ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক স্ত্রীকে আনতে গিয়ে অভিমান, শ্রীপুরে পিকআপ চালকের মৃত্যু কালীগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আ/সামী গ্রে/ফতার বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কুড়িগ্রামের বিজিবি সদস্য নিহত উলিপুরে কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া ও সংগীতানুষ্ঠান সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ কলকাতার আগুনে নিভে গেল ৭ বাংলাদেশির প্রাণ, বেনাপোলে ফিরল ৫ মরদেহ—স্বজনদের আহাজারিতে ভারী সীমান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা বরিশালে বিমানবন্দরে এলাকায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বাসযাত্রী গ্রে/প্তার ‎ ‎আইনে নিষেধ, বাস্তবে জমজমাট: পিরোজপুরে সরকারি শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

আইনমন্ত্রীর সন্দেহ ধর্ষণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: দেশে টিভি চ্যানেলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ধর্ষণের ঘটনা গণমাধ্যমে বেশি উঠে আসছে বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সোমবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘একটা ঘটনা যখন ঘটে একই রকম অনেক ঘটনা তখন ঘটে যায়। যেমন কোনো একটা আগুনের ঘটনা ঘটলে প্রায় জায়গায়ই আগুন লাগছে। আবার ধর্ষণের ঘটনা যখন হচ্ছে কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনা সঙ্গে সঙ্গে হয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি একটি বিষয় সন্দেহের মধ্যে রাখতে চাই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো সংগঠন এ রকম কিছু করছে কি-না সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত।’

আনিসুল হক বলেন, ‘ধর্ষণ মামলার বিচার যখন হয় তখন অনেকেই সাক্ষী দিতে আসেন না। আদালত যখন সাক্ষ্য প্রমাণ পায়, তখন কঠোর শাস্তি দিতে কোনো কার্পণ্য করেন না।’ তাই ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে বলেও অভিমত দেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক কারণে অনেক সময় ভিকটিমও অভিযোগ করেন না। তারা মনে করেন বিষয়টি জানাজানি হলে কেমন হবে? মানুষ কীভাবে নেবে? তাই কঠোর আইন থাকার পরেও ধর্ষণ বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে ভাবার সময় শেষ। ভিকটিমকে সাহসী হতে হবে। মামলা করতে হবে। বিচার চাইতে হবে।’

পুলিশি তদন্ত নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত প্রক্রিয়ায় তেমন ঝামেলা আছে বলে মনে হয় না। ওই যে আগেই বলেছি, মানুষ সাক্ষী দিতে আসে না। যে কোনোভাবেই হোক আমাদের এ বাধাটা অতিক্রম করতে হবে।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন রাখা হয় মন্ত্রীর কাছে। তিনি বলেন, ‘যখনই এ ধরনের ঘটনা ঘটে বা পুলিশের কাছে খবর পৌঁছায় তখনই ব্যবস্থা নেয়া হয়। নুসরাতের ঘটনা তো আপনারা দেখেছেন। এটার বিচারতো কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে ৪ কেজি ১৮০ গ্রাম কুশ রেখে পালালেন দুই ভারতীয় নাগরিক

আইনমন্ত্রীর সন্দেহ ধর্ষণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে

আপডেট টাইম : ১২:০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: দেশে টিভি চ্যানেলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ধর্ষণের ঘটনা গণমাধ্যমে বেশি উঠে আসছে বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সোমবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘একটা ঘটনা যখন ঘটে একই রকম অনেক ঘটনা তখন ঘটে যায়। যেমন কোনো একটা আগুনের ঘটনা ঘটলে প্রায় জায়গায়ই আগুন লাগছে। আবার ধর্ষণের ঘটনা যখন হচ্ছে কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনা সঙ্গে সঙ্গে হয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি একটি বিষয় সন্দেহের মধ্যে রাখতে চাই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো সংগঠন এ রকম কিছু করছে কি-না সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত।’

আনিসুল হক বলেন, ‘ধর্ষণ মামলার বিচার যখন হয় তখন অনেকেই সাক্ষী দিতে আসেন না। আদালত যখন সাক্ষ্য প্রমাণ পায়, তখন কঠোর শাস্তি দিতে কোনো কার্পণ্য করেন না।’ তাই ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে বলেও অভিমত দেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক কারণে অনেক সময় ভিকটিমও অভিযোগ করেন না। তারা মনে করেন বিষয়টি জানাজানি হলে কেমন হবে? মানুষ কীভাবে নেবে? তাই কঠোর আইন থাকার পরেও ধর্ষণ বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে ভাবার সময় শেষ। ভিকটিমকে সাহসী হতে হবে। মামলা করতে হবে। বিচার চাইতে হবে।’

পুলিশি তদন্ত নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত প্রক্রিয়ায় তেমন ঝামেলা আছে বলে মনে হয় না। ওই যে আগেই বলেছি, মানুষ সাক্ষী দিতে আসে না। যে কোনোভাবেই হোক আমাদের এ বাধাটা অতিক্রম করতে হবে।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন রাখা হয় মন্ত্রীর কাছে। তিনি বলেন, ‘যখনই এ ধরনের ঘটনা ঘটে বা পুলিশের কাছে খবর পৌঁছায় তখনই ব্যবস্থা নেয়া হয়। নুসরাতের ঘটনা তো আপনারা দেখেছেন। এটার বিচারতো কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে।’


প্রিন্ট