ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরব হতে আগত আউট পাস যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে মালামাল চুরির রহস্য

 

হাফসা আক্তার :গত ১৪ নভেম্বর ২৫ ইং তারিখে, সৌদি আরব হতে ৭৮ জন বাংলাদেশী নাগরিক আউট পাস নিয়ে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট যোগে ঢাকায় আগমন করেন। উক্ত আউট পাস যাত্রীগণ তাদের ইমিগ্রেশনসহ অফিশিয়াল কার্যক্রম শেষ করে আগমনী-১ নং বেল্ট এলাকা থেকে তাদের ব্যাগেজ সংগ্রহ করার সময় তারা লক্ষ্য করেন যে, অধিকাংশ ব্যাগেজ কাটা এবং ব্যাগেজের ভিতর মালামাল নেই। এই নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তারা ভিডিও রেকর্ডিংসহ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স স্টাফের উপর চড়াও হন।

জানা যায়, উক্ত আউট পাস যাত্রীদের সৌদি আরবে বিভিন্ন কারণে আটক থাকার পর সৌদি ইমিগ্রেশনের ব্যবস্থাপনায় ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের ET-618 ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে আদ্দিস আবাবা হয়ে দেশে পাঠানো হয়।

এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, বিগত কয়েকবার এরূপ ব্যাগেজের মালামাল মিসিং এর ঘটনা ঘটেছে। এই বিষয়ে এয়ারলাইনস কর্তৃক সৌদি কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। জানা যায় যে, মূলত আউট পাস ব্যক্তিদের ব্যাগেজ মাথাপিছু গড়ে ১৫ কেজি হিসেবে সকলের মালামাল একত্র করে এয়ারলাইন্সে বুকিং করা হয়। সেক্ষেত্রে, এয়ারলাইন্স ব্যাগেজের ভিতর নির্দিষ্ট ব্যক্তির মালামাল নিশ্চিত করতে পারেনা। পাশাপাশি সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক অনেকের মালামাল জব্দ করা হয় যার তালিকা এয়ারলাইনসের কাছে দেয়া হয় না। ফলশ্রুতিতে, উক্ত ব্যাগেজসমূহ দেশে আসার পর এরূপ পরিস্থতির সৃষ্টি হয়।

হশাআবি বিমানবন্দরের ল্যাগেজ হ্যান্ডেলিং এলাকাগুলো সিসিটিভি নজরদারির আওতায় নিয়ে আসায় বর্তমানে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে আগত যাত্রীদের ব্যাগেজ চুরির ঘটনা অনেকটাই কমে গিয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ল্যাগেজ চুরির ঘটনা গুলো আউটপাস যাত্রীদের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত ব্যাগেজ চুরির ঘটনাটি সৌদি আরবে থাকাবস্থায় কোন এজেন্সি বা ব্যাক্তির মাধ্যমে ঘটেছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরব হতে আগত আউট পাস যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে মালামাল চুরির রহস্য

আপডেট টাইম : ০৬:৪১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

 

হাফসা আক্তার :গত ১৪ নভেম্বর ২৫ ইং তারিখে, সৌদি আরব হতে ৭৮ জন বাংলাদেশী নাগরিক আউট পাস নিয়ে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট যোগে ঢাকায় আগমন করেন। উক্ত আউট পাস যাত্রীগণ তাদের ইমিগ্রেশনসহ অফিশিয়াল কার্যক্রম শেষ করে আগমনী-১ নং বেল্ট এলাকা থেকে তাদের ব্যাগেজ সংগ্রহ করার সময় তারা লক্ষ্য করেন যে, অধিকাংশ ব্যাগেজ কাটা এবং ব্যাগেজের ভিতর মালামাল নেই। এই নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তারা ভিডিও রেকর্ডিংসহ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স স্টাফের উপর চড়াও হন।

জানা যায়, উক্ত আউট পাস যাত্রীদের সৌদি আরবে বিভিন্ন কারণে আটক থাকার পর সৌদি ইমিগ্রেশনের ব্যবস্থাপনায় ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের ET-618 ফ্লাইটে সৌদি আরব থেকে আদ্দিস আবাবা হয়ে দেশে পাঠানো হয়।

এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, বিগত কয়েকবার এরূপ ব্যাগেজের মালামাল মিসিং এর ঘটনা ঘটেছে। এই বিষয়ে এয়ারলাইনস কর্তৃক সৌদি কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। জানা যায় যে, মূলত আউট পাস ব্যক্তিদের ব্যাগেজ মাথাপিছু গড়ে ১৫ কেজি হিসেবে সকলের মালামাল একত্র করে এয়ারলাইন্সে বুকিং করা হয়। সেক্ষেত্রে, এয়ারলাইন্স ব্যাগেজের ভিতর নির্দিষ্ট ব্যক্তির মালামাল নিশ্চিত করতে পারেনা। পাশাপাশি সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক অনেকের মালামাল জব্দ করা হয় যার তালিকা এয়ারলাইনসের কাছে দেয়া হয় না। ফলশ্রুতিতে, উক্ত ব্যাগেজসমূহ দেশে আসার পর এরূপ পরিস্থতির সৃষ্টি হয়।

হশাআবি বিমানবন্দরের ল্যাগেজ হ্যান্ডেলিং এলাকাগুলো সিসিটিভি নজরদারির আওতায় নিয়ে আসায় বর্তমানে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে আগত যাত্রীদের ব্যাগেজ চুরির ঘটনা অনেকটাই কমে গিয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ল্যাগেজ চুরির ঘটনা গুলো আউটপাস যাত্রীদের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত ব্যাগেজ চুরির ঘটনাটি সৌদি আরবে থাকাবস্থায় কোন এজেন্সি বা ব্যাক্তির মাধ্যমে ঘটেছে।


প্রিন্ট