ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উলিপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে তুরাগে র‌্যাবের সহায়তায় পুলিশের যৌথ অভিযান: তালিকাভুক্ত শীর্ষ চাঁদাবাজ ফারুক গ্রেপ্তার সৌদি আরবে ফাস্টফুড দোকানে চাকরির প্রলোভনে মানবপাচার চক্রের ০১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি উত্তরায় লুটের সোয়া কোটি টাকা উদ্ধারে ডিসি মির্জা তারেকসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ পুরস্কার প্রদান স্বর্ণ ছিনতাইয়ের অভিযোগে বহিষ্কার হলেন বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি সম্পাদক যশোরে ২৭ হাজার ইয়াবাসহ একজন আটক যেখানেই যাচ্ছেন মানুষের সাড়া ও ভালোবাসা পাচ্ছেন: হাফেজ মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্সি নরসিংদীতে বিশেষ অভিযানে ২৩৭ গ্রেফতার, বিপুল অস্ত্র-মাদক ও অবৈধ পণ্য উদ্ধার” বিপিএল সিজন ৫ এর ২৪ তম ম্যাচ অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে নানা আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুভ উদ্বোধন

চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ডের সম্ভাবনা

চলতি বছর দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সহনীয় তাপমাত্রা ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের নজরদারিতে গেল বছরের তুলনায় এ পর্যন্ত ৫৯ লাখ কেজি চা উৎপাদন বেড়েছে। শুধু তাই নয়, এ অঞ্চলে ১৬৯ বছরের চা চাষের ইতিহাসে উৎপাদনে রেকর্ড গড়ার আশা করা হচ্ছে।

দেশে চা উৎপাদনের ইতিহাসে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছিল। সে বছর ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজিরও বেশি চা উৎপাদন হয়। এ বছর চা বোর্ডের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি চা উৎপাদন, যা অনায়াসে উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

মৌলভীবাজারের বেশ কয়েকটি চা বাগান ঘুরে দেখা গেছে, জেলায় প্রায় ৯৩টি চা বাগান রয়েছে। সম্প্রতি পরিমিত বৃষ্টিপাত আর সূর্যের সহনীয় তাপমাত্রা পেয়ে প্রতিটি বাগান যেন সজীবতা ফিরে পেয়েছে। কচি পাতার সমারোহে ভরে উঠেছে এসব চা বাগান। মৌসুমের প্রায় শেষ দিকে এসে বেশি বেশি চা পাতা তুলতে নারী চা শ্রমিকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

অন্যদিকে চলতি বছর চা উৎপাদন মৌসুমের শুরুতে টানা মাসকয়েক বৃষ্টিপাত না থাকায় চা-বাগানগুলো প্রচণ্ড খরার কবলে পড়ে। তবে চা উৎপাদনের ভরা মৌসুম জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে এসে রাতে নিয়মিত বৃষ্টি ও দিনে সহনীয় মাত্রা ও সূর্যের আলো পাওয়া যায়। এতে চা উৎপাদনে অনুকূল পরিবেশ আবার ফিরে আসে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চায়ের ভালো উৎপাদনের জন্য বছরে কম করে হলেও ২ হাজার মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। এবারে জানুয়ারি মাস থেকে মধ্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ৯৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এতে চায়ের উৎপাদন ভালো হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম বলেন, গেলো বছরের তুলনায় এ পর্যন্ত ৫৯ লাখ কেজি চা অতিরিক্ত উৎপাদন হয়েছে। এ ধারা আরও দুএক মাস অব্যাহত থাকলে এ বছর চায়ের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

উলিপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে

চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ডের সম্ভাবনা

আপডেট টাইম : ১২:২৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

চলতি বছর দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সহনীয় তাপমাত্রা ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের নজরদারিতে গেল বছরের তুলনায় এ পর্যন্ত ৫৯ লাখ কেজি চা উৎপাদন বেড়েছে। শুধু তাই নয়, এ অঞ্চলে ১৬৯ বছরের চা চাষের ইতিহাসে উৎপাদনে রেকর্ড গড়ার আশা করা হচ্ছে।

দেশে চা উৎপাদনের ইতিহাসে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছিল। সে বছর ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজিরও বেশি চা উৎপাদন হয়। এ বছর চা বোর্ডের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি চা উৎপাদন, যা অনায়াসে উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

মৌলভীবাজারের বেশ কয়েকটি চা বাগান ঘুরে দেখা গেছে, জেলায় প্রায় ৯৩টি চা বাগান রয়েছে। সম্প্রতি পরিমিত বৃষ্টিপাত আর সূর্যের সহনীয় তাপমাত্রা পেয়ে প্রতিটি বাগান যেন সজীবতা ফিরে পেয়েছে। কচি পাতার সমারোহে ভরে উঠেছে এসব চা বাগান। মৌসুমের প্রায় শেষ দিকে এসে বেশি বেশি চা পাতা তুলতে নারী চা শ্রমিকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

অন্যদিকে চলতি বছর চা উৎপাদন মৌসুমের শুরুতে টানা মাসকয়েক বৃষ্টিপাত না থাকায় চা-বাগানগুলো প্রচণ্ড খরার কবলে পড়ে। তবে চা উৎপাদনের ভরা মৌসুম জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে এসে রাতে নিয়মিত বৃষ্টি ও দিনে সহনীয় মাত্রা ও সূর্যের আলো পাওয়া যায়। এতে চা উৎপাদনে অনুকূল পরিবেশ আবার ফিরে আসে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চায়ের ভালো উৎপাদনের জন্য বছরে কম করে হলেও ২ হাজার মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। এবারে জানুয়ারি মাস থেকে মধ্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ৯৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এতে চায়ের উৎপাদন ভালো হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম বলেন, গেলো বছরের তুলনায় এ পর্যন্ত ৫৯ লাখ কেজি চা অতিরিক্ত উৎপাদন হয়েছে। এ ধারা আরও দুএক মাস অব্যাহত থাকলে এ বছর চায়ের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।


প্রিন্ট