ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ-ওসি, মো. জাকির হোসেন বিশ্বম্ভরপুরে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কুড়িগ্রামে নানা কর্মসূচিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন দোয়া মাহফিল ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে পথসভা, নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এর শুভেচ্ছা বার্তা ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন ১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন গোদাগাড়ীর কৃতী সন্তান সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এম এনামুল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

​গোদাগাড়ীর নওশাদ আলী ও জাহাঙ্গীর আলমের প্রতিবাদ মাদক ও অস্ত্রের অভিযোগ মিথ্যা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক

​ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নওশাদ আলী এবং তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত মাদক ও অস্ত্রের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলে দাবি করেছেন। সম্প্রতি কিছু সংবাদ মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে তাঁদের নাম জড়িয়ে করা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
​এর আগে বিভিন্ন সংবাদে দাবি করা হয়েছিল, ২০১৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী নওশাদ আলী এবং জাহাঙ্গীর আলম মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে তালিকাভুক্ত। এমনকি নওশাদ আলী আসন্ন মেয়র নির্বাচনে লড়াই করার পরিকল্পনা করছেন এবং তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম মাদক ব্যবসা থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তাঁর জন্য নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন এবং পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল।

 
​এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নওশাদ আলী এক বিবৃতিতে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এগুলো গত সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে সাজানো মামলা। আমি কিংবা আমার পরিবারের কেউ কখনোই মাদকের সাথে জড়িত ছিলাম না। মাদক ব্যবসার মতো জঘন্য অপরাধের সাথে আমাদের নাম জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি চেষ্টা মাত্র। আমরা এ সব অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 
​অন্যদিকে, জাহাঙ্গীর আলমের নামে একাধিক অস্ত্র ও মাদক মামলা থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, তিনিও এ সব অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছে, তা সব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি পৌর মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই একটা মহল আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে। এগুলো হাসিনা সরকারের আমলে দায়ের করা মিথ্যা ও সাজানো মামলা। আমি কখনো কোনো মাদক বা অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলাম না। তিনি আরও বলেন, কোনো মাদক ব্যবসার টাকায় বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে তিনি পুলিশ প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক গড়েননি, বরং তাঁর সমস্ত কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ এবং জনগণের কল্যাণের জন্যই।

 
​নওশাদ আলী তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই আমাদের নিয়ে অযৌক্তিক সমালোচনা করছেন। আমি দেখেছি কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন এবং রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বক্তব্যও শুনছি। এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণ ছাড়াই প্রচার করাটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য এবং আমরা এই সমস্ত মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 
​উভয় পিতা-পুত্র দাবি করেছেন যে, তাঁরা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তাঁদের বিরুদ্ধে যে সব মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ রয়েছে, তা আইনি উপায়েই মোকাবেলা করবেন। তাঁরা জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন এবং ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

 

 

এদিকে এই মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজন ও সাধারণ জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, নওশাদ আলী ও তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। তাঁরা নিয়মিত এলাকার গরীব-দুঃখী মানুষের খোঁজখবর নেন এবং বিপদে-আপদে অর্থ ও শ্রম দিয়ে পাশে দাঁড়ান। স্থানীয়রা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এমন সমাজসেবক ও সজ্জন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এই ধরণের মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার তাঁরা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ-ওসি, মো. জাকির হোসেন

​গোদাগাড়ীর নওশাদ আলী ও জাহাঙ্গীর আলমের প্রতিবাদ মাদক ও অস্ত্রের অভিযোগ মিথ্যা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক

আপডেট টাইম : ১০:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

​ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নওশাদ আলী এবং তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত মাদক ও অস্ত্রের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলে দাবি করেছেন। সম্প্রতি কিছু সংবাদ মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে তাঁদের নাম জড়িয়ে করা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
​এর আগে বিভিন্ন সংবাদে দাবি করা হয়েছিল, ২০১৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী নওশাদ আলী এবং জাহাঙ্গীর আলম মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে তালিকাভুক্ত। এমনকি নওশাদ আলী আসন্ন মেয়র নির্বাচনে লড়াই করার পরিকল্পনা করছেন এবং তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম মাদক ব্যবসা থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তাঁর জন্য নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন এবং পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল।

 
​এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নওশাদ আলী এক বিবৃতিতে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এগুলো গত সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে সাজানো মামলা। আমি কিংবা আমার পরিবারের কেউ কখনোই মাদকের সাথে জড়িত ছিলাম না। মাদক ব্যবসার মতো জঘন্য অপরাধের সাথে আমাদের নাম জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি চেষ্টা মাত্র। আমরা এ সব অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 
​অন্যদিকে, জাহাঙ্গীর আলমের নামে একাধিক অস্ত্র ও মাদক মামলা থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, তিনিও এ সব অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছে, তা সব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি পৌর মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই একটা মহল আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে। এগুলো হাসিনা সরকারের আমলে দায়ের করা মিথ্যা ও সাজানো মামলা। আমি কখনো কোনো মাদক বা অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলাম না। তিনি আরও বলেন, কোনো মাদক ব্যবসার টাকায় বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে তিনি পুলিশ প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক গড়েননি, বরং তাঁর সমস্ত কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ এবং জনগণের কল্যাণের জন্যই।

 
​নওশাদ আলী তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই আমাদের নিয়ে অযৌক্তিক সমালোচনা করছেন। আমি দেখেছি কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন এবং রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বক্তব্যও শুনছি। এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণ ছাড়াই প্রচার করাটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য এবং আমরা এই সমস্ত মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 
​উভয় পিতা-পুত্র দাবি করেছেন যে, তাঁরা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তাঁদের বিরুদ্ধে যে সব মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ রয়েছে, তা আইনি উপায়েই মোকাবেলা করবেন। তাঁরা জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন এবং ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

 

 

এদিকে এই মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজন ও সাধারণ জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, নওশাদ আলী ও তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। তাঁরা নিয়মিত এলাকার গরীব-দুঃখী মানুষের খোঁজখবর নেন এবং বিপদে-আপদে অর্থ ও শ্রম দিয়ে পাশে দাঁড়ান। স্থানীয়রা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এমন সমাজসেবক ও সজ্জন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এই ধরণের মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার তাঁরা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না।


প্রিন্ট