ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

থানায় আটকে রেখে যুবককে ‘নির্যাতন’, ২ পুলিশের নামে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আবদুল আহম্মদ রুবেল নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে থানা পুলিশ হেফাজতে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিদর্শক (তদন্ত) ও সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৯ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আবদুলের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। জেলা ও দায়রা জজ শারমিন নিগার মামলাটি আদেশের জন্য রেখেছেন। আবদুল আহম্মদ সোনারামপুর ইউনিয়নের চরশিবপুর গ্রামের লিল মিয়ার ছেলে।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বাঞ্ছারামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরুণ কান্তি দে, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আল আমিন মানিক ও উপজেলার মধ্যপাড়ার রবি উল্লাহ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার তিন নম্বর আসামি রবি উল্লাহ সঙ্গে আবদুল আহম্মদের পরিবারের লোকজনের পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছে। রবি উল্লাহর বিরুদ্ধে তারা আদালতে মামলাও করেছেন, যা চলমান রয়েছে। মামলার কারণে রবি উল্লাহ আবদুল ও পরিবারের লোকজনকে ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজে আসছেন। একপর্যায়ে গত ১৪ মার্চ রবির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এএসআই আল আমিন সাদা পোশাকে চার পুলিশ সদস্য নিয়ে আবদুল আহাম্মদকে গ্রেফতার করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

থানায় আটকে রেখে যুবককে ‘নির্যাতন’, ২ পুলিশের নামে মামলা

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আবদুল আহম্মদ রুবেল নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে থানা পুলিশ হেফাজতে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিদর্শক (তদন্ত) ও সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৯ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আবদুলের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। জেলা ও দায়রা জজ শারমিন নিগার মামলাটি আদেশের জন্য রেখেছেন। আবদুল আহম্মদ সোনারামপুর ইউনিয়নের চরশিবপুর গ্রামের লিল মিয়ার ছেলে।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বাঞ্ছারামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরুণ কান্তি দে, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আল আমিন মানিক ও উপজেলার মধ্যপাড়ার রবি উল্লাহ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার তিন নম্বর আসামি রবি উল্লাহ সঙ্গে আবদুল আহম্মদের পরিবারের লোকজনের পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছে। রবি উল্লাহর বিরুদ্ধে তারা আদালতে মামলাও করেছেন, যা চলমান রয়েছে। মামলার কারণে রবি উল্লাহ আবদুল ও পরিবারের লোকজনকে ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজে আসছেন। একপর্যায়ে গত ১৪ মার্চ রবির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এএসআই আল আমিন সাদা পোশাকে চার পুলিশ সদস্য নিয়ে আবদুল আহাম্মদকে গ্রেফতার করেন।


প্রিন্ট