ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

থানায় আটকে রেখে যুবককে ‘নির্যাতন’, ২ পুলিশের নামে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আবদুল আহম্মদ রুবেল নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে থানা পুলিশ হেফাজতে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিদর্শক (তদন্ত) ও সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৯ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আবদুলের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। জেলা ও দায়রা জজ শারমিন নিগার মামলাটি আদেশের জন্য রেখেছেন। আবদুল আহম্মদ সোনারামপুর ইউনিয়নের চরশিবপুর গ্রামের লিল মিয়ার ছেলে।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বাঞ্ছারামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরুণ কান্তি দে, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আল আমিন মানিক ও উপজেলার মধ্যপাড়ার রবি উল্লাহ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার তিন নম্বর আসামি রবি উল্লাহ সঙ্গে আবদুল আহম্মদের পরিবারের লোকজনের পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছে। রবি উল্লাহর বিরুদ্ধে তারা আদালতে মামলাও করেছেন, যা চলমান রয়েছে। মামলার কারণে রবি উল্লাহ আবদুল ও পরিবারের লোকজনকে ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজে আসছেন। একপর্যায়ে গত ১৪ মার্চ রবির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এএসআই আল আমিন সাদা পোশাকে চার পুলিশ সদস্য নিয়ে আবদুল আহাম্মদকে গ্রেফতার করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

থানায় আটকে রেখে যুবককে ‘নির্যাতন’, ২ পুলিশের নামে মামলা

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আবদুল আহম্মদ রুবেল নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে থানা পুলিশ হেফাজতে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিদর্শক (তদন্ত) ও সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৯ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আবদুলের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। জেলা ও দায়রা জজ শারমিন নিগার মামলাটি আদেশের জন্য রেখেছেন। আবদুল আহম্মদ সোনারামপুর ইউনিয়নের চরশিবপুর গ্রামের লিল মিয়ার ছেলে।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বাঞ্ছারামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরুণ কান্তি দে, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আল আমিন মানিক ও উপজেলার মধ্যপাড়ার রবি উল্লাহ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার তিন নম্বর আসামি রবি উল্লাহ সঙ্গে আবদুল আহম্মদের পরিবারের লোকজনের পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছে। রবি উল্লাহর বিরুদ্ধে তারা আদালতে মামলাও করেছেন, যা চলমান রয়েছে। মামলার কারণে রবি উল্লাহ আবদুল ও পরিবারের লোকজনকে ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজে আসছেন। একপর্যায়ে গত ১৪ মার্চ রবির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এএসআই আল আমিন সাদা পোশাকে চার পুলিশ সদস্য নিয়ে আবদুল আহাম্মদকে গ্রেফতার করেন।


প্রিন্ট