ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন জোনাকী শিল্পীগোষ্টি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন নবনিযুক্ত গাইবান্ধা ডিসিকে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা। সুনামগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুনামগঞ্জ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের নেতৃবৃন্দরা রিংকি হত্যা: ন্যায়বিচারের দাবিতে উলিপুরে মানববন্ধন বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আহ্বান সাত বছর পর নাটকে ফিরলেন শার্লিন ফারজানা `২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল’ অস্ট্রেলিয়া সফরের অভিজ্ঞতা সামনে কাজে লাগাতে চান শান্ত

নোয়াবের বিবৃতিতে বিস্মিয় প্রকাশ করলেন বিএফইউজে-ডিইউজে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: ‘সংবাদপত্রশিল্প রক্ষার আহ্বান’ জানিয়ে গতকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) যে বিবৃতি দিয়েছে, তাতে বিস্ময় প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

সাংবাদিকদের সংগঠন দুটি বলেছে, নোয়াবের এই বিবৃতি সংবাদপত্রশিল্পে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টির গভীর চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নোয়াব যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করেছে তা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও সত্যের অপলাপ মাত্র। বরং দেশে একটা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের উদ্দেশ্য প্রতীয়মান।

বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ এবং ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু আজ শনিবার (২২ আগস্ট) এক যুক্ত বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

আগস্ট বাংলাদেশে একটি চক্রান্তের মাস। দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে এ মাসেই চক্রান্তকারীরা বেশি তৎপর হয় উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ভয়াবহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিষয়ে বিএনপি নেতারা যে ভাষায় কথা বলেছেন, নোয়াবের বিবৃতিতে তার গন্ধ পাওয়া যায়। নোয়াব সংবাদপত্রশিল্প রক্ষার জন্য সরকারে কাছে বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করেছে। এসব দাবির যৌক্তিতা বোঝাতে গিয়ে তারা বলেছেন, ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ অযৌক্তিক। শুধু নবম ওয়েজ বোর্ড নয়, এ পর্যন্ত যত ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ হয়েছে, তার সবই অবান্তর ও অযৌক্তিক।

নোয়াবের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএফইউজে-ডিইউজে নেতারা বলেন, নোয়াব প্রতিষ্ঠার বহু আগে থেকেই সংবাদপত্রের সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ কার্যকর রয়েছে। নোয়াব পরিবারের একাধিক সদস্য একসময় এই ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদের আওতায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। আজকে তাদের অনেকেই নোয়াবের সদস্য।

তারা ধিক্কার জানিয়ে বলেন, কোনো মানুষেরই এত দ্রুত তার অতীত ভুলে যাওয়া উচিত নয়। নোয়াবের মনে রাখা দরকার ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ রাষ্ট্রের আইন। সংবাদপত্রকেও রাষ্ট্রের আইন মেনে চলতে হয়। রাষ্ট্রের আইন মানতে না চাইলে তার পরিণতির কথাও বিবেচনায় রাখতে হবে। নোয়াবের জন্মের পর থেকেই মূলত ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ আইন ভঙ্গ করার প্রবণতা শুরু হয়। তারা নানা কৌশলে নিয়োগপত্রবিহীন সাংবাদিক, কম বেতন, থোক বেতন ও সংবাদকর্মীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রয়াস শুরু করে। নোয়াব কোনোকালেই কোনো ওয়েজবোর্ড পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করেনি। কিন্তু সরকারের প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা ঠিকই নিয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন

নোয়াবের বিবৃতিতে বিস্মিয় প্রকাশ করলেন বিএফইউজে-ডিইউজে

আপডেট টাইম : ০৬:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: ‘সংবাদপত্রশিল্প রক্ষার আহ্বান’ জানিয়ে গতকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) যে বিবৃতি দিয়েছে, তাতে বিস্ময় প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

সাংবাদিকদের সংগঠন দুটি বলেছে, নোয়াবের এই বিবৃতি সংবাদপত্রশিল্পে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টির গভীর চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নোয়াব যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করেছে তা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও সত্যের অপলাপ মাত্র। বরং দেশে একটা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের উদ্দেশ্য প্রতীয়মান।

বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ এবং ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু আজ শনিবার (২২ আগস্ট) এক যুক্ত বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

আগস্ট বাংলাদেশে একটি চক্রান্তের মাস। দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে এ মাসেই চক্রান্তকারীরা বেশি তৎপর হয় উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ভয়াবহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিষয়ে বিএনপি নেতারা যে ভাষায় কথা বলেছেন, নোয়াবের বিবৃতিতে তার গন্ধ পাওয়া যায়। নোয়াব সংবাদপত্রশিল্প রক্ষার জন্য সরকারে কাছে বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করেছে। এসব দাবির যৌক্তিতা বোঝাতে গিয়ে তারা বলেছেন, ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ অযৌক্তিক। শুধু নবম ওয়েজ বোর্ড নয়, এ পর্যন্ত যত ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ হয়েছে, তার সবই অবান্তর ও অযৌক্তিক।

নোয়াবের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএফইউজে-ডিইউজে নেতারা বলেন, নোয়াব প্রতিষ্ঠার বহু আগে থেকেই সংবাদপত্রের সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ কার্যকর রয়েছে। নোয়াব পরিবারের একাধিক সদস্য একসময় এই ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদের আওতায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। আজকে তাদের অনেকেই নোয়াবের সদস্য।

তারা ধিক্কার জানিয়ে বলেন, কোনো মানুষেরই এত দ্রুত তার অতীত ভুলে যাওয়া উচিত নয়। নোয়াবের মনে রাখা দরকার ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ রাষ্ট্রের আইন। সংবাদপত্রকেও রাষ্ট্রের আইন মেনে চলতে হয়। রাষ্ট্রের আইন মানতে না চাইলে তার পরিণতির কথাও বিবেচনায় রাখতে হবে। নোয়াবের জন্মের পর থেকেই মূলত ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ আইন ভঙ্গ করার প্রবণতা শুরু হয়। তারা নানা কৌশলে নিয়োগপত্রবিহীন সাংবাদিক, কম বেতন, থোক বেতন ও সংবাদকর্মীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রয়াস শুরু করে। নোয়াব কোনোকালেই কোনো ওয়েজবোর্ড পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করেনি। কিন্তু সরকারের প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা ঠিকই নিয়েছে।


প্রিন্ট