শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের মৃত্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক দেশের কিছু স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ লেবাননে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কালীগঞ্জে কভার্ড ভ্যান ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ ডিসি ইলিয়াসকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল রাঙামাটির লংগদুর ইয়ারিংছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের বিদায়-বরণ পিরোজপুরে ১৭ বছর অনুপস্থিত থেকে সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা,রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত

করোনায় দারিদ্র্যের শিকার হতে পারে ৫০ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৭৯ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনার প্রভাবে বিশ্ব বড় ধরনের অর্থনৈতিক মন্দার মুখে। এতে করে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের শিকার হবে।

ভাইরাসের অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতি নিয়ে জাতিসংঘের এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই আশঙ্কার কথা। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবার বিশ্বজুড়ে দরিদ্রের সংখ্যা বাড়তে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও জি-২০ এর অর্থমন্ত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের এক সপ্তাহ আগে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হলো।

ব্রিটেনের কিংস কলেজ লন্ডন ও অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এএনইউ) বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রতিবেদন লিখেছেন।

এএনইউর ক্রিস্টোফার হোয় বলেছেন, ‘সম্ভবত স্বাস্থ্য সংকটের চেয়েও মারাত্মক হতে চলেছে অর্থনৈতিক সংকট।’ প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৪০ থেকে ৬০ কোটি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের অবসান ঘটাতে জাতিসংঘের টেকসেই উন্নয়ন লক্ষ্যকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক অ্যান্ডি সামনার বলেছেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব উন্নয়নশীল দেশঘুলো সামাজিক সুরক্ষার পরিসর বাড়াতে হবে। আমাদের এই গবেষণা এটা নিয়েই। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কোভিডের কতটা প্রভাব পড়তে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কী ধরনের সহায়তা করতে পারে সেদিকে মনোযোগ দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।’

গবেষকদের আশঙ্কা, মহামারি শেষ হতে হতে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠী দারিদ্র্য জীবনযাপন শুরু করবে। নতুন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ৪০ শতাংশ হবে পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের। আর এক-তৃতীয়াংশ হবে সাব-সাহারান আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com