ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন? ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১২ বিলিয়ন ডলার’ গণমাধ্যমের ওপর সরকারি পদক্ষেপে বিরোধী দলকে পাশে চাইলেন সম্পাদকরা সালমান শাহ হত্যা: ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি চড়া দামে বিক্রি হল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

ফল খাওয়ার পাশাপাশি ফল সম্পর্কে জানা জরুরী : সোহেল হায়দার চৌধুরী

 
নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সব ক্ষেত্রেই ফল উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ফল হলো প্রকৃতি-প্রদত্ত এক আশীর্বাদ। এটি সুস্বাদু ও সহজপ্রাপ্য। তবে এই আশীর্বাদ অভিশাপে রূপ নেয়, যদি এটি গ্রহণের সময় ও পদ্ধতি সঠিক না হয়। তাই ভোরবেলা অভুক্ত অবস্থায় অথবা দুটি আহারের মধ্যবর্তী সময় হলো ফল গ্রহণের উপযুক্ত সময়। গতকাল বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের হলরুমে আয়োজিত ফল উৎসব-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক পরিষদ (বিওএসপি) এ ফল উৎসব-২০১৯ এর আয়োজন করেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সম্প্রতি সিনিয়র সাংবাদিক হাসান আরেফিন, আকতারুজ্জামান লাভলু, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ও অজয় বড়–য়ার মৃত্যুতে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, বিওএসপি’র ফল উৎসব-২০১৯ সময়োপযোগী। ফল উৎসবে ফরমালিনমুক্ত দেশিয় ফল খাওয়ানো হয়। সেগুলোর বৈজ্ঞানিক নাম, কোন জেলায় বেশি পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং ফলের গুণাগুন প্রদর্শনী করলে মানুষ ফল খাওয়ার পাশাপাশি ফল সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় ফলের উৎসবে ফলের বাজারজাতকরণে এর সাথে সম্পৃক্ত পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের সমন্বয় করে তাদেরকে উৎসাহিত করা হলে ফলে কেমিক্যাল মেশানোর প্রবণতা কমে আসবে।

ফল উৎসবে টেবিলের ওপরে থরে থরে সাজানো হয় দেশীয় বিভিন্ন প্রকার রসালো ফল। দেশীয় ফলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আম, কাঁঠাল, আনারস, পেয়ারা, লটকন, গাব, তরমুজসহ ১০/১২ ধরনের ফল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই নিজ নিজ পছন্দের দেশীয় ফল আহার করেন। এসময় উপস্থিত সকলেই ফল আহারের সঙ্গে সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে উঠেন।

সংগঠনের সভাপতি সোহেল রানার সভাপতিত্বে ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ মোমিনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহম্মেদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড্রিমল্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাদিকুর রহমান বকুল, সবুজ আন্দোলনের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরর্দার। অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাব-এডিরস কাউন্সিলের সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার সাহাদৎ সবুজ, ঢাকা মহানগর উত্তর সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি বাংলার নিউজরুম এডিটর অমিতাভ রহমান, অগ্নিবিনা পত্রিকার চেয়ারম্যান ও সম্পাদক কবি এইচ এম সিরাজ, মিডিয়া জার্নালিষ্ট ক্লাব অব বাংলাদেশের সভাপতি বাদল চৌধুরী, দৈনিক নওরোজ’র বার্তা সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও সাংবাদিক জয়নাল আবেদিন প্রমুখ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফল খাওয়ার পাশাপাশি ফল সম্পর্কে জানা জরুরী : সোহেল হায়দার চৌধুরী

আপডেট টাইম : ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯

 
নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সব ক্ষেত্রেই ফল উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ফল হলো প্রকৃতি-প্রদত্ত এক আশীর্বাদ। এটি সুস্বাদু ও সহজপ্রাপ্য। তবে এই আশীর্বাদ অভিশাপে রূপ নেয়, যদি এটি গ্রহণের সময় ও পদ্ধতি সঠিক না হয়। তাই ভোরবেলা অভুক্ত অবস্থায় অথবা দুটি আহারের মধ্যবর্তী সময় হলো ফল গ্রহণের উপযুক্ত সময়। গতকাল বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের হলরুমে আয়োজিত ফল উৎসব-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক পরিষদ (বিওএসপি) এ ফল উৎসব-২০১৯ এর আয়োজন করেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সম্প্রতি সিনিয়র সাংবাদিক হাসান আরেফিন, আকতারুজ্জামান লাভলু, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ও অজয় বড়–য়ার মৃত্যুতে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, বিওএসপি’র ফল উৎসব-২০১৯ সময়োপযোগী। ফল উৎসবে ফরমালিনমুক্ত দেশিয় ফল খাওয়ানো হয়। সেগুলোর বৈজ্ঞানিক নাম, কোন জেলায় বেশি পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং ফলের গুণাগুন প্রদর্শনী করলে মানুষ ফল খাওয়ার পাশাপাশি ফল সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় ফলের উৎসবে ফলের বাজারজাতকরণে এর সাথে সম্পৃক্ত পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের সমন্বয় করে তাদেরকে উৎসাহিত করা হলে ফলে কেমিক্যাল মেশানোর প্রবণতা কমে আসবে।

ফল উৎসবে টেবিলের ওপরে থরে থরে সাজানো হয় দেশীয় বিভিন্ন প্রকার রসালো ফল। দেশীয় ফলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আম, কাঁঠাল, আনারস, পেয়ারা, লটকন, গাব, তরমুজসহ ১০/১২ ধরনের ফল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই নিজ নিজ পছন্দের দেশীয় ফল আহার করেন। এসময় উপস্থিত সকলেই ফল আহারের সঙ্গে সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে উঠেন।

সংগঠনের সভাপতি সোহেল রানার সভাপতিত্বে ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ মোমিনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহম্মেদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড্রিমল্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাদিকুর রহমান বকুল, সবুজ আন্দোলনের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরর্দার। অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাব-এডিরস কাউন্সিলের সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার সাহাদৎ সবুজ, ঢাকা মহানগর উত্তর সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি বাংলার নিউজরুম এডিটর অমিতাভ রহমান, অগ্নিবিনা পত্রিকার চেয়ারম্যান ও সম্পাদক কবি এইচ এম সিরাজ, মিডিয়া জার্নালিষ্ট ক্লাব অব বাংলাদেশের সভাপতি বাদল চৌধুরী, দৈনিক নওরোজ’র বার্তা সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও সাংবাদিক জয়নাল আবেদিন প্রমুখ।


প্রিন্ট