ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

প্রেমের টানে নদী সাঁতরে বাংলাদেশে সঞ্জনা

একজনের বাড়ি ভারতে, আরেকজনের বাংলাদেশে। সীমান্তবর্তী মাথাভাঙা নদীর ঘাটে পরিচয় হয় সঞ্জনা ও লাভলুর। সেই পরিচয় থেকে প্রেম। তবে বিপত্তি বাধে সীমান্তের কাঁটাতার। একপর্যায়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে নদী পার হয়ে লাভলুর বাড়িতে হাজির হন সঞ্জনা। এরপর তৈরি হয় আইনি জটিলতা। পরে আদালতের মাধ্যমে দুইজনে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাদের সুখের রয়েছে দুই সন্তান।

জানা যায়, সঞ্জনা ভারতের নদীয়া জেলার চর মেঘনার মেয়ে। লাভলুর বাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা জামালপুরে।

সঞ্জনা জানান, নদীর ঘাটে তাদের প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে একদিন বন্যার সময় ভরা নদী সাঁতরে চলে আসেন লাভলুর বাড়িতে। পরে আইনি ও ধর্মীয় সব জটিলতা সামলে বিয়ের পর সুখে সংসার করছেন তিনি।

লাভলুর বাবা ইদ্রিস আলী বলেন, সব বাধা পেরিয়ে ছেলের ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়েছি। আমি সঞ্জনাকে নিজের মেয়ের মতো করেই দেখি। ভালোভাবে তারা সংসার করছে এবং ভালো আছে।

স্থানীয় প্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামন মুকুল বলেন, শুরুতে আইনি জটিলতা ছিল, পরে তা ঠিক হয়েছে। তারা এখন সুখে সংসার করছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

প্রেমের টানে নদী সাঁতরে বাংলাদেশে সঞ্জনা

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

একজনের বাড়ি ভারতে, আরেকজনের বাংলাদেশে। সীমান্তবর্তী মাথাভাঙা নদীর ঘাটে পরিচয় হয় সঞ্জনা ও লাভলুর। সেই পরিচয় থেকে প্রেম। তবে বিপত্তি বাধে সীমান্তের কাঁটাতার। একপর্যায়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে নদী পার হয়ে লাভলুর বাড়িতে হাজির হন সঞ্জনা। এরপর তৈরি হয় আইনি জটিলতা। পরে আদালতের মাধ্যমে দুইজনে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাদের সুখের রয়েছে দুই সন্তান।

জানা যায়, সঞ্জনা ভারতের নদীয়া জেলার চর মেঘনার মেয়ে। লাভলুর বাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা জামালপুরে।

সঞ্জনা জানান, নদীর ঘাটে তাদের প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে একদিন বন্যার সময় ভরা নদী সাঁতরে চলে আসেন লাভলুর বাড়িতে। পরে আইনি ও ধর্মীয় সব জটিলতা সামলে বিয়ের পর সুখে সংসার করছেন তিনি।

লাভলুর বাবা ইদ্রিস আলী বলেন, সব বাধা পেরিয়ে ছেলের ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়েছি। আমি সঞ্জনাকে নিজের মেয়ের মতো করেই দেখি। ভালোভাবে তারা সংসার করছে এবং ভালো আছে।

স্থানীয় প্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামন মুকুল বলেন, শুরুতে আইনি জটিলতা ছিল, পরে তা ঠিক হয়েছে। তারা এখন সুখে সংসার করছেন।


প্রিন্ট