ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও শহীদ জিয়া ও বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়ন করবো: আরিফুর রহমান হাসনাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক

অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার বাসনা চরিতার্থ করতে গিয়ে শেখ হাসিনার সরকার গত ১৫ বছর গুম—খুন—গায়েবি মামলা, হুলিয়া, গ্রেপ্তার—হয়রানি, নিপীড়ন, নির্যাতন করেছে বিএনপি নেতাদের উপর। দেশের কারাগারগুলো ছিলো ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি বিএনপি নেতাকর্মীতে ঠাসা। কারা সেলগুলো একেকটি শ্বাসরুদ্ধকর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত করা হয়েছিলো। আওয়ামী লীগ আমলে বরিশাল অঞ্চলে যারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ভোলার বিএনপি নেতা আরিফুর রহমান হাসনাইন। তিনি ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে ভোলা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের সেন্ট্রাল জেলে কারাবন্দী ছিলেন। জেল খেটেছে তার পুরো পরিবারও।
দৌলতখান কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দৌলতখান থানা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফুর রহমান হাসনাইন তার মার্কেটের কয়েকটা দোকানকে বিএনপির পার্টি অফিস করে দিয়েছেন প্রায় ১৭ বছর আগে। এই কারণে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা তার গাড়িতে ও বাড়িতে হামলা করেছে। মিথ্যা মামলায় জর্জরিত করেছে তবুও শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে তাকে একচুলও পেছনে হঠাতে পারেনি। বিএনপির কর্মসূচি সফল করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার হামলার সম্মুখিন হয়েছেন। তবুও কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থাকেননি। কেবলমাত্র ছাত্রদলের রাজনীতি করাতে ভোলা পিএসসির পুলিশ অফিসার নিয়োগে প্রথম হয়েও নিয়োগ পাননি তিনি।

২০১৪ সালে বরিশাল ছাত্রলীগের সভাপতি জিয়া তাকে বরিশালে আটকিয়ে ৬ টা চেকে সাইন করিয়ে নিয়ে পরবর্তিতে মামলা করেছে। চেক নেয়ার ব্যাপারে থানায় গেলে তখন থানায় মামলা কিংবা জিডি কিছুই গ্রহন করেনি। মামলাগুলো এখনো চলমান আছে।

আরিফুর রহমান হাসনাইনের মা সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। মামলার আসামি করে চাকরি থেকে সাসপেন্ড করে। সেই সাসপেনসন এখনো উঠেনি। ফলে তার মা সাসপেন্ড অবস্থায় রিটায়ার্ড এর সময় এসে পড়ে। চাকরি ফেরত পায়নি আর বেতন, ভাতা, রিটায়ারমেন্টের টাকাও পায়নি।

মা, দুই ভাইসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার আসামি আরিফুর রহমান হাসনাইনের বিভিন্ন ক্লাবের মেম্বারশিপ গুলো স্থগিত করে রেখেছে শেখ হাসিনার সরকার। তৎকালিন সরকারের রোষানলে পড়ে তার রিয়েল এস্টেট প্রজেক্টের জমি বছরের পর বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৫, ২৬, ২৭ ও ২৮ নাম্বার ওয়ার্ডে তার কয়েক একর জমি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দখল করে নিয়েছে।

আরিফুর রহমান হাসনাইন বলেন, আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র, ভোটাধিকারে বিশ্বাসী একজন নেতা ছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের মাধ্যমে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যকার ভেদাভেদ দূর করে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে গণতন্ত্রকে হরণ করেছে, আর বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আমার অভিভাবক। আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে বিএনপি। তাই জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও শহীদ জিয়া ও বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়ন করবো। বিএনপির জন্য যদি প্রয়োজন জীবন দিতেও আমি প্রস্তুত।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও শহীদ জিয়া ও বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়ন করবো: আরিফুর রহমান হাসনাইন

আপডেট টাইম : ০৭:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার বাসনা চরিতার্থ করতে গিয়ে শেখ হাসিনার সরকার গত ১৫ বছর গুম—খুন—গায়েবি মামলা, হুলিয়া, গ্রেপ্তার—হয়রানি, নিপীড়ন, নির্যাতন করেছে বিএনপি নেতাদের উপর। দেশের কারাগারগুলো ছিলো ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি বিএনপি নেতাকর্মীতে ঠাসা। কারা সেলগুলো একেকটি শ্বাসরুদ্ধকর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত করা হয়েছিলো। আওয়ামী লীগ আমলে বরিশাল অঞ্চলে যারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ভোলার বিএনপি নেতা আরিফুর রহমান হাসনাইন। তিনি ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে ভোলা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের সেন্ট্রাল জেলে কারাবন্দী ছিলেন। জেল খেটেছে তার পুরো পরিবারও।
দৌলতখান কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দৌলতখান থানা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফুর রহমান হাসনাইন তার মার্কেটের কয়েকটা দোকানকে বিএনপির পার্টি অফিস করে দিয়েছেন প্রায় ১৭ বছর আগে। এই কারণে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা তার গাড়িতে ও বাড়িতে হামলা করেছে। মিথ্যা মামলায় জর্জরিত করেছে তবুও শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে তাকে একচুলও পেছনে হঠাতে পারেনি। বিএনপির কর্মসূচি সফল করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার হামলার সম্মুখিন হয়েছেন। তবুও কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থাকেননি। কেবলমাত্র ছাত্রদলের রাজনীতি করাতে ভোলা পিএসসির পুলিশ অফিসার নিয়োগে প্রথম হয়েও নিয়োগ পাননি তিনি।

২০১৪ সালে বরিশাল ছাত্রলীগের সভাপতি জিয়া তাকে বরিশালে আটকিয়ে ৬ টা চেকে সাইন করিয়ে নিয়ে পরবর্তিতে মামলা করেছে। চেক নেয়ার ব্যাপারে থানায় গেলে তখন থানায় মামলা কিংবা জিডি কিছুই গ্রহন করেনি। মামলাগুলো এখনো চলমান আছে।

আরিফুর রহমান হাসনাইনের মা সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। মামলার আসামি করে চাকরি থেকে সাসপেন্ড করে। সেই সাসপেনসন এখনো উঠেনি। ফলে তার মা সাসপেন্ড অবস্থায় রিটায়ার্ড এর সময় এসে পড়ে। চাকরি ফেরত পায়নি আর বেতন, ভাতা, রিটায়ারমেন্টের টাকাও পায়নি।

মা, দুই ভাইসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার আসামি আরিফুর রহমান হাসনাইনের বিভিন্ন ক্লাবের মেম্বারশিপ গুলো স্থগিত করে রেখেছে শেখ হাসিনার সরকার। তৎকালিন সরকারের রোষানলে পড়ে তার রিয়েল এস্টেট প্রজেক্টের জমি বছরের পর বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৫, ২৬, ২৭ ও ২৮ নাম্বার ওয়ার্ডে তার কয়েক একর জমি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দখল করে নিয়েছে।

আরিফুর রহমান হাসনাইন বলেন, আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র, ভোটাধিকারে বিশ্বাসী একজন নেতা ছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের মাধ্যমে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যকার ভেদাভেদ দূর করে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে গণতন্ত্রকে হরণ করেছে, আর বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আমার অভিভাবক। আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে বিএনপি। তাই জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও শহীদ জিয়া ও বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়ন করবো। বিএনপির জন্য যদি প্রয়োজন জীবন দিতেও আমি প্রস্তুত।


প্রিন্ট