এবং আমার পরিবার দারিদ্রতার মহা সংকটে দিন পার করছি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসন সহ সকলের সহায়তা কামনা করছি।


প্রিন্ট