শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি ইলিয়াসকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল রাঙামাটির লংগদুর ইয়ারিংছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায়-বরণ পিরোজপুরে ১৭ বছর অনুপস্থিত থেকে সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা,রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা সংস্কৃতির সব প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয়: ছায়ানট সভাপতি নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে। ডিসি ইলিয়াসকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল রাজিহারে ঈদগাহ মাঠ সংস্কার কাজের উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বৃহস্পতিবার কোয়ারেন্টাইন শেষে যেভাবে চলবে খালেদা জিয়ায় চিকিৎসা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৮২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামীকাল বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কোয়ারেন্টাইন। শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলেও তিনি কারো সঙ্গে দেখা করবেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

খালেদা জিয়া ২৫ মার্চ মুক্তি পান। মুক্তির আগ পর্যন্ত তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখান থেকে বাসায় ফিরে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল টিমের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে যান। বর্তমানে তারেক রহমানের স্ত্রীর তত্বাবধানে হোম কোয়ারেন্টাইনে তার চিকিৎসা চলছে। লন্ডন থেকে জোবায়দা রহমান তার চিকিৎসার দিক—নির্দেশনা দিচ্ছেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল টিমের একজন অন্যতম সদস্য।

কোয়ারেন্টাইন শেষ খালেদা জিয়ার চিকিৎসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার চেয়ারপারসনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হবে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এ সময়ে তাকে বাসার বাইরে বের করা ঠিক হবে না। সে কারণে যেভাবে চিকিৎসা চলছে, সেভাবেই বাসায় চিকিৎসা চলবে।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে, পরিস্থিতি ভালোর দিকে গেলে, তখন আরো কিছু পরীক্ষা—নিরিক্ষা করে সেই রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসার ধরণ পরিবর্তন করা হতে পারে।

সূত্র জানায়, আগামীকাল কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে করোনা পরিস্থিতির এই সময়ে তিনি কারো সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। মেডিক্যাল টিমও এ বিষয়ে মত দেবে বলে মনে হয় না।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে বয়স্ক এবং অন্য দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্তরা। সেদিক থেকে বয়স এবং অসুস্থতা দুই ঝুঁকিতেই রয়েছেন খালেদা জিয়া। তাছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বয়সে বেশ প্রবীণ। সিনিয়র নেতাদের মধ্যে কারো কারো ডায়বেটিস ও অন্যান্য অসুস্থতা রয়েছে। সে কারণে এই মুহুর্তে বাসা থেকে বের হওয়া সবার জন্যই ঝুকিপূর্ণ।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির কেউ কেউ নাকি চেয়ারপারসনের কোয়ারেন্টাইন শেষে তার সঙ্গে দেখা করতে চান এমন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খোন্দকার মোশাররফ বলেন, আমি জানি না, কারা দেখা করতে চান। আমরা সবাই এই সময় নিজ নিজ ঘরে আছি। সবকিছু বিবেচনা করে এখন কোনোভাবেই দেখা করার কথা চিন্তা করা ঠিক হবে না। ব্যক্তিগতভাবে তারও এই মুহূর্তে দেখা করতে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই।

কোয়ারেন্টাইন শেষে কেউ চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করবেন কিনা—এমন প্রশ্নে চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান বলেন, ‘এ মুহূর্তে প্রশ্নই ওঠে না। ’

কোয়ারেন্টাইন শেষে চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাতের কোনও পরিকল্পনা আছে কিনা-জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘এমন কোনও নির্দেশনা নেই। এখনই সাক্ষাৎ করা ঠিক হবে না। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। ঝুঁকিতে আছেন। তাকে তো আরো ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। ফেলা ঠিকও হবে না। তাছাড়া আমরা সবাই তো এখন কোয়ারেন্টাইনে। পরিস্থিতি বুঝে তারপরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com