ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ

মো. আব্দুল আজিজ মিয়া | স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুড়িগ্রামে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও আধুনিক, উৎপাদনমুখী ও লাভজনক করতে উন্নত জাতের হাঁস পালন সম্প্রসারণে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ। আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাত নির্বাচন, রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়ে খামারিদের উদ্বুদ্ধ করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান, খামার পরিদর্শন, তথ্যপত্র বিতরণ, সচেতনতামূলক স্টিকার প্রদর্শন এবং মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে জেলার বিভিন্ন উপজেলার খামারিদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হাঁস পালন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে কুড়িগ্রামের নদী, বিল, চরাঞ্চল ও জলাভূমি অধ্যুষিত এলাকায় হাঁস পালন তুলনামূলকভাবে সহজ, কম ব্যয়বহুল এবং অধিক লাভজনক হওয়ায় এ খাতের উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হাঁস পালন সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বল্প পুঁজিতে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ফলে তরুণ উদ্যোক্তা, শিক্ষিত বেকার যুবক এবং প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বাণিজ্যিক হাঁস পালনের প্রতি আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. রুবাইয়েত রেজার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় খামারিদের উন্নত জাতের হাঁস নির্বাচন, বাচ্চা সংগ্রহের সঠিক উৎস নির্ধারণ, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত খামার পরিচালনা, রোগ শনাক্তকরণ, সময়মতো টিকাদান, জৈব নিরাপত্তা (বায়োসিকিউরিটি) নিশ্চিতকরণ, ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাচ্চা লালন-পালনের আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে হাতে-কলমে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি খামারিদের বিভিন্ন সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকনির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, খামারিদের সচেতন করে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করাও এসব কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। এ কারণে নিয়মিত খামার পরিদর্শন, রোগ প্রতিরোধমূলক পরামর্শ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির ফলে অনেকেই আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস পালন শুরু করেছেন। উন্নত জাত নির্বাচন, নিয়মিত টিকাদান, সুষম খাদ্য ব্যবহার এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার কারণে হাঁসের মৃত্যুহার আগের তুলনায় কমেছে। একই সঙ্গে ডিম ও মাংস উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ কমে লাভের পরিমাণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক খামারি।

খামারিরা জানান, আগে অনেকেই রোগব্যাধি সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় ক্ষতির মুখে পড়তেন। এখন প্রাণিসম্পদ বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ, মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের কারণে রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান ও খামার ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডাঃ মো. রুবাইয়েত রেজা নিয়মিত বিভিন্ন গ্রাম ও খামার পরিদর্শন করে খামারিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। হাঁস, মুরগি ও গবাদিপশু পালন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করায় খামারিরা উপকৃত হচ্ছেন বলে তারা মনে করেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, নিরাপদ ও টেকসই হাঁস পালন নিশ্চিত করতে উন্নত জাত নির্বাচন, মানসম্মত খাদ্য ব্যবহার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সময়মতো টিকাদান এবং রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয়ে খামারিদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি খামারিদের আন্তরিকতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কুড়িগ্রামে হাঁস পালন শিল্প আরও বিকশিত হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং দেশের প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কুড়িগ্রাম আধুনিক হাঁস পালন ও উৎপাদনের একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল হিসেবে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ

আপডেট টাইম : ০৮:২১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

মো. আব্দুল আজিজ মিয়া | স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুড়িগ্রামে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও আধুনিক, উৎপাদনমুখী ও লাভজনক করতে উন্নত জাতের হাঁস পালন সম্প্রসারণে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ। আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাত নির্বাচন, রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়ে খামারিদের উদ্বুদ্ধ করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান, খামার পরিদর্শন, তথ্যপত্র বিতরণ, সচেতনতামূলক স্টিকার প্রদর্শন এবং মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে জেলার বিভিন্ন উপজেলার খামারিদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হাঁস পালন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে কুড়িগ্রামের নদী, বিল, চরাঞ্চল ও জলাভূমি অধ্যুষিত এলাকায় হাঁস পালন তুলনামূলকভাবে সহজ, কম ব্যয়বহুল এবং অধিক লাভজনক হওয়ায় এ খাতের উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হাঁস পালন সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বল্প পুঁজিতে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ফলে তরুণ উদ্যোক্তা, শিক্ষিত বেকার যুবক এবং প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বাণিজ্যিক হাঁস পালনের প্রতি আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. রুবাইয়েত রেজার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় খামারিদের উন্নত জাতের হাঁস নির্বাচন, বাচ্চা সংগ্রহের সঠিক উৎস নির্ধারণ, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত খামার পরিচালনা, রোগ শনাক্তকরণ, সময়মতো টিকাদান, জৈব নিরাপত্তা (বায়োসিকিউরিটি) নিশ্চিতকরণ, ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাচ্চা লালন-পালনের আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে হাতে-কলমে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি খামারিদের বিভিন্ন সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকনির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, খামারিদের সচেতন করে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করাও এসব কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। এ কারণে নিয়মিত খামার পরিদর্শন, রোগ প্রতিরোধমূলক পরামর্শ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ে খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির ফলে অনেকেই আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁস পালন শুরু করেছেন। উন্নত জাত নির্বাচন, নিয়মিত টিকাদান, সুষম খাদ্য ব্যবহার এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার কারণে হাঁসের মৃত্যুহার আগের তুলনায় কমেছে। একই সঙ্গে ডিম ও মাংস উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ কমে লাভের পরিমাণ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক খামারি।

খামারিরা জানান, আগে অনেকেই রোগব্যাধি সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় ক্ষতির মুখে পড়তেন। এখন প্রাণিসম্পদ বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ, মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের কারণে রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান ও খামার ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডাঃ মো. রুবাইয়েত রেজা নিয়মিত বিভিন্ন গ্রাম ও খামার পরিদর্শন করে খামারিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। হাঁস, মুরগি ও গবাদিপশু পালন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করায় খামারিরা উপকৃত হচ্ছেন বলে তারা মনে করেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, নিরাপদ ও টেকসই হাঁস পালন নিশ্চিত করতে উন্নত জাত নির্বাচন, মানসম্মত খাদ্য ব্যবহার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সময়মতো টিকাদান এবং রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয়ে খামারিদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি খামারিদের আন্তরিকতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কুড়িগ্রামে হাঁস পালন শিল্প আরও বিকশিত হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং দেশের প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কুড়িগ্রাম আধুনিক হাঁস পালন ও উৎপাদনের একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল হিসেবে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রিন্ট