ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

প্রেমের টানে নদী সাঁতরে বাংলাদেশে সঞ্জনা

একজনের বাড়ি ভারতে, আরেকজনের বাংলাদেশে। সীমান্তবর্তী মাথাভাঙা নদীর ঘাটে পরিচয় হয় সঞ্জনা ও লাভলুর। সেই পরিচয় থেকে প্রেম। তবে বিপত্তি বাধে সীমান্তের কাঁটাতার। একপর্যায়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে নদী পার হয়ে লাভলুর বাড়িতে হাজির হন সঞ্জনা। এরপর তৈরি হয় আইনি জটিলতা। পরে আদালতের মাধ্যমে দুইজনে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাদের সুখের রয়েছে দুই সন্তান।

জানা যায়, সঞ্জনা ভারতের নদীয়া জেলার চর মেঘনার মেয়ে। লাভলুর বাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা জামালপুরে।

সঞ্জনা জানান, নদীর ঘাটে তাদের প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে একদিন বন্যার সময় ভরা নদী সাঁতরে চলে আসেন লাভলুর বাড়িতে। পরে আইনি ও ধর্মীয় সব জটিলতা সামলে বিয়ের পর সুখে সংসার করছেন তিনি।

লাভলুর বাবা ইদ্রিস আলী বলেন, সব বাধা পেরিয়ে ছেলের ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়েছি। আমি সঞ্জনাকে নিজের মেয়ের মতো করেই দেখি। ভালোভাবে তারা সংসার করছে এবং ভালো আছে।

স্থানীয় প্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামন মুকুল বলেন, শুরুতে আইনি জটিলতা ছিল, পরে তা ঠিক হয়েছে। তারা এখন সুখে সংসার করছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

প্রেমের টানে নদী সাঁতরে বাংলাদেশে সঞ্জনা

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

একজনের বাড়ি ভারতে, আরেকজনের বাংলাদেশে। সীমান্তবর্তী মাথাভাঙা নদীর ঘাটে পরিচয় হয় সঞ্জনা ও লাভলুর। সেই পরিচয় থেকে প্রেম। তবে বিপত্তি বাধে সীমান্তের কাঁটাতার। একপর্যায়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে নদী পার হয়ে লাভলুর বাড়িতে হাজির হন সঞ্জনা। এরপর তৈরি হয় আইনি জটিলতা। পরে আদালতের মাধ্যমে দুইজনে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাদের সুখের রয়েছে দুই সন্তান।

জানা যায়, সঞ্জনা ভারতের নদীয়া জেলার চর মেঘনার মেয়ে। লাভলুর বাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা জামালপুরে।

সঞ্জনা জানান, নদীর ঘাটে তাদের প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে একদিন বন্যার সময় ভরা নদী সাঁতরে চলে আসেন লাভলুর বাড়িতে। পরে আইনি ও ধর্মীয় সব জটিলতা সামলে বিয়ের পর সুখে সংসার করছেন তিনি।

লাভলুর বাবা ইদ্রিস আলী বলেন, সব বাধা পেরিয়ে ছেলের ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়েছি। আমি সঞ্জনাকে নিজের মেয়ের মতো করেই দেখি। ভালোভাবে তারা সংসার করছে এবং ভালো আছে।

স্থানীয় প্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামন মুকুল বলেন, শুরুতে আইনি জটিলতা ছিল, পরে তা ঠিক হয়েছে। তারা এখন সুখে সংসার করছেন।


প্রিন্ট