ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের প্যারামিলিটারির তিন সদস্য নিহত

ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা

 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা আদায় করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ। তাঁর সাথে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম তারেক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার। এ সময় ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা কুড়ারপাড় এলাকায় মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খোকনের মালিকানাধীন মেসার্স খোকন ব্রিক্স-এর দুটি ঘরে অভিযান চালিয়ে ১৬ বস্তা ইউরিয়া ও ৭ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে একই ইউনিয়নের কুড়ারপাড় বাজারের সার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের মেসার্স রফিক ট্রেডার্স-এর দোকানে অভিযান চালিয়ে ৯ বস্তা এমওপি সার পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়। কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট ও কালোবাজারি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ বলেন, “অবৈধভাবে সার মজুদ করা হয়েছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কৃত্রিম সংকট ও কালোবাজারি বন্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে।”

স্থানীয় কৃষক ও সুধী মহল এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে, সারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করা হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন

ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট টাইম : ০৮:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা আদায় করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ। তাঁর সাথে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম তারেক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার। এ সময় ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা কুড়ারপাড় এলাকায় মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খোকনের মালিকানাধীন মেসার্স খোকন ব্রিক্স-এর দুটি ঘরে অভিযান চালিয়ে ১৬ বস্তা ইউরিয়া ও ৭ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে একই ইউনিয়নের কুড়ারপাড় বাজারের সার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের মেসার্স রফিক ট্রেডার্স-এর দোকানে অভিযান চালিয়ে ৯ বস্তা এমওপি সার পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়। কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট ও কালোবাজারি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ বলেন, “অবৈধভাবে সার মজুদ করা হয়েছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কৃত্রিম সংকট ও কালোবাজারি বন্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে।”

স্থানীয় কৃষক ও সুধী মহল এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে, সারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করা হবে।


প্রিন্ট