রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা: সাবেক কাউন্সিলর মিন্টু দুই দিনের রিমান্ডে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ালো এনবিআর কাউকে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না—সেলিম উদ্দিন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করার আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশালে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উদযাপন বরিশালে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ সিটিটিসি’র অভিযানে ৯ জন মাদকসেবী গ্রেফতার মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাব: শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল, ৫৩৯টি ফ্লাইট পরিচালিত

প্রাথমিকে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা: সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। আজ সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান।

মিলন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমান সরকারও আবার এই খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার জন্য সরকার ইতোমধ্যেই নির্দেশনা পেয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় সচেতনতা জোরদারের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।’

তবে তিনি জানান, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে, বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের সনদ স্বীকৃতি নিয়ে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী কিরাত (কোরআন তেলাওয়াত) বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হলেও মূলধারার মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায়, তাদের সনদ স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘যোগ্য প্রার্থীদের ইসলাম শিক্ষা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এসব সনদ-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষা শুধু ইসলাম ধর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘সব ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

এর আগে মো. মনিরুল হক চৌধুরী গত ১৫ থেকে ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

যদিও এই সময়ে স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com