ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা বিনিময় কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস

ঈদের ৭ দিন মোটরসাইকেল চালানো যাবে, যদি…

ঈদুল আজহার আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরে তিন দিন এই সাত দিন এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মোটরসাইকেল চলাচল করা যাবে না। ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল শুধু রাজধানী ঢাকাসহ অনুমোদিত এলাকায় চলতে পারবে। এছাড়া এক জেলায় রেজিস্ট্রেশন করা মোটরসাইকেল অন্য জেলায় চালানো যাবে না।

রোববার (৩ জুলাই) বিকালে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জরুরি একটি সভা শেষে এসব কথা জানান সড়ক পরিবহন সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।

তবে যৌক্তিক এবং অনিবার্য প্রয়োজনে পুলিশের অনুমতি নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো যাবে বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, এই সময় দেশের সব মহাসড়কে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসও বন্ধ থাকবে। ঢাকা, বরিশাল বা চট্টগ্রামের রাইড শেয়ারিং বাইকের যেটি যে জেলার মোটরসাইকেল, সেটি সেই জেলাতেই চালাতে হবে বলে তিনি জানান।

সড়ক পরিবহন সচিব জানান, ঈদের আগে পরে মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতেই এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে বাস মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সচিবালয়ে ঈদ প্রস্তুতি সভায় মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের বিষয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের জন্য বাস মালিক-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি করা হয়, যদিও সরকার সেই বৈঠক শেষে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ঈদের আগের তিনদিন নিত্যপণ্য, কাঁচামাল, ওষুধ, জ্বালানি তেল, রফতানি পণ্য, পশুবাহী ট্রাক ছাড়া মহাসড়কে ট্রাক, কর্ভাডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে।

এদিকে বাংলাদেশে একাধিক গবেষণায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের পেছনে মোটরবাইককে দায়ী করা হয়েছে।

গত ঈদুল ফিতরের সময় মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ৩২৩ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের ৪৩ শতাংশই ছিল মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী।

এছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় বলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ঈদের ৭ দিন মোটরসাইকেল চালানো যাবে, যদি…

আপডেট টাইম : ১০:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

ঈদুল আজহার আগের তিন দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরে তিন দিন এই সাত দিন এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মোটরসাইকেল চলাচল করা যাবে না। ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল শুধু রাজধানী ঢাকাসহ অনুমোদিত এলাকায় চলতে পারবে। এছাড়া এক জেলায় রেজিস্ট্রেশন করা মোটরসাইকেল অন্য জেলায় চালানো যাবে না।

রোববার (৩ জুলাই) বিকালে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জরুরি একটি সভা শেষে এসব কথা জানান সড়ক পরিবহন সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।

তবে যৌক্তিক এবং অনিবার্য প্রয়োজনে পুলিশের অনুমতি নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো যাবে বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, এই সময় দেশের সব মহাসড়কে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসও বন্ধ থাকবে। ঢাকা, বরিশাল বা চট্টগ্রামের রাইড শেয়ারিং বাইকের যেটি যে জেলার মোটরসাইকেল, সেটি সেই জেলাতেই চালাতে হবে বলে তিনি জানান।

সড়ক পরিবহন সচিব জানান, ঈদের আগে পরে মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতেই এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে বাস মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সচিবালয়ে ঈদ প্রস্তুতি সভায় মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের বিষয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের জন্য বাস মালিক-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি করা হয়, যদিও সরকার সেই বৈঠক শেষে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ঈদের আগের তিনদিন নিত্যপণ্য, কাঁচামাল, ওষুধ, জ্বালানি তেল, রফতানি পণ্য, পশুবাহী ট্রাক ছাড়া মহাসড়কে ট্রাক, কর্ভাডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে।

এদিকে বাংলাদেশে একাধিক গবেষণায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের পেছনে মোটরবাইককে দায়ী করা হয়েছে।

গত ঈদুল ফিতরের সময় মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ৩২৩ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের ৪৩ শতাংশই ছিল মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী।

এছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় বলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে।


প্রিন্ট